ভালোবাসা না কি উথলে ওঠা রস?
SELECT bn_content.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content.ContentID WHERE bn_content.Deletable=1 AND bn_content.ShowContent=1 AND bn_content.ContentID=163229 LIMIT 1

ঢাকা, মঙ্গলবার   ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০,   আশ্বিন ৭ ১৪২৭,   ০৪ সফর ১৪৪২

ভালোবাসা না কি উথলে ওঠা রস?

 প্রকাশিত: ১১:০৫ ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

অমিত গোস্বামী
পরিচিতি ও কাব্যচর্চা দুই বাংলায়। মূলতঃ কবি হলেও উপন্যাস, প্রবন্ধ ও বিশ্লেষণধর্মী লেখায়ও পাঠকমহলে জনপ্রিয়। জন্ম, বাস, বেড়ে ওঠা সবই কলকাতায়। কর্পোরেটের চাকরি ছেড়ে সাহিত্যজগতে আত্মপ্রকাশ বেশ দেরিতেই। কিন্তু অগ্রগমন দ্রুত। এরইমধ্যে ১০ টি গদ্য ও উপন্যাস এবং ৪ টি কবিতা সংকলন প্রকাশিত তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য আলতাফ, হুমায়ূন ও বঙ্গবন্ধুর কলকাতার জীবন অবলম্বনে লেখা উপন্যাস ‘মহানির্মাণ’।

আজ ১৪ ফেব্রুয়ারি। বিশ্ব প্রেম দিবস। ভ্যালেন্টাইন্স ডে। সকালে উঠেই তেত্রিশ বছরের দাম্পত্য জীবনের ও তার আগে বছর তিনেক মাঠে-ময়দানে ফিল্ডিং করা স্ত্রীকে উইশ করতেই গরম তেলে জলের ফোঁটা পড়া ঝাঁঝে ফেটে পড়ল।

বুড়োর ঢং কত! আমি মরছি টেনশনে নেয়ের জন্যে? কেন? কেন? মেয়ে নাকি আজ যাবে বন্ধুদের সঙ্গে ভ্যালেন্টাইন ডে বানাতে। আমি বুঝি না? কোনো একটাকে জুটিয়েছে সিওর। বলছে আবার ফিরতে দেরি হবে। কী টেনশন। সত্যি তো আমাদের ছেলে মেয়েরা ভ্যালেন্টাইনস ডে-তে যাবে জেনেই আমাদের মধ্যে একাধারে ছবি বিশ্বাস, কমল মিত্র, সন্ধ্যারানি, নিরুপা রায়েরা জেগে ওঠেন। আমরা বকে ধমকে কেঁদে ককিয়ে বোঝাবার চেষ্টা করি, এই সব ভ্যালেন্টাইন’স ডে-টে কতটা অপ্রয়োজনীয়, এখন তার পড়াশোনা করার সময়, এই সব হুজুগে সময় নষ্ট করার কথা সে যেন কখনোই না ভাবে। বাবা-মা হিসাবে আমাদের মনে নানা রকম ভয় কাজ করে। কি সেই ভয়? মেয়ের নিরাপত্তা? কে জানে? আমার তো মনে হয় সেটা আসে সবার পরে। প্রথমে যা আসে, তা অবশ্যই সন্তানের উপর কর্তৃত্ব হারানোর ভয়। এই ভয়ের কথা আমরা স্বীকার করি না, অথচ এই ভয় চিরকালীন। শর্তনিরপেক্ষ ভালবাসা এমনিতেই হয় না, আর বাবা-মা’র তো সন্তানের থেকে আশা-প্রত্যাশার শেষ থাকে না। সেই প্রত্যাশার সমীকরণে তৃতীয় পক্ষের আবির্ভাব এবং ভ্যালেন্টাইন’স ডে উপলক্ষে সেই আবির্ভাবের দামামা, বাবা-মা’র পক্ষে অসহনীয় হয়ে ওঠে।

-      বাবা, মা তো আজ পুরো শিবসেনা। সকাল থেকেই ঝামেলা পাকাচ্ছে।

-      কেন কী হল?

-      স্রেফ বন্ধুদের সঙ্গে আজ আড্ডা হবে। খালি জিজ্ঞাসা– ছেলেটা কে? কোথায় থাকে? আরে বাবা, এখনও জোটাই নি, কী বলি বল তো?

-      বানিয়ে বলে দে। দেখতে যেন কবীর বেদী, ভয়েস অমিতাভ বচ্চন, চেহারা সিলভেস্টার স্ট্যালোন, পয়সায় মুকেশ আম্বানী।

-      নাহ, মা খাবে না। যাক গে, কাজের কথা বলি। টিভিতে একটা টক শো আছে। এই ভ্যালেন্টাইন ডে নিয়ে বলতে হবে। কিছু বল তো।

হুমম। এতক্ষণে বোঝা গেল কেন রাত হবে। কিন্তু তা বলে গেলেই হয়! তা বলবে না। যদি শো ক্যান্সেল হয়। কাজেই মেয়েকে গল্পটা বলতে শুরু করলাম। প্রাচীন রোমে ১৪ ফেব্রুয়ারি ছিল রোমান দেব-দেবীর রানী জুনোর সম্মানে ছুটির দিন। জুনোকে নারী ও প্রেমের দেবী বলে লোকে বিশ্বাস করত। কারো করোমতে ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা দিবস হওয়ার কারণ ছিল এটিই। আবার কেউ বলেন, রোমের সম্রাট ক্লডিয়াস ২০০ খ্রিস্টাব্দে দেশে বিয়ে প্রথা নিষিদ্ধ করেন। তিনি ঘোষণা দেন, আজ থেকে কোনও যুবক বিয়ে করতে পারবে না। যুবকদের জন্য শুধুই যুদ্ধ। তার মতে, যুবকরা যদি বিয়ে করে তবে যুদ্ধ করবে কারা? সম্রাট ক্লডিয়াসের এ অন্যায় ঘোষণার প্রতিবাদ করেন এক যুবক। যার নাম ভ্যালেন্টাইন। অসীম সাহসী এযুবকের প্রতিবাদে খেপে উঠেছিলেন সম্রাট।রাজদ্রোহের শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয় তাকে।১৪ ফেব্রুয়ারি ভোরবেলা মাথা কেটে ফেলা হয় তার।ভালোবাসার জন্য ভ্যালেন্টাইনের আত্মত্যাগকে স্মরণ করতে তখন থেকেই এ দিনটিকে পালন করা হয় ভ্যালেন্টাইন দিবস হিসেবে। কারও কারও মতে, প্রাচীন রোমে ভ্যালেন্টাইন নামে একজন চিকিৎসক ছিলেন। তিনি রোগীদের প্রতি ছিলেন ভীষণ সদয়। সেই ডাক্তার খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেন। প্রাচীন রোমে খ্রিস্টধর্ম তখন মোটেও জনপ্রিয় ছিল না। এই ধর্মে বিশ্বাসীদের শাস্তি দেওয়া হতো।একদিন রোমের এক কারা প্রধান তার অন্ধ মেয়েকে ভ্যালেন্টাইনের কাছে নিয়ে এসেছিলেন চিকিৎসার জন্য। মেয়েটির চিকিৎসা চলছিল এমন সময় হঠাৎ একদিন রোমান সৈন্যরা এসে ভ্যালেন্টাইনকে বেঁধে নিয়ে যায়। ভ্যালেন্টাইন বুঝতেপেরেছিলেন, খ্রিস্টান হওয়ার অপরাধে তাকে মেরে ফেলা হবে। ২৬৯ খ্রিষ্টাব্দে বা কারও মতে ২৭০ খ্রিস্টাব্দের ১৪ ফেব্রুয়ারি রোম সম্রাট ক্লডিয়াসের আদেশে ভ্যালেন্টাইনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।তার আগে ভ্যালেন্টাইন অন্ধ মেয়েটিকে বিদায় জানিয়ে একটি চিরকুট লিখে রেখে গিয়েছিলেন। তাকে হত্যার পর কারা প্রধান চিরকুটটি দিয়েছিলেন মেয়েটিকে। তাতে লেখা ছিল, ‘ইতি তোমার ভ্যালেন্টাইন’ । মেয়েটি চিরকুটের ভেতরে বসন্তের হলুদ ফুলের আশ্চর্য সুন্দর রং দেখতে পেয়েছিল কারণ, ইতোমধ্যে ভ্যালেন্টাইনের চিকিৎসায় মেয়েটির অন্ধ দু’চোখে দৃষ্টি ফিরে এসেছিল। ভালবাসার এসব কীর্তির জন্য ৪৯৬ খ্রিস্টাব্দে পোপ জেলাসিয়ুস ফেব্রুয়ারির ১৪ তারিখকে ভ্যালেন্টাইন্স ডে হিসেবে ঘোষণা করেন। সেই থেকে এই দিনটিকে মানুষেরা ভ্যালেন্টাইন্স ডে হিসেবে পালন করে আসছে।

৪৯৬ খ্রিষ্টাব্দে ভ্যালেন্টাইন্স ডে’র উদ্ভব হলেও এটি বিশ্বব্যাপী প্রথম দিকে তেমনিভাবে প্রচার ও প্রসার লাভ করেনি। খ্রিস্টীয় চেতনা ভ্যালেন্টাইন দিবসের কারণে বিনষ্ট হওয়ার অভিযোগে ১৭৭৬ সালে ফ্রান্স সরকার ভ্যালেন্টাইন্স উৎসব নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। ইংল্যান্ডে ক্ষমতাসীন পিউরিটানরাও একসময় প্রশাসনিক ভাবে এ দিবস উৎযাপন করা নিষিদ্ধ করেছিল। এছাড়া অস্ট্রিয়া,হাঙ্গেরি ও জার্মানিতে বিভিন্ন সময়ে এ দিবসটি জনগণ ও সরকারিভাবে প্রত্যাখ্যাত হয়েছিল। ১৯ শতাব্দীতে ব্রিটিশ অধিবাসী প্রথম উত্তর আমেরিকায় 'ভ্যালেন্টাইন্স ডে'র ধারণা নিয়ে আসে। ১৮৪৭ খ্রীষ্টাব্দের দিকে 'ভ্যালেন্টাইন্স ডে' ছড়িয়ে যায় পুরো আমেরিকায়। বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে গিফট কার্ড আদান-প্রদানের রীতি এলো। সে সময় কার্ড এবং গোলাপ ছিল ভ্যালেন্টাইনের মূল উপহার। ১৯৮০ খ্রিস্টাব্দের দিকে ডায়মন্ড কোম্পানিগুলো 'ভ্যালেন্টাইন্স ডে' পালন করা শুরু করে। সেই থেকে জুয়েলারি চলে আসে প্রচলিত গিফটের তালিকায়। 'ভালোবাসা' সবচেয়ে আদিম ইমোশন হলেও ভালোবাসা দিবসটিকে আমেরিকায় চরম বাণিজ্যিকীকরণ করা হয়েছে। দেখা গেছে, ভালোবাসা দিবসে সবচেয়ে বেশি কার্ড ও উপহার বিক্রি হয়।

-      কিন্তু এই ভালবাসা হয় কি করে? কোথায় হয়? মাথায় না অন্য কোথাও?

প্রেমে পড়লে দেহ-মনে যেসব প্রতিক্রিয়া হয় তার জন্য প্রথমত দায়ী টেস্টটসটরেন নামের এক হরমোন। বিপরীত লিঙ্গের কারো প্রতি আকৃষ্ট হলে এই হরমোন বাড়তে শুরু করে৷  কী হবে , কী হবে ভাবতে ভাবতে রাতের ঘুম হারাম হয়ে চোখের নিচে কালি পড়ে যায়। এর জন্য দায়ী অবশ্য অ্যাড্রেনেলিন নামের একটি হরমোন। দেহে এটি বেড়ে গেলে এসব লক্ষণ দেখা যায়। আর প্রেমে পড়লে এটা তো বাড়বেই! অনেক সময় প্রেমিক-প্রেমিকাদের নিজেদের আবেগ সংবরণ রাখাটাই কষ্টকর হয়ে পড়ে। নিজের প্রিয়জনের একটু দুখঃ বা কষ্টের সংবাদ চোখে অশ্রুর ঢল নামে। এর জন্য দায়ী সেরোটোনিন নামে এক ধরণের হরমোন। এই হরমোন আমাদের মনের আনন্দ আর আবেগকে স্থির রাখে। প্রেমে পড়লে দেহে সেরোটোনিন কমে যায় বলেই আবেগ ধরে রাখা মুশকিল হয়ে পড়ে। প্রেমে পড়ার কয়েক মাস অতিবাহিত হওয়ার পর সম্পর্কে একটা স্থিতি আসতে শুরু করে।  তখন শুরু হয় আরেক হরমোন অকসিটোসিনের কাজ৷ এই হরমোনের কারণে দু-জনের সম্পর্কটা আরো ঘনিষ্ঠ হয়৷ প্রেমিক-প্রেমিকা যখন ঘনিষ্ঠ হয় তখন দুজনের দেহে অকসিটোসিন তৈরি হয়। প্রেমের সর্বোচ্চ পর্যায়ে কাজ করে ডোপামিন নামের আরেক প্রকার হরমোন। এর আরেক নাম ‘সুখের হরমোন’৷

-      আর আমাদের দেশে রাধাকৃষ্ণের প্রেম? তাদের প্রেম তো এই ভ্যালেন্টাইনস ডে’র প্রতীক।

একেবারেই নয়। বিষয় বিবেচনা করলে, এটা সুস্পষ্টভাবে প্রমানিত হয় যে, কৃষ্ণের সাথে যৌবনবতী রাধা, কবিদের উপলব্ধির ভুল আর শুধুই কষ্ট কল্পনা। বাস্তবে বৃন্দাবনে কৃষ্ণের বাল্যকালে কোনো রাধা থেকে থাকলেও, তার সাথে যুবক কৃষ্ণের কোনো সম্পর্ক নেই এবং এজন্যই রাধা কৃষ্ণের প্রেম, কোনো প্রকারেই ঐতিহাসিক নয়, সম্পূর্ণ কাল্পনিক। মহাভারত, যা প্রায় ৫ হাজার বছর আগে লেখা, যা কৃষ্ণের প্রামান্য জীবনী, তাতে রাধার কোনো উল্লেখ নেই; সুতরাং গীতাতেও রাধার কথা থাকা সম্ভব নয়। এমন কি বিষ্ণু পুরান, যে বিষ্ণুই কৃষ্ণরূপে পৃথিবীতে অবতীর্ণ হন, সেই পুরানেও রাধার কোনো উল্লেখ নেই। রাধাকে পাওয়া যায় শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে, যেটা লেখা হয় ১৩৫০ থেকে ১৪০০ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে। বড়ু চন্ডীদাস নামে এক কবির লেখা এই কাব্যে অশ্লীলতার ছড়াছড়ি। কৃষ্ণ, এই কাব্যে সম্পূর্ণ এক লম্পট চরিত্র। রাধা-কৃষ্ণের প্রেম, যৌনতা নিয়ে আগে লেখা পুরানগুলো থেকে রসদ নিয়ে বড়ু চণ্ডীদাস যে এই কাব্য লিখেছে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

-      ওহ বাবা, দ্যাটস অল ফর দ্য ডে।

কন্যা বেরিয়ে যেতেই তার মা এসে আমায় বেশ উচ্চস্বরে বললেন – এই জন্যে মেয়ের এত বাড়াবাড়ি। মেয়েকে শিখিয়ে দিলে প্রেম দিবসের মাহাত্ম্য।

আমি হেসে বললাম – না না, পুরোটা শেখাই নি। একটা জিনিষ বাকী আছে। সেটা তোমার জন্যে রেখেছি।

-      সেটা কি?  

-      চুমু।

প্রেমদিবসের আগের দিন হল – কিস ডে। ভালবাসার সেরা অভিব্যক্তি চুমু। যে চুমু ভালবাসা,   স্নেহ, উষ্ণতার প্রতীক। চুমুর ভাষা যখন বদলে যায় তখন বদলে যায় তা প্রকাশের ধরনও। চুমুও আছে দশ রকমের - ১. এসকিমো কিস: কিস করার সময় যদি পরস্পরের যখন নাক ঘষাঘষি হয়। এই কিস খুবই স্নেহপ্রবণ। ২, ফ্রেঞ্চ কিস: প্যাশন ও রোমান্স বোঝানোর জন্য সবচেয়ে ভাল ফ্রেঞ্চ কিস। এই কিসে জিভের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ৩, সিঙ্গল লিপ কিস: এই কিসে একটা ঠোঁটের উপর একটা রেখে স্যান্ডউইচ করা হয়। ৪, ইয়ারলোব কিস: কান বা ইয়ারলোবে কিস। এই কিস সবচেয়ে রোম্যান্টিক ও অন্তরঙ্গ। ৫, বাটারফ্লাই কিস: চুমুর সময় খুব কাছাকাছি চলে এলে পরস্পরের চোখের পাতা একে অপরকে ছুঁয়ে থাকে। একে বলা হয় বাটারফ্লাই কিস। এমন চুমু খেয়ে সঙ্গীকে মোহাচ্ছন্ন করে দিতে পারেন। ৬, স্পাইডার ম্যান কিস: স্পাইডার ম্যান ছবি দেখেছেন? ঠিক ধরেছেন। দুই সঙ্গীর মধ্যে একজন আপসাইড ডাউন থাকলে তাকে বলা স্পাইডার ম্যান কিস। ৭, লঁজারি কিস: অনেক ক্ষণ ধরে গভীর ভাবে লিপ টু লিপ কিসকে বলা হয় লঁজারি কিস। ৮, লিজার্ড কিস: হট কিস বলতে যা বোঝায় তা হল লিজার্ড কিস। পরস্পরের জিভের স্ট্রোকে এই কিস হয়ে ওঠে উপভোগ্য। ৯, ভ্যাম্পায়ার কিস: গলায় গভীর চুমু। সঙ্গে কামড়। অত্যন্ত অন্তরঙ্গ মুহূর্তের জন্য তোলা থাক ভ্যাম্পায়ার ১০, কিস।এঞ্জেল কিস: এই চুমুর অভিব্যক্তিতে গভীর ভালবাসা ও স্নেহ জড়িয়ে রয়েছে। চোখের পাতায় আলতো চুমু। তা তোমায় কোনটা খাবো?

গিন্নি বললেন – মরণ, বুড়ো ভামের এতদিনে উথলে উঠল রস।

আচ্ছা বলুন তো, ভালবাসার বয়েস হয়? 

ডেইলি বাংলাদেশ/আরআর