Alexa ভারতে ম্যাচ ফিক্সিং, দেখা করলেই আইফোন!

ঢাকা, শনিবার   ২৩ নভেম্বর ২০১৯,   অগ্রহায়ণ ৮ ১৪২৬,   ২৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

Akash

ভারতে ম্যাচ ফিক্সিং, দেখা করলেই আইফোন!

স্পোর্টস ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৭:৪১ ৯ নভেম্বর ২০১৯   আপডেট: ১৭:৪৪ ৯ নভেম্বর ২০১৯

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

ভারতের কর্ণাটক প্রিমিয়ার লিগ (কেপিএল) থেকে ফিক্সিং কেলেংকারীতে একের পর এক চমক বের হচ্ছেই। কয়েকদিন আগে আইপিএল খেলা দুই খেলোয়াড়কে কেপিএলে স্পট ফিক্সিংয়ের দায়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরপর বের হয়ে আসছে থলের অনেক বিড়াল। সবশেষ তথ্য অনুযায়ী জানা গেছে, ভারতে ম্যাচ ফিক্সিং এর অফার করার পর দেখা করলেই আইফোন উপহার দেয়া হতো খেলোয়াড়দের।

কর্ণাটক প্রিমিয়ার লিগ (কেপিএল) জাঁকজমকের দিক থেকে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ধারে কাছেও নেই। তবে ভারতের আনাচে-কানাচের তরুণ ক্রিকেটারদের ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের চাপের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে কেপিএল ও এমন আঞ্চলিক অন্যান্য লিগগুলোর অবদান অনেক বেশি। এবার কেপিএল থেকে বড় এক ধাক্কাই খেলো ভারতের ক্রিকেট।

এর আগে ২০১১ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত কর্ণাটক ক্রিকেটের দায়িত্বে ছিলেন অনিল কুম্বলে। সেসময় কেপিএল বন্ধ করে দিয়েছিলেন তিনি। কারণ হিসেবে কুম্বলে বলেছিলেন ক্রিকেট সংশ্লিষ্ট নয় এমন লোকজন কেপিএলে ঢুকতে পারে। বোর্ড থেকে তিনি চলে যাওয়ার পরই আবার ফিরে আসে কেপিএল। সাবেক ভারতীয় কোচের কথাই যেন সত্য হিসেবে প্রমাণ হলো।  লিগ সংশ্লিষ্ট বেশ কয়েকজনকে এরই মাঝে গ্রেপ্তার করেছে বেঙ্গালুরু পুলিশ।

কেপিএলে শুরু থেকেই খেলা এক ক্রিকেটার জানিয়েছেন, যখন আমাদের মতো কিছু খেলোয়াড় কোনোভাবেই ম্যাচ পাতানো বা স্পট ফিক্সিংয়ে জড়িত হয় না, তখন তারা খুব সতর্ক হয়ে যেত। যখন আমরা থাকতাম না তখন ওদের খুব সুবিধা হতো।

হিন্দুস্তান টাইমসকে বেশ কিছু ক্রিকেটার নাম প্রকাশ না করার শর্তে সে সময়কার কথা জানিয়েছেন। তাদের একজন জানিয়েছে, একবার এক খেলোয়াড় এসে বলেছিল তাকে নাকি শুধু একজনের সঙ্গে দেখা করলেই আইফোন দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এক কোচই ছিল, যে একটা ব্যাগভর্তি আইফোন নিয়ে ঘুরত। সে সেগুলো খেলোয়াড়দের দিত।

এছাড়া এ ব্যাপারে আরেক খেলোয়াড় বলেন, আমাদের সমস্যা হলো আমাদের গোড়াতেই পচন ছিল। ফলে খেলোয়াড়রা এসব ব্যাপার জানাতে চাইত না কর্তৃপক্ষকে। ওরা যা করতে বলছে সেটা না করতে চাইলেও লাভ নেই। কারণ যখন দলের কোচ আর মালিকই এর সঙ্গে জড়িত তখন কার কাছে এ ব্যাপারে জানাবেন। আমার অধিনায়ক সৎ ছিল। সে বুঝে গিয়েছিল দলের ভেতর কী বাজে ব্যাপার ঘটছে। ফলে দল ঘোষণার কাজটা সে করত একদম শেষে। মাঠে সব খেলোয়াড় যখন গোল হয়ে দাঁড়াতাম আর সব যোগাযোগের মাধ্যম সরিয়ে নেওয়া হতো, শুধু তখনই তিনি একাদশ জানাতেন যেন জুয়ারিরা স্পট ফিক্সিং করে সুবিধা নিতে না পারে।

ফিক্সিং কেলেংকারিতে সামনে আরো কি বের হয় কে জানে! 

ডেইলি বাংলাদেশ/এএল