‘ভুতুড়ে বিল’ যখন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর বাসায়ও
SELECT bn_content.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content.ContentID WHERE bn_content.Deletable=1 AND bn_content.ShowContent=1 AND bn_content.ContentID=192198 LIMIT 1

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ১৩ আগস্ট ২০২০,   শ্রাবণ ২৯ ১৪২৭,   ২২ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

Beximco LPG Gas

‘ভুতুড়ে বিল’ যখন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর বাসায়ও

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২০:১৫ ৫ জুলাই ২০২০   আপডেট: ২০:২২ ৫ জুলাই ২০২০

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

সারাদেশে গ্রাহকদের বিদ্যুতের ভুতুড়ে বিল (অতিরিক্ত বিল) এসেছে- এ খবর  অজানা নেই কারো। কিন্তু নতুন খবর হলো- স্বয়ং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদের বাসায় এবং প্রতিষ্ঠানেও এসেছে ভুতুড়ে বিল। আর এ খবর নিজেই জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।

প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ রোববার গণমাধ্যমকে জানান, আমাদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে মার্চ থেকে। বন্ধ থাকা অফিসে ভুতুড়ে বিল এসেছে। আমার বাসায়ও এসেছে।

ভুতুড়ে বিল এসেছে বিদ্যুৎ বিভাগের প্রতিষ্ঠান পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসেন, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মইন উদ্দিন, বিদ্যুৎ বিভাগের যুগ্ম সচিব পর্যায়ের চারজন কর্মকর্তাসহ সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তাদের বাসাবাড়িতেও।

এ অতিরিক্ত বিল নিয়ে আজ বেলা একটায় সংবাদ সম্মেলন ডাকে বিদ্যুৎ বিভাগ। এ সময় বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও বাড়িতেই যদি ভুতুড়ে বিল আসে, তাহলে সাধারণ মানুষের অবস্থা কী— এমন প্রশ্নের জবাবে নসরুল হামিদ বলেন, শনিবার পর্যন্ত চার লাখের বেশি গ্রাহকের বাড়তি বিলের সমস্যার সমাধান করা হয়েছে। বাড়তি বিল সমন্বয় করতে যারা ব্যর্থ হয়েছেন এবং বাড়তি বিলের জন্য যারা দায়ী, তাদের শনাক্ত করতে বিদ্যুৎ বিভাগ একটি টাস্কফোর্স গঠন করেছিল। সেই কমিটির প্রতিবেদনে তিনশ’ ব্যক্তিকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এরই মধ্যে ডিপিডিসির বেশ কিছু কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

ভুতুড়ে বিল সম্পর্কে জানতে চাইলে বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব সুলতান আহমেদ বলেছেন, কোনো ব্যক্তিকে বাড়তি বিল দিতে হবে না। কোনো গ্রাহক যদি মনে করেন, তার বাড়তি বিল এসেছে, অভিযোগ করলেই সমস্যার সমাধান করা হচ্ছে। এরইমধ্যে প্রায় সবারই সমাধান করা হয়েছে। কিছু হয় তো বাকি আছে।

প্রসঙ্গত, চারটি বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থার প্রায় ৩০০ কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ গঠিত টাস্কফোর্স। এছাড়া ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেডের (ডেসকো) দুজন মিটার রিডারকে বরখাস্তের সুপারিশ করা হয়েছে। 

রাজশাহী ও রংপুরের ১৬ জেলায় বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি (নেসকো) লিমিটেডের দুজন মিটার রিডারকে বরখাস্ত করার সুপারিশ করা হয়েছে। আর দক্ষিণ–পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার বিতরণ সংস্থা ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড ২৩০ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে কারণ দর্শাও, বরখাস্তসহ বিভিন্ন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করেছে। 

ডেইলি বাংলাদেশ/এসআই