Alexa ভাঙ্গুড়ায় ‘বাউৎ’ উৎসব

ঢাকা, রোববার   ২১ জুলাই ২০১৯,   শ্রাবণ ৭ ১৪২৬,   ১৮ জ্বিলকদ ১৪৪০

ভাঙ্গুড়ায় ‘বাউৎ’ উৎসব

ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি

 প্রকাশিত: ২০:৩০ ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮   আপডেট: ২০:৩৩ ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার বড়াল নদীতে মাছ শিকারের উৎসবে নেমেছিল চাটমোহরের দুই শত মানুষ। তবে তারা কেউই পেশাদার মাছ শিকারী নয়। সবাই শখের বশে মাছ শিকারে নেমেছেন। স্থানীয় ভাষায় এদেরকে ‘বাউৎ’ বলা হয়। 

বুধবার দুপুরে ভাঙ্গুড়া পৌর সদরের ভেতর দিয়ে বয়ে যাওয়া বড়াল নদীতে মাছ শিকারের এমনই উৎসব দেখা যায়। এদিন সৌখিন মৎস শিকারীরা পলো, খেয়া জাল, বিছানো জাল, মশারি জাল সহ বিভিন্ন মাছ ধরার ফাঁদ নিয়ে নদীতে কয়েক ভাগে ভাগ হয়ে পৌর সদরের বড়াল সেতু এলাকা থেকে মাছ শিকার শুরু করেন। পরে তারা নদীর ভেতর দিয়ে বেশ কয়েক কিলোমিটার  পযর্ন্ত অতিক্রম করে মাছ শিকার করেন। মাছ শিকার শেষে তাঁরা সকলে একযোগে নদী থেকে উঠে পড়েন। এসময় অনেকের কাছে বিভিন্ন আকারের বোয়াল, আইড় ও শৈল মাছসহ নানা প্রজাতির মাছ দেখা যায়। তবে এদের মধ্যে কেউ কেউ আবার ফিরেছেন খালি হাতে। এদিকে মাছ শিকারীদের উৎসব দেখতে এদিন নদীর তীরবর্তী এলাকায় উৎসুক মানুষের ভিড় জমে যায়।

এসময় সৌখিন মৎস শিকারীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, প্রতিবছর ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে জেলার বিভিন্ন এলাকার নদ-নদী ও খাল-বিলের পানি কমে যায়। এসময় তাঁরা কয়েক গ্রামের উৎসুক মানুষ এক অপরের সাথে যোগাযোগ করে একযোগে বিভিন্ এলাকায় মাছ শিকারে যান। এরই ধারাবাহিকতায় এদিন তাঁরা বড়াল নদীতে মাছ শিকারে নেমেছেন।

মাছ ধরতে আসা চাটমোহর উপজেলার পাঁচুরিয়া গ্রামের হাফিজুর রহমান বলেন, শখের বশেই তিনি প্রতিবছর সকলের সাথে মাছ ধরার উৎসবে যোগ দেন। 

এ প্রসঙ্গে ভাঙ্গুড়া উপজেলা মৎস কর্মকর্তা আব্দুল মতিন বলেন, প্রতিবছর বর্ষায় সরকারিভাবে এ এলাকায় প্রচুর মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়। তাই শুষ্ক মৌসুমে চলনবিল অধ্যুষিত ভাঙ্গুড়ায় উপজেলার বিভিন্ন নদী-নালা ও খাল বিলে সৌখিন মৎস শিকারীদের আনাগোনা বেড়ে  যায়।  

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম