ভূতুড়ে জাহাজের গন্তব্য ছিল বাংলাদেশ
SELECT bn_content_arch.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content_arch.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content_arch.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content_arch INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content_arch.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content_arch.ContentID WHERE bn_content_arch.Deletable=1 AND bn_content_arch.ShowContent=1 AND bn_content_arch.ContentID=50317 LIMIT 1

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ০৬ আগস্ট ২০২০,   শ্রাবণ ২২ ১৪২৭,   ১৫ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

Beximco LPG Gas

ভূতুড়ে জাহাজের গন্তব্য ছিল বাংলাদেশ

 প্রকাশিত: ১৬:১৭ ১ সেপ্টেম্বর ২০১৮   আপডেট: ১৮:০৭ ১ সেপ্টেম্বর ২০১৮

পুরোপুরি একটি ভূতুড়ে জাহাজ। সর্বশেষ যে খবরটি পাওয়া গিয়েছিল তাও ২০০৯ সালের। অর্থাৎ নয় বছর আগে বেমালুম 'নেই' হয়ে যাওয়া ইন্দোনেশিয়ার জাহাজ 'স্যাম রাতুলঙ্গি পিবি ১৬০০' ফিরে এসেছে। জোয়ারের টানে ১৭৭ মিটার লম্বা ২৬ হাজার ৫০০ টনের এই জাহাজটি এখন ভেসে বেড়াচ্ছে মিয়ানমারের অর্থনৈতিক রাজধানী হিসেবে পরিচিত উপকূলীয় শহর 'মার্তাবান' থেকে মাত্র ১১ কিলোমিটার দূরে।

মিয়ানমারের পুলিশ ও নৌ কর্তকর্তারা বৃহস্পতিবার জাহাজে অনুসন্ধান চালালে তাতে কাওকে খুঁজে পায়নি। তবে জাহাজে ইন্দোনেশিয়ার পতাকা এখনো আছে।

মিয়ানমারের বেসরকারি নাবিক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অঙ কিয়াও লিন বলেছেন, দীর্ঘদিন নিখোঁজ থাকলেও কনটেইনার জাহাজটি এখনো কর্মক্ষম। জাহাজটি ‘মাত্র কিছুদিন আগেই পরিত্যক্ত’ হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নিশ্চয়ই এর পেছনে কোনো কারণ আছে।

অবশ্য দেশটির সরকার নিয়ন্ত্রিত মিডিয়া থেকে বলা হচ্ছে পাশের দেশ বাংলাদেশে নেয়ার জন্যই জাহাজটি 'টেনে আনা হয়েছে'। চট্টগ্রামে এ অঞ্চলের সবচেয়ে বড় পুরোনো জাহাজ কেনা ও কেঁটে বিক্রি করার শিল্প রয়েছে।

শনিবার মিয়ানমারের নৌবাহিনী জানায় ‘ভূতুড়ে’ জাহাজটি দেশটির উপকূলে কিভাবে এসেছে সে রহস্য তারা সমাধান করেছে। তারা জাহাজটির সামনে দুটি বড় কেবল বাঁধা দেখতে পান এবং ধারণা করেন এই দুটি কেবল দিয়েই জাহাজটি টেনে নেয়া হচ্ছিল।

পরে উপকূল থেকে ৮০ কিলোমিটার দূর থেকে 'ইন্ডিপেন্ডেন্ট' নামের একটি টাগবোট এবং ১৩ ইন্দোনেশীয় নাবিককে আটক করে মিয়ানমার নৌবাহিনী।

মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ বলেছে, জিজ্ঞাসাবাদে অাটককৃতরা স্বীকার করেছে জাহাজটিকে তারা বাংলাদেশের চট্টগ্রামে নিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু খারাপ আবহাওয়ার কারণে টেনে নিয়ে যাওয়ার কেবলদুটি ছিড়ে যায়। তারা আর জাহাজটিকে বাঁধার চেষ্টা করেনি। জাহাজটিকে চট্টগ্রামে পৌছাতে না পেরে তারা ফিরে যাচ্ছিল। পথে তাদের আটক করা হয়। 

মিয়ানমারের বেসরকারি সংবাদ মাধ্যম 'ইলেভেন মিয়ানমার' জানিয়েছে, টাগবোটটির মালিক একজন মালয়শীয়।

আটক করা নাবিকদের আরো জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

সারা বিশ্বের সব বাণিজ্যিক জাহাজের খবর রাখা এবং লগবুক সংরক্ষণকারী মেরিন ট্রাফিক ওয়েবসাইটে সর্বশেষ অবস্থান ছিল তাইওয়নে উপকূলে। তাদের কাছেও জাহাজটির এতদিনের অবস্থান সম্পর্কে কেনো তথ্য নেই। তবে তারা জানিয়েছে বিষয়টি তদন্ত করে দেখবে।

এতদিন ৫৮০ ফুটের জাহাজটি তাহলে কোথায় ছিল তা শুধু রহস্যই নয়, রীতিমত ভূতুড়েও।

ডেইলি বাংলাদেশ/এসজেড