Alexa ভোট শেষ, চলছে গণনা

ঢাকা, রোববার   ১৭ নভেম্বর ২০১৯,   অগ্রহায়ণ ২ ১৪২৬,   ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

Akash

ভোট শেষ, চলছে গণনা

 প্রকাশিত: ১৬:২২ ২১ ডিসেম্বর ২০১৭   আপডেট: ১৮:৫৩ ২১ ডিসেম্বর ২০১৭

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে প্রথমবারের মতো দলীয় প্রতীকে রংপুর সিটি করপোরেশন (রসিক) নির্বাচনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। এখন কেন্দ্রে কেন্দ্রে চলছে ভোট গণনা। নির্বাচনে দু-একটি অভিযোগ ছাড়া বড় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলে আলোচিত এই নির্বাচনের ভোটগ্রহণ।

ভোট দিতে কুয়াশা ও শীত উপেক্ষা করে সকাল থেকেই কেন্দ্রে আসতে শুরু করেন সাধারণ ভোটাররা। তবে সকালে কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতির সংখ্যা কম লক্ষ্য করা গেলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কেন্দ্রগুলোতে ভোটারের সংখ্যাও বাড়তে থাকে।

সকালেই তিন হেভিওয়েট আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থীরা নিজ নিজ কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। সকাল পৌনে ৯টার দিকে নগরীর ২৯নং ওয়ার্ডের মাহিগঞ্জের দেওয়ানটুলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে ভোট প্রদান করেন বিএনপির মেয়র প্রার্থী কাওছার জামান বাবলা।

সকাল ৯টার ২৫ মিনিটে ২১নং ওয়ার্ডের আলমনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে ভোট প্রদান করেন জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা।

অপরদিকে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নগরীর ২৪নং ওয়ার্ডের সলেমা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে ভোট দেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সাবেক মেয়র সরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টু।

নির্বাচনের যেকোনো ফলাফল মেনে নেবেন বলে আশা ব্যক্ত করেন মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা। তবে এজেন্টদের কয়েকটি কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়া এবং ঢুকতে না দেয়া অভিযোগ করেন কাওছার জামান বাবলা। এছাড়া আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টুও অভিযোগ করেছেন, নির্বাচন কমিশন যে দায়িত্ব নিয়েছিলেন তা পালনে ব্যর্থ হয়েছে।

সেনপাড়া শিশুমঙ্গল কেন্দ্রে সকাল সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ভোট দেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদ ও তার ভাই জাপার কো-চেয়ারম্যান জি এম কাদের।

পরে সাংবাদিকদের এরশাদ বলেন, রংপুরের নির্বাচনে আমরা আশা করছি লক্ষাধিক ভোটের ব্যবধানে জয়ী হবো, আল্লাহ আমাদের এই আশা পূরণ করবেন।

তিনি বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ হচ্ছে। উৎসব মুখর পরিবেশে হচ্ছে, অনিয়মের কিছুই হচ্ছে না। নির্বাচনের পরিবেশ নিয়েও আশঙ্কা নেই।

ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা রক্ষায় তৎপর রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। ভোর থেকেই রাস্তায় রাস্তায় বিজিবি, র‌্যাব ও পুলিশের টহল লক্ষ্য করা গেছে। নির্বাচনে ৩৬ প্লাটুন বিজিবি, ৫ হাজার পুলিশ, দুই হাজার ৭শ আনসার সদস্য, সিটির ৩৩টি ওয়ার্ডে ৩৩টি মোবাইল টিম এবং ৩৩টি র‌্যাবের টিম রয়েছে। এছাড়াও ১৬টি স্ট্রাইকিং ফোর্স মোতায়েন রয়েছে। পুরো এলাকায় বসানো হয়েছে ৮টি চেকপোস্ট।

ডেইলি বাংলাদেশ/এসআই