.ঢাকা, শনিবার   ২০ এপ্রিল ২০১৯,   বৈশাখ ৭ ১৪২৬,   ১৪ শা'বান ১৪৪০

ভাঙ্গুড়ায় চলছে মাটি কাটার মহোৎসব 

ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৩:৪৪ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ১৪:২০ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

ডেইলি বাংলাদেশ

ডেইলি বাংলাদেশ

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় গুমাণী ও বড়াল নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে চরের মাটি এস্কেভেটার দিয়ে কাটছে এলাকার একাধিক প্রভাবশালী চক্র। এতে বর্ষা মৌসুমে তীরের ফসলি জমিসহ ঘর-বাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

উপজেলার অষ্টমণিষা ইউপির ঝবঝবিয়া, শাহানগর ও সেনগ্রান এলাকার নদী পাড় সংলগ্ন মাটি বিক্রি করছে স্থানীয় ইটভাটার মালিকদের নিকট। এতে নদীর মাটি সহজলভ্য হওয়ায় ক্রেতারাও বেশি পরিমাণে মাটি ক্রয় করে সংরক্ষণ করছেন।

এসব ঘটনায় রোববার ইউএনও মো. মাসুদুর রহমান অভিযান চালান। তবে তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, অভিযানের খবর আগেই টের পেয়ে যাওয়ায় মাটিকাটার কাজে নিয়োজিত সবাই পালিয়ে যান। সেখানে গিয়ে মাটি কাটা মেশিন ও ট্রাক ছাড়া কিছুই পাওয়া যায়নি।

গত শনিবার অষ্টমনিষা ইউপির ঝবঝবিয়া, সেনগ্রাম ও শাহানগর এলাাকায় সরেজমিনে গেলে দেখা যায়, বিভিন্ন জায়গায় একাধিক এস্কেভেটার দিয়ে নদীর তীর সংলগ্ন চরের মাটি কাটা চলছে। এসব মাটি পার্শ্ববর্তী অষ্টমনিষার কল্লেল ও একরামের ভাটায় মাটি বিক্রি করা হচ্ছে। এই কাজে নিয়োজিত রয়েছে একেক স্পটে ৫/৭ টি মাটি বহনকারী ট্রাক।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, স্থানীয় প্রভাবশালীর ছত্রছায়ায় শাহানগর এলাকার বড়াল নদীতে মাটি কাটার কাজ চলছে। সেনগ্রাম এলাকার বড়াল-গুমানী-করতোয়া নদীর তীরমনিতে নদীর চর কেটে উজার করা হচ্ছে। আবার ঝবঝবিয়া গ্রামের একটি চক্র কাটছে গুমাণী নদীর মাটি।

সেনগ্রাম এলাকার নদীপাড়ের বাসিন্দা নূর ইসলামসহ বেশ কয়েকজন অভিযোগ করে বলেন, বাহির থেকে প্রশাসনের লোক মাঝে মধ্যে আসে, দেখে এবং চলেও যায় কিন্তু প্রভাবশালীদের নদীর তীরের মাটি কাটা ও বিক্রির কাজ বন্ধ হয় না। 
 
অষ্টমণিষা ইউপি চেয়ারম্যান আয়নুল হক বলেন, ইউপির একাধিক স্থানে এস্কেভেটার দিয়ে নদীর তীরের মাটি কাটা হচ্ছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেন। 

ইউএনও মাছুদুর রহমান বলেন, নদী পাড়ের মাটি কাটার বিষয়টি জানার পর রোববার সেখানে অভিযান চালানো হয়। তবে অভিযানের বিষয়টি টের পাওয়ায় তারা আগেই পলিয়ে যায়। নদীর মাটি কেটে ভাটায় বিক্রির বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যহত থাকবে। 

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএম