Alexa ভুয়া বিলে ৬৩ লাখ টাকা আত্মসাৎ!

ঢাকা, সোমবার   ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯,   অগ্রহায়ণ ২৪ ১৪২৬,   ১১ রবিউস সানি ১৪৪১

এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

ভুয়া বিলে ৬৩ লাখ টাকা আত্মসাৎ!

আহমেদ জামিল, সিলেট ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ০৩:৪৭ ২৮ নভেম্বর ২০১৯   আপডেট: ১৪:০৮ ২৮ নভেম্বর ২০১৯

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

ভুয়া বিল দেখিয়ে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠেছে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ সাবেক উপ-পরিচালকসহ তিনজনের বিরুদ্ধে। তাদের বিরুদ্ধে ১৬টি ভুয়া বিলে ৬২ লাখ ৭২ হাজার টাকার অভিযোগ আনে দুদক।

এ ঘটনায় বুধবার দুদক সমন্বিত সিলেট কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মনজুর আলম চৌধুরী একটি মামলা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের উপ-পরিচালক মো. নুর-ই-আলম।

অভিযুক্তরা হলেন- হাসপাতালের সাবেক উপ-পরিচালক ও মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার পূর্ব শাহবাজপুর ইউপির আতুয়া গ্রামের সোলাইমান আহমদের ছেলে ডা. মো. আব্দুস সালাম, সাবেক হিসাবরক্ষক ও চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার মিরপুর গ্রামের আফাজ উদ্দিন আটিয়ার ছেলে আব্দুল কুদ্দুস আটিয়া ও মেসার্স এমএস এন্টারপ্রাইজের মালিক ও নগরীর ভাতালিয়া এলাকার মমতাজ মিয়ার ছেলে এমএম হোসেন ওরফে সাদ্দাম হোসেন।

দুদকের উপ-পরিচালক মো. নুর-ই-আলম জানান, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে হাসপাতালের এমএসআর সামগ্রী ও বিবিধ মালামাল কেনার জন্য এমএস এন্টারপ্রাইজকে কার্যাদেশ দেয়া হয়। সে মোতাবেক এমএস এন্টারপ্রাইজ মালামাল সরবরাহ করে হিসাবের কোড নম্বর ৩-২৭৪০-০০৬০-৪৮৬৮ এর বিপরীতে ছয়টি বৈধ বিলের সঙ্গে ১৩টি ও ৩-২৭৪০-০০৬০-৪৮৯৯ এর বিপরীতে আটটির সঙ্গে তিনটি ভুয়া বিল জমা দেন।

দুদকের উপ-পরিচালক আরো জানান, বিলগুলো পর্যালোচনা করে দুদক জানতে পারে- এগুলো তৈরি করেছেন হাসপাতালের হিসাবরক্ষক আব্দুল কুদ্দুস। যা পাস করেন আব্দুস সালাম। বিলগুলো বিভাগীয় হিসাবরক্ষণ অফিসে জমা দেন এমএস হোসেন। পরে বিভাগীয় হিসাব নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় থেকে বিলগুলো পাসের পর তিনজন মিলেই আত্মসাৎ করেন।

তিনি আরো জানান, শুধু টাকা আত্মসাত করেই থেমে থাকেননি, ১৬টি বিল ও পাসের নোটিশও গায়েব করেন তারা।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআর/এআর