Exim Bank Ltd.
ঢাকা, শুক্রবার ১৬ নভেম্বর, ২০১৮, ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

ভিক্ষুকের কাফেলা ও ভিক্ষার রকমারি কৌশল

আফরোজা পারভীন
অাফরোজা পারভীন, কথাশিল্পী, কলাম লেখক, সম্পাদক। জন্ম ৪ ফোব্রুয়ারি ১৯৫৭, নড়াইল। সাহিত্যের সকল ক্ষেত্রে অবাধ পদচারণা। ছোটগল্প, উপন্যাস, শিশুতোষ, রম্য, স্মৃতিকথা, অনুবাদ, গবেষণা ক্ষেত্রে ১০১টি পুস্তক প্রণেতা। বিটিতে প্রচারিত টিয়া সমাচার, ধূসর জীবনের ছবি, গয়নাসহ অনেকগুলি নাটকের নাট্যকার। 'অবিনাশী সাঈফ মীজান' প্রামাণ্যচিত্র ও হলিউডে নির্মিত স্বল্পদৈর্ঘ্য 'ডিসিসড' চলচ্চিত্রের কাহিনিকার। রক্তবীজ ওয়েব পোর্টাল www.roktobij.com এর সম্পাদক ও প্রকাশক। অবসরপ্রাপ্ত যুগ্মসচিব

‘ভিক্ষুকরা’ মানে নিজের দুঃখ দারিদ্র কষ্ট অক্ষমতা অসামর্থ্যরে কথা মানুষকে বলে তাদের কাছে হাত পেতে কিছু নেয়া। এ শব্দের আভিধানিক অর্থ-যাচিত জিনিস প্রার্থনা, সাহায্য চাওয়া। ভিক্ষাবৃত্তি মানে ভিক্ষার মাধ্যমে জীবনধারণ।

ভিক্ষাবৃত্তি এক অতি প্রাচীন পেশা। ঠিক কবে থেকে ভিক্ষাবৃত্তির প্রচলন হয়েছে, তা বলা সম্ভব নয়। পৃথিবীর সবদেশেই কম বেশি ভিক্ষুক আছে। হয়ত তাদের ভিক্ষার পদ্ধতি ভিন্ন। কিন্তু এদেশের মতো এতো সর্বগ্রাসী জীবিকার মাধ্যম হিসেবে পরিচিত এ পেশা সম্ভবত বিশ্বের কোথাও নেই। উন্নত বিশ্বে ভিক্ষাবৃত্তি একটা বিচ্ছিন্ন ব্যাপার। কিন্তু বাংলাদেশের মতো দরিদ্র ও উন্নয়নশীল দেশে তা এক জটিল এবং জাতীয় সমস্যা। এদেশে ভিক্ষুক সমস্যা দিনে দিনে আশঙ্কাজনক পরিণতির দিকে মোড় নিচ্ছে। বিচ্ছিন্নভাবে কিছু কিছু পদক্ষেপ নেয়া হলেও হচ্ছে না তাতে কার্যকর সমাধান। মাঝে মাঝে মাইকিং করে কিছু কিছু এলাকা ভিক্ষুকমুক্ত ঘোষণা করা হচ্ছে। মোবাইল কোর্ট চলছে, দু’চারদিন ভিক্ষুককে ধরে ধরে নেয়াও হচ্ছে। তারপর ভিক্ষুকমুক্ত এলাকাগুলোতে ভিক্ষাবৃত্তি চলছে অবাধে। ঘরে, বাইরে, মেসে, বাস- ট্রেনে, লঞ্চ-স্টিমারে, অফিস-আদালতে, কল-কারখানায়, খানকা-মাজারে, মসজিদ-মন্দিরে ভিক্ষুকের ছড়াছড়ি। বাসস্ট্যান্ডে বা রেলস্টেশনে দাঁড়ালেই মুখোমুখি হবেন হরেক কিসিমের ভিখারীর। সিটে বসে শান্তি পাবেন না। জানালার পাশে দাঁড়িয়ে ঘ্যান ঘ্যান করেই চলেছে। কিছু ভিক্ষুক কর্কশকণ্ঠে চেঁচিয়ে কান ঝালাপালা করে ছাড়বে। অনেকে কোরাসকণ্ঠে জারি গেয়ে জীবন দুর্বিষহ করে তুলবে। শুধু কি তাই। আপনি হয়ত কোন ঝামেলা বা দুঃশ্চিন্তায় আছেন, সমাধানের জন্য ছুটে বেড়াচ্ছেন বা পরামর্শের জন্য কোথাও গেছেন, সেখানেও পৌঁছে যাবেন ভিখারী সাহেব।

কিছু বললে তারা এমন অভিশাপ দেবে যে, আপনি চলে ফিরে ঘুমিয়ে শান্তি পাবেন না।

আমাদের ছেলেবেলায় বাড়িতে বাড়িতে মুষ্ঠিচাল রাখা হতো। এর নেপথ্য কারণ ছিল, যদি কখনও চাল বাড়ন্ত হয় তখন ওই চাল দিয়ে দু’একবেলা চলে যাবে। মুষ্টিচাল রাখার মতো ভিক্ষার চালও রাখা হতো আলাদা করে। ভিক্ষুক আসবে, তাকে ভিক্ষা দিতে হবে এটাই ছিল তখন রীতি। তখন ভিক্ষাবৃত্তিকে কেউ অত খারাপ চোখেও দেখত না, আর বিরক্তও হতো না। কারণ সত্যিই যাদের ভিক্ষা করা ছাড়া গত্যন্তর ছিলো না তারাই ভিক্ষা করত।

তখন প্রযুক্তির প্রসার হয়নি। তাই গরিব অসহায়, সম্বলহীন মানুষদের ভিক্ষা ছাড়া উপায় ছিল না। ভিক্ষুক ফিরিয়ে দেওয়া, অমঙ্গলজনক মনে করতো তখন মানুষ। এখন ভিক্ষুকের ক্রমসম্প্রসারণ মানুষকে ভিক্ষাদানে নিরুৎসাহিত করে ফেলেছে।

বিভিন্ন ধরণের ভিক্ষুক ও তাদের রকমারি কৌশল:

দেশে বিচিত্র ধরনের ভিক্ষুক দেখা যায়। তাদের ভিক্ষার কৌশলও রকমারি।

(১) প্রকৃত ভিক্ষুক

অত্যন্ত অসহায় কিছু ভিক্ষুক আছে যাদের দায়িত্ব নেয়ার কেউ নেই অথবা থাকলেও নেয় না। তারা কেউ প্রতিবন্ধী, কেউ বয়সের ভারে ভারাক্রান্ত। এদের অনেকের কাঁধে আবার সংসারের দায়িত্ব রয়েছে। তাই পেটের দায়ে বাধ্য হয়েই এরা জীবিকার সহজমাধ্যম হিসেবে ভিক্ষার আশ্রয় নেয়। এই শ্রেণীর প্রতি অনেকেই সহানুভূতিশীল থাকে বলে এরা ভিক্ষা পায়।

(২) কৃত্রিমভাবে সৃষ্ট ভিক্ষুক

বেকারত্ব ও অর্থনৈতিক কারণেও বিপুল সংখ্যক মানুষ উপায় না পেয়ে ভিক্ষার পথ বেছে নেয়। এরা মূলতঃ কৃত্রিমভাবে সৃষ্ট ভিক্ষুক। দেশ স্বাধীন হয়েছে কিন্তু‘ সৃষ্টি হয়নি যথাযথ কর্মসংস্থানের সুযোগ। তাছাড়া দুর্নীতি স্বজনপ্রীতির কারণে অনেক সময় যোগ্যরাও কাজ পায়না। রয়েছে উর্বর ভূমি, কৃষি উপযোগী আবহাওয়া ও দক্ষ-কর্মক্ষম বিপুল মানবসম্পদ। তা স্বত্ত্বেও নতুন নতুন কলকারখানা স্থাপিত হচ্ছে না। বরং স্বাধীনতার পর পাকিস্তান আমলে প্রতিষ্ঠিত বহু শিল্পকারখানা দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা ও অযোগ্যতার কারণে বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে বেকারত্বের সংখ্যাও ক্রমশ বেড়েছে। লাগাতার লুটপাট, অনুৎপাদনশীল খাতে অর্থ অপব্যয় করে দেশকে পেছনের দিকে ঠেলে দেয়া হয়েছে। ফলে জ্যামিতিক হারেই বেড়েছে দারিদ্র্য ও বেকারত্ব।

এরওপর, নিত্যনতুন প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রতিবছরই এদেশের অসংখ্য পরিবারকে করে ভিটেমাটিহীন ও নিঃস্ব। তারাও এসে যুক্ত হয় ভিক্ষুকের কাফেলায় ।

(৩) মৌসুমি ভিক্ষুক

এক ধরণের মানুষ আছে, যারা ভিক্ষুক না, কিন্তু খেয়ে না খেয়ে অতিকষ্টে সংসার চালায়। কিন্তু এরা যখন কঠিন বিপদে পড়ে বা বড় অঙ্কের টাকার প্রয়োজন হয় এদের তখন এরাও সেজোনাল ভিক্ষুক সেজে ঈদ, যাকাত মৌসুম, বড় বড় পর্ব উপলক্ষে ভিক্ষায় নামে।

(৪) উত্তরাধিকারী ভিক্ষুক

একশ্রেণী উত্তরাধিকারসূত্রে ভিক্ষাবৃত্তিকে বেছে নেয় পেশা হিসেবে। পিতা-মাতা বা আত্মীয়-স্বজন ভিক্ষাবৃত্তি করত কাজেও তাকেও এই পেশা নিতে হবে এই যেন তাদের যুক্তি। তাই সুস্থ ও কর্মক্ষম থাকলেও এরা অন্য পথে পা বাড়ায় না।

(৫) অভাবী কর্মবিমুখ ভিক্ষুক

অলস ও কর্মবিমুখ অভাবী মানুষেরা বিনা পুঁজির মাধ্যম হিসেবে ভিক্ষাকে পেশা হিসেবে বেছে নেয়। উপার্জনের ঝুঁকিকে ভয় পায় এরা। চায় বসে বসে খেতে ও পরতে। তাই কোনো কাজ করতে বললে বা দিতে চাইলেও এরা কাঁচুমাচু করে এড়িয়ে যায়। জোর করে এদের কাজে নিয়োগ করতে চাইলেও এরা তা করতে চায়না। কাজে লাগালে পালিয়ে গিয়ে ভিক্ষা করেই বেড়ায়।

(৬) ব্যবসায়ী ভিক্ষুক

আরেক ধরণের ভিক্ষুক আছে যারা প্রতারকরূপী ব্যবসায়ী। বিকলাঙ্গ শিশু, প্রতিবন্ধী বা অসুস্থ, মৃত কাউকে মাধ্যম বানিয়ে ভিক্ষা করে এরা। আবার অনেকে নিজে অন্ধ, বোবা, কালা, মৃগীরোগী, পাগল ইত্যাদি সেজে ধোকা দিয়ে দিব্যি উপার্জন করে যাচ্ছে। কারো শরীরের দগদগে ঘা জিইয়ে রেখে, কাউকে রোগী সাজিয়ে বা মৃত আত্মীয়স্বজনের লাশের সৎকার, শ্রাদ্ধ, কারো বিয়ে, পবিত্র কুরআন ক্রয় বা খতম দেয়া, ক্লাশের নতুন বই কেনা, মাদ্রাসা-মসজিদ, খানকা, পীরের শিরনীর নামেও অনেকে চাঁদার নামে ভিক্ষা করে বেড়ায়। এরা ক্ষেত্রবিশেষে ছিনতাইকারীও। এদের অনেকে নারী ভিক্ষুকদের দিয়ে পতিতাবৃত্তিও চালিয়ে থাকে। এদের অনেকের নামী-দামী বাড়ি-গাড়ি আছে, ভাড়াও খাটিয়ে থাকে এবং এদের স্বচ্ছল জীবন-যাপন দৃশ্য অনেকেরই জানা আছে।

সুতরাং প্রথমোক্ত তিনপ্রকার ভিক্ষুক ছাড়া বাকী সবাই পেশাজীবী বা ব্যবসায়ী ভিক্ষুক। এদের কারণে বিদেশীদের কাছেও দেশের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। মাঝে মাঝে প্রবাসেও বাংলাদেশীদের ভিক্ষাবৃত্তির কথা শোনা যায়। দেশে এমন ভিক্ষুক নেতা বা সর্দার আছেন যার অধীনে ১০/২০ জন ভিক্ষুক একটি নির্দিষ্ট এলাকায় ভিক্ষা করেন। সারাদিন ভিক্ষা করে যা পান তার সিংহভাগ নিয়ে যায় নেতারা আর যৎসামান্য পায় ভিক্ষুকরা। এতে করে নেতারা খুব সহজে মোটা অংকের টাকা উর্পাজন করছে বিনা পরিশ্রমে।

প্রতিকার

ভিক্ষাবৃত্তি থেকে মুক্তির সবচেয়ে কার্যকর উপায় হচ্ছে ভিক্ষুককে কর্মক্ষম করা ও তার নিশ্চিত আয়ের ব্যবস্থা করা। সেটি নিশ্চিত না করতে পারলে যত প্রকল্প আর যত সভা সেমিনার কর্মশালা করি না কেন, কোন কাজ হবে না। আগে ভিক্ষুক তৈরি হওয়ার মূল কারণ চিহ্নিত করে দূর করতে হবে, তারপর করতে হবে তাদের জীবিকার ব্যবস্থা।

যেকোনো ধরনের অসামাজিকবৃত্তি বা সামাজিক সমস্যার স্থায়ী সমাধানে দরকার সরকারের দৃঢ় রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং স্বল্পমেয়াদী ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা। সেটা ভিক্ষাবৃত্তির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।

এব্যাপারে দল-মতনির্বিশেষে সর্বদলীয় সমঝোতা এবং সামাজিক, স্বেচ্ছাসেবীসংগঠন, এনজিওদের কার্যকর ভূমিকা জরুরি।

দেশে হাজার হাজার একর পতিত জমি রয়েছে। রয়েছে সরকারের খাসজমি। সেখানে ভিক্ষুকদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে বাসস্থান তৈরি, ঋণদানসহ নানারকম কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রকল্প গ্রহণ করা যেতে পারে।

তবে মূল দায়িত্ব দিতে হবে সমাজের চিহ্নিত সৎ মানুষদের। তাহলে দুর্নীতি, অর্থ তসরূপ ইত্যাদির সুযোগ তেমন থাকবেনা এবং লক্ষ্য জনগোষ্ঠী উপকৃত হবে।

আমরা জানি, সরকার ভিক্ষুকদের পুনর্বাসনের জন্য বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কার্যক্রম ও প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। বেশ কিছু ভিক্ষুককে পুনর্বাসিতও করেছেন। কিন্তু পরিতাপের কথা, সুনির্দিষ্ট তদারকির অভাবে প্রত্যাশিত ফল মিলছে না। অনেক ভিক্ষুক আবার আগের পেশায় ফিরে আসছে।

আরোও পড়ুন
সর্বাধিক পঠিত
পুলিশের গাড়ি ভাঙায় ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার
পুলিশের গাড়ি ভাঙায় ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার
মনোনয়ন ফরম কিনেছেন যে তারকারা
মনোনয়ন ফরম কিনেছেন যে তারকারা
প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে নির্মিত ছবি ‘হাসিনা- এ ডটারস টেল’ মুক্তি পাচ্ছে
প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে নির্মিত ছবি ‘হাসিনা- এ ডটারস টেল’ মুক্তি পাচ্ছে
বিএনপির কার্যালয়ে ছিনতাইয়ের কবলে ফটোসাংবাদিক
বিএনপির কার্যালয়ে ছিনতাইয়ের কবলে ফটোসাংবাদিক
কুমিল্লায় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী প্রায় চুড়ান্ত !
কুমিল্লায় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী প্রায় চুড়ান্ত !
বিয়ের পিঁড়িতে আবু হায়দার রনি
বিয়ের পিঁড়িতে আবু হায়দার রনি
ফরজ গোসলের সঠিক নিয়ম
ফরজ গোসলের সঠিক নিয়ম
প্রধানমন্ত্রীর আসনে প্রার্থী দেবে না ড. কামাল
প্রধানমন্ত্রীর আসনে প্রার্থী দেবে না ড. কামাল
উত্তাপ বাড়ছে নোয়াখালী-৫ আসনে
উত্তাপ বাড়ছে নোয়াখালী-৫ আসনে
নির্বাচন একমাস পেছানোর আশ্বাস দিয়েছে ইসি: ড. কামাল
নির্বাচন একমাস পেছানোর আশ্বাস দিয়েছে ইসি: ড. কামাল
স্বামীকে খুশির খবর দিলেন আনুশকা, জানেন কী?
স্বামীকে খুশির খবর দিলেন আনুশকা, জানেন কী?
প্রভার বিয়ের আয়োজন!
প্রভার বিয়ের আয়োজন!
মদেই ‘বেসামাল’ প্রিয়াঙ্কা!
মদেই ‘বেসামাল’ প্রিয়াঙ্কা!
ফারহানার স্বপ্নের মৃত্যু
ফারহানার স্বপ্নের মৃত্যু
কাজলকে ‘জোর করে’ চুমু, ছিল অশ্লীল আচরণ!
কাজলকে ‘জোর করে’ চুমু, ছিল অশ্লীল আচরণ!
পর্ন সাইটে হিনার ‘রগরগে’ ছবি!
পর্ন সাইটে হিনার ‘রগরগে’ ছবি!
‘বিছানায় তো হরহামেশাই যেতে হয়’
‘বিছানায় তো হরহামেশাই যেতে হয়’
অরুণ হাতের নখ কাটেনি ২৫ বছর!
অরুণ হাতের নখ কাটেনি ২৫ বছর!
অভিনেত্রীকেই শেখালেন অভিনেত্রী, কী জানেন?
অভিনেত্রীকেই শেখালেন অভিনেত্রী, কী জানেন?
যে তারকারা কিনেছেন বিএনপির মনোনয়ন ফরম
যে তারকারা কিনেছেন বিএনপির মনোনয়ন ফরম
শিরোনাম:
জনগণই ষড়যন্ত্র প্রতিহত করবে: প্রধানমন্ত্রী জনগণই ষড়যন্ত্র প্রতিহত করবে: প্রধানমন্ত্রী নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন: ইইউ নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন: ইইউ বিশ্ব ইজতেমা স্থগিত বিশ্ব ইজতেমা স্থগিত