.ঢাকা, বুধবার   ২০ মার্চ ২০১৯,   চৈত্র ৬ ১৪২৫,   ১৩ রজব ১৪৪০

ভারত-পাকিস্তান সংঘাত ও একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ

ফকির ইলিয়াস ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৭:০৯ ৩ মার্চ ২০১৯  

ফকির-ইলিয়াস--কবি-প্রাবন্ধিক-স্থায়ীভাবে-বসবাস-করছেন-নিউইয়র্কে-প্রকাশিত-গ্রন্থসংখ্যা---১৮-কমিটি-টু-প্রটেক্ট-জার্নালিস্টসএকাডেমি-অব-আমেরিকান-পোয়েটস-দ্যা-এমনেস্টি-ইন্টারন্যাশনাল-আমেরিকান-ইমেজ-প্রেস--এর-সদস্য

না, ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ হচ্ছে না। হবার দরকারও নেই। বিশ্ব যখন কূটনৈতিক শোষকের তাবেদার, তখন রক্তপাতের কোনো মানে হয় না। ভারত ও পাকিস্তান চিরশত্রু। একে অপরকে জানে,চেনে। তাই এ নিয়ে বেশি কথা বলার দরকার নেই। আমার কথাটি অন্যখানে। এবারের যুদ্ধং-দেহি ভারত ও পাকিস্তান কে দেখে বাংলাদেশের এক শ্রেণির মানুষের বেশ পুলক,শিহরণ লক্ষ্য করেছি। সেই বিষয়েই লেখাটিতে কিছু কথা বলতে চাই।

আমি খুব পরখ করে দেখলাম- বাংলাদেশের একটি শ্রেণি গায়ে পড়ে, ঘোষণা দিয়ে পাকিস্তানকে সমর্থন করেছে। বলেছে, আমরা পাকিস্তানের পক্ষেই থাকবো যদি যুদ্ধ লেগে যায়! অঠচ এই বেকুবেরা জানে না- এই যুদ্ধ হুমকি-ধমকির মাঝেই চির-সীমাবদ্ধ প্রায়। পারমাণবিক শক্তি সপন্ন দেশ দুটি যুদ্ধে গেলেই বিশ্বে অন্য রকম দামামা বেজে উঠবে। যা পাঁচ বৃহৎ শক্তির কেউই চায় না। আর চায়না বলেই, এরা মুনাফার রাজনীতির শিকল পরিয়েছে ভারতের পায়ে। পাকিস্তানকে একটি অনাধুনিক,আদিম রাষ্ট্র বলেই বিবেচনা করে পশ্চিমারা। এর উপরে তাদের গায়ে মৌলবাদী তকমা'টি তো রয়েছেই। আচ্ছা, যারা কথায় কথায় পাকিস্তানকে সমর্থন করে- এই বাংলাদেশীদের আসল পরিচয়টি কি? তা আমাদের একটু খুঁজে দেখা দরকার।
মনে রাখতে হবে, ১৯৭১ সালে প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষ মহান মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে ছিলেন। ১০ শতাংশ 'বেমালুম' ছিলেন। না- তাদের আমি 'নিরপেক্ষ' বলার চেয়ে 'বেমালুম' বলাই উত্তম মনে করি। কারণ তারা জানতেন না কী হচ্ছে, কী হতে পারে। আর ১০ শতাংশ সরাসরি মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করে রাজাকারি,আলবদরি করেছে।

১৯৭১ থেকে এখন ২০১৯ সাল। ৪৮ বছর সময় পেরিয়েছে বাংলাদেশ। ওই ১০ শতাংশ বিরোধি, আর ১০ শতাংশ বেমালুম- তাদের প্রজন্ম সংখ্যা বেড়েছে। এরাই এখনও পাকি তমদ্দুন লালন করে।

পাকিস্তানিরা বাংলাদেশে ১৯৭১ সালে কি করেছিল- এসব দলিল বিশ্বআর্কাইভে সংরক্ষিত আছে। এই বিরোধিরা তা, পড়ে না। পড়তে চায়ও না। কেন চায় না? কারণ তাদের মননে এখনও লেপ্টে আছে মওদুদিবাদ।এই মওদুদিবাদই তাদেরকে পাকিপ্রেমি করে তোলে।একই সাথে করে তোলে ভারত বিরোধী।  আমি এই তরুণ-তরুণীদের বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে পাক হানাদারদের নৃশংস গণহত্যার কথা পড়তে বার বার অনুরোধ করি। কিন্তু এদের মানসিকতা এমনভাবে ধোলাই করা হয়েছে, তারা পাকিস্তানকেই তাদের 'পিতৃরাজ্য' বলতে পারলেই যেন ধন্য হয়। পাকিস্তান নিজের দেশেই অন্য গোত্রকে নির্বিচারে হত্যা করেই যাচ্ছে।

এই গেল ফেব্রুয়ারি মাসেই বেলুচিস্তানে পাকিস্তানি সেনার হাড় হিম করা হত্যার ছবি ভাইরাল হল সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে। 'ফ্রি বেলুচিস্তান'- আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত এক নেতা তার সোশ্যাল সাইটে প্রকাশ করেছেন এই জঘন্য নক্কারজনক ঘটনার ভিডিও।
যাতে দেখা গেছে বেলুচিস্তানে, বেলুচিস্তানেরই এক নাগরিককে কোনও এক অজ্ঞাত কারণে ঘর থেকে টেনে বাইরে বার করে আনে পাক সেনা। তারপর কোনও কথা না বলেই এই ব্যক্তিকে একেবারে কাছ থেকে গুলি করে হত্যা করে পাকিস্তানি সেনা। অন্য সেনারা একইসঙ্গে ওই ব্যক্তির ঘর লক্ষ্য করে চালাতে থাকে গুলি।

এই ঘটনা নতুন নয় বেলুচিস্তানে। এর আগেও এই ধরনের ঘটনা বেলুচিস্তানের মুক্তি আন্দলনের আন্দোলনকারীদের দমাতে ঘটিয়েছে পাক সেনা। এই ঘটনার তীব্র নিন্দায় সরব হয়েছে বেলুচ রিপাবলিকান পার্টি, বেলুচ ন্যাশেনাল মুভমেন্ট, ফ্রি বেলুচিস্তান মুভমেন্ট নামের সংগঠন গুলি। প্রসঙ্গত বেলুচিস্তানের মুক্তি আন্দোলনের জেরে প্রতিদিনই সে দেশের পশ্চিম দিক থেকে উদ্ধার হয় কোনও না কোনও আন্দোলনকারী অথবা বেলুচ নাগরিকের মৃতদেহ।

পাকিস্তান এমন একটি দেশ, যেখানে 'অনার কিলিং' এর রেওয়াজ আছে। কি এই 'অনার কিলিং'? তা হলো- পরিবারের সম্মান রক্ষার নামে মহিলাদের হত্যা করে থাকে প্রায় ক্ষেত্রেই মেয়েটির নিজের পরিবারের সদস্যরা৷ কী জঘন্য কাণ্ড! এই সময়ে তা ভাবা যায়?

আমাদের মনে আছে, মডেল ও অভিনেত্রী কান্দিল বেলোচ তাঁর ভাইয়ের হাতেই নিহত হন৷ পরিবারের সম্মান বাঁচানোর উদ্যেশ্যেই হত্যা করা হয়েছিল তাঁকে৷ পাকিস্তানের প্রথম সারির ইংরেজি দৈনিক ‘ডন' কান্দিলের হত্যাকে পাকিস্তানে মহিলারা যে যৌনবাদ ও নারীবিদ্বেষের সম্মুখীন, তার পরিচায়ক বলে বর্ণনা করেছিল৷ অপরদিকে লাহোরের জামায়াতে-ইসলামি দল কান্দিলকেই তাঁর মৃত্যুর জন্য দায়ী করেছিল৷ তবে পাকিস্তানের মানবাধিকারকর্মীরা বলেছিলেন, কান্দিলের মৃত্যুর ফলে পাকিস্তানে মহিলাদের সমানাধিকার পাবার সংগ্রাম আরো জোরদার হবে৷
আমরা সবাই কাশ্মীর নিয়ে কথা বলি। কিন্তু কাশ্মীরের পাশাপাশি পাকিস্তানের আরেকটি অশান্ত এলাকা বেলুচিস্তান। দীর্ঘদিন থেকেই দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের এ প্রদেশটি অধিবাসীরা স্বাধীনতার আন্দোলন করছেন। পাকিস্তান সরকারের দৃষ্টিতে যা বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন। ‘৭১ এ বাংলাদেশের স্বাধীনতায় উজ্জিবীত হয়ে আন্দোলন নতুন মাত্রা পেলেও, স্বাধীনতা পাননি স্থানীয় বেলুচরা। এখন ভূরাজনীতি ও নিরাপত্তার প্রশ্নে এ ইস্যুর সাথে জড়িয়েছে আন্তর্জাতিক শক্তিরা।

১৬৬৬ সালে আফগানদের হাতে গোড়াপত্তন হয় কালাট প্রদেশের। এ কালাট প্রদেশই আজকের বেলুচিস্তান। পাকিস্তানের ৪৮ শতাংশ জুড়েই এ প্রদেশ। স্থানীয়রা বেলুচ নামেই পরিচিত। কিছু আছেন পশতুন। তীব্র অহং বোধ, স্বাধীনচেতা মনোভাব আর সাহসের কারণে বিখ্যাত এরা। এ কারণে কখনোই কেউ পুরোপুরি শাসন করতে পারেননি বেলুচদের। ব্রিটিশ শাসনের ১০০ বছর পেরিয়ে যাওয়ার পরে ১৮৭৬ সালে ‘কালাট চুক্তির’ মাধ্যমে ব্রিটিশ বাহিনীর কাছে তারা প্রথম নতি স্বীকার করে।

কিন্তু বিশ শতকের শুরুতেই শুরু হয় আত্মনিয়ন্ত্রণের দাবিতে আন্দোলন। ১৯৩১ সালে তৈরি হয় স্বাধীনতাকামী জিহাদি সংগঠন 'আঞ্জুমান ই ইত্তেহাদ ই বেলুচিস্তান'। পরে নাম বদলে হয় কালাট স্টেট ন্যাশনাল পার্টি (কেএসএনপি)। এ সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে পাক সরকার।
পাকিস্তানে এ আন্দোলন এখনো সক্রিয়।প্রতি মাসেই প্রচুর লাশ পাওয়া যায় প্রদেশটির পাহাড়ি   অঞ্চলে। বেশিরভাগ মৃতদেহই পাওয়া যায় আন্দোলনের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত কোয়েটা, কালাট, খুজদার ও মাকরান এলাকায়। বৈশ্বিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর দাবি, পাক সরকার ও সেনাবাহিনী আন্দোলনকারীদের তুলে নিয়ে গিয়ে বিনা বিচারে হত্যা করছে।

রাজনীতির পাশাপাশি ভৌগলিক কারণে বরাবরই গুরুত্ব পেয়েছে বেলুচিস্তান। প্রদেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমে আফগানিস্তান, দক্ষিণ-পশ্চিমে ইরান, উত্তর-পূর্বে পাকিস্তানের পাঞ্জাব এবং দক্ষিণ-পূর্বে খায়বার পাখতুনখোয়া ও কেন্দ্র নিয়ন্ত্রিত এলাকা সিন্ধুর অবস্থান। দক্ষিণে রয়েছে আরব সাগর। বেলুচিস্তানের সাথে নৌ-সীমান্ত রয়েছে মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ার। এসব সীমান্ত দেশটির বাণিজ্যের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
আরো দরকারি কথা হচ্ছে- বেলুচিস্তানের সাথে ভালোভাবেই জড়িয়ে গেছে চীনের নাম। এখানে চীনের অর্থায়নে নির্মিত হয়েছে গোয়াদর বন্দর। এ বন্দর থেকে বিশেষ বাণিজ্য করিডরের মাধ্যমে বাণিজ্যপণ্য সরাসরি চীনে যাবে। পাশাপাশি আশেপাশের দেশগুলোও ব্যবহার করবে। সর্বোপরি পুরো আরব সাগরে চীনের সামরিক উপস্থিতি নিশ্চিত করবে এ বন্দর।

বেলুচিস্তানে ২০৩০ সালের মধ্যে ৪ হাজার ৬০০ কোটি ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে চীন। এ বিপুল পরিমাণ অর্থ সীমান্তবর্তী অঞ্চলে বিদ্যুৎকেন্দ্র, পাইপলাইন সংযুক্তকরণসহ বেশকিছু অবকাঠামোগত উন্নয়নমূলক কাজে ব্যয় করা হবে। সাম্প্রতিক বছরগুলোয় পাকিস্তানে এত বড় বিনিয়োগ করেনি যুক্তরাষ্ট্রও।

বিষয়টি ভালো চোখে দেখছে না যুক্তরাষ্ট্র। নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারের প্রশ্নে বেলুচ ইস্যুতে নাক গলিয়েছে ভারতও। কাশ্মীর ইস্যুতে যখন পাক-ভারত যুদ্ধাবস্থা চলছে, সেই পরিপ্রেক্ষিতে বেলুচিস্তানের স্বাধীনতার পুরনো প্রশ্নকে নতুন করে সামনে এনেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ইস্যুটি তুলেছেন জাতিসংঘে দেয়া ভাষণেও। সরাসরি সহায়তার প্রস্তাব করেছেন স্বাধীনতাকামীদের।

বেলুচ অঞ্চলটি পাকিস্তান, ইরান ও আফগানিস্তান জুড়ে রয়েছে। বেলুচিস্তানকে যারা স্বাধীন করতে চায়, তারা এ পুরো অঞ্চলকে একটি আলাদা রাষ্ট্র করতে চাচ্ছেন। ২০০৬ সালে আমেরিকান ডিফেন্স জার্নাল এবং আটলান্টিক সাময়িকীতে মধ্যপ্রাচ্যের যে পরিবর্তিত মানচিত্র প্রকাশ করা হয়, তাতে পুরো বেলুচ অঞ্চলকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে দেখানো হয়।

স্থানীয় স্বাধীনতাকামীদের সমর্থন দিতে হলে অবশ্যই এ দুই দেশের কোনোটিকে ব্যবহার করতে হবে। ইরান নিজের স্বার্থেই কোনো সময় পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সমর্থন দেয়নি। ইরানের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের আস্থার সম্পর্কও খুব নড়বড়ে। তাই এ সম্ভাবনা কম। তবে ভারতের সাথে ইরানের সাম্প্রতিক সখ্য বিষয়টিকে নিয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে সকল বৃহৎ শক্তিকে। হ্যাঁ- বেলুচ ইস্যুতে পাকিস্তানের সাথে ভালো করেই খেলবে ভারত।  অন্যদিকে ভারতের আসাম,পাঞ্জাব,তামিল বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সমর্থন করবে পাকিস্তান গোপনে, তাও ভারতের অজানা নয়।

আমি যে কথাটি বলতে চাইছি, বাংলাদেশের খুব কাছের প্রতিবেশী কে ? ভারত না পাকিস্তান? ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারতীয় বাহিনীর দশ হাজারেরও বেশি সদস্য প্রাণ দিয়েছিলেন।

আমরা ভুলে যাচ্ছি কেন, সে সময়কার বাংলাদেশের সাড়ে সাত কোটি মানুষের মধ্যে এক কোটিরও বেশি লোক তখন ভারতে শরণার্থী হয়েছিলেন। যাদের অবাধে প্রবেশের জন্য সীমান্ত উন্মুক্ত করে দিয়েছিল ভারত।শুধু শরণার্থীদের জন্য সীমান্ত খুলে দিয়েই বসে না থেকে তাদের জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক শরণার্থী আইনে নয় মাস থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করেছিল।ভারতের অভ্যন্তরে বিভিন্ন নিরাপদ স্থানে হাজার হাজার বাঙালি তরুণ-যুবক মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র দিয়েছিল দেশটি।

শুরু থেকেই বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে ছিল ভারত।সর্বপ্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল ভারত'ই।  বাংলাদেশে আবারও না না ভাবে 'ভারত জুজু'র ভয় ছড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। এটি নতুন নয়। জামায়াত-বিএনপি বিভিন্নভাবে এই চেষ্টা অতীতেও করেছে।

এখনও প্রজন্মকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। আমরা ভুলে যাচ্ছি কেন, ভারত বাবরি মসজিদ বিষয়টির মতো চরম সেনসিটিভ বিষয়কে খুব দক্ষতার সাথেই মোকাবেলা করেছে। এখনও ভারতই বিশ্বের কাছে অন্যতম গণতান্ত্রিক দেশ। ভারতীয়দের দেশপ্রেম বিশ্বনন্দিত। তারপরও পাকিস্তানের সাথে কি ভারতের সমাজ-রাজনীতি-অর্থনীতির তুলনা করার কোনো প্রয়োজন আছে?

হ্যাঁ আছে তাদেরই যারা ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে পরাজিত হয়েছিল। আমি এই প্রজন্মকে বিশ্ব-মানবতার তুলনামূলক ইতিহাস পড়তে আবারও অনুরোধ জানাই। মনে রাখতে হবে, মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িকতা মানুষকে চোখ থাকতেও অন্ধ করে তোলে। আর এমন অন্ধত্বময় জীবন আসলেই খুব মূল্যহীন।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরআর