Alexa ভালোবাসা দিবসে রিকশায় ঘুরুন ঢাকা

ঢাকা, মঙ্গলবার   ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০,   ফাল্গুন ১৩ ১৪২৬,   ০২ রজব ১৪৪১

Akash

ভালোবাসা দিবসে রিকশায় ঘুরুন ঢাকা

ভ্রমণ প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৪:৫৬ ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

ভালোবাসা সপ্তাহের শেষ দিনটা যুগলদের কাছে একটু বেশি স্পেশাল। দিনটির নামই যে ‘ভালোবাসা দিবস’। এ দিনে সাজেক, সেন্টমার্টিন, কক্সবাজারসহ নানান জায়গায় ঘুরে বেড়ান যুগলরা। আবার অনেকের পছন্দ রিকশায় চড়ে ঢাকা দেখা। কিন্তু ঢাকায় কী দেখবেন? পরিকল্পনা দশে-দশ হলে স্মরণীয় একটি দিন হতে পারে আপনাদের জন্য।

ভ্রমণ শুরু করতে পারেন শাহবাগ থেকে। মোড়ের ফুল দোকান থেকে সুন্দর একটি ফুলের তোড়া কিনে দিতে পারেন প্রিয়জনকে। তারপর রিকশা ভাড়া করে ঘুরে আসুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) থেকে। পরের গন্তব্য হতে পারে লালবাগ কেল্লা। সকাল ১০টায় পর্যটনকেন্দ্রটির দ্বার খোলে।

লালবাগ কেল্লা

টিএসসি থেকে লালবাগ কেল্লা যাওয়া যাবে ২০ মিনিটে। এটি পুরান ঢাকার লালবাগ এলাকায় অবস্থিত। সম্রাট আওরঙ্গজেব লালবাগ কেল্লা নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করলেও তার পুত্র যুবরাজ শাহজাদা আজম ১৬৭৮ খ্রিষ্টাব্দে লালবাগ দূর্গের নির্মাণ কাজ শুরু করেন। শুরুতে লালবাগ কেল্লার নাম দেয়া হয়েছিল আওরঙ্গবাদ দূর্গ। ১৮৪৪ সালে আওরঙ্গবাদ এলাকাটির নাম পরিবর্তন করে লালবাগ কেল্লা রাখা হয়।

লালবাগ কেল্লায় দেড় ঘণ্টা ঘুরে ফের রিকশা নিয়ে যেতে পারেন নাজিরা বাজার। দুপুরের খাবারে কাচ্চি বা বিরিয়ানি রাখতে পারেন। কোলকাতা কাচ্চি ঘর, হাজী বিরিয়ানিসহ বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় বিরিয়ানির দোকান রয়েছে সেখানে। সেটা না চাইলে যে কোনো রেস্টুরেন্টে পছন্দ মতো খাবার খেতে পারেন। ক্লান্ত দুপুরে প্রিয়জনের হাত ধরে এরপর চলে যান আহসান মঞ্জিল। শুক্রবার বিকেল ৩টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত খোলা থাকে। ঐতিহাসিক এ ভবনে ঢুকতে হলে জনপ্রতি ২০ টাকা করে টিকিট কেটে নিতে হয়।

 আহসান মঞ্জিল

ঢাকার পুরনো স্থাপনাগুলোর মধ্যে অন্যতম আহসান মঞ্জিল। এটির সঙ্গে জড়িয়ে আছে ঢাকার শত বছরের ইতিহাস। পুরান ঢাকার ইসলামপুরে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত আহসান মঞ্জিল একসময় ছিল ঢাকার নবাবদের প্রাসাদ। বর্তমানে এটি জাদুঘর হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এর প্রতিষ্ঠাতা নওয়াব আবদুল গণি। তিনি তার ছেলে খাজা আহসানুল্লাহর নামানুসারে এর নামকরণ করেন।

আহসান মঞ্জিল ঘোরা শেষে বুড়িগঙ্গায় নৌ ভ্রমণ করতে পারেন। রিজার্ভ নৌকা নিয়ে ঘণ্টাপ্রতি ভাড়ায় ঘুরতে পারেন। জিঞ্জিরা ফেরিঘাটে গিয়ে মালাই চা খেতে পারেন। বুড়িগঙ্গায় নৌকায় করে ঘোরার সময় দেখতে পারবেন পো পো শব্দে লঞ্চ ঘাটে ভিড়ছে, কোনোটা ছেড়ে যাচ্ছে। তবে আপনারা নিজেদের মতো করে সময়টা পার করতে পারেন। এরপর সদরঘাট থেকে রিকশা নিয়ে যেতে পারেন অমর একুশে গ্রন্থমেলায়। বই দেয়া-নেয়ার মাধ্যমে কাটুক ভালোবাসা দিবসের সন্ধ্যা।

ডেইলি বাংলাদেশ/এনকে