.ঢাকা, শনিবার   ২৩ মার্চ ২০১৯,   চৈত্র ৮ ১৪২৫,   ১৬ রজব ১৪৪০

ভাঙ্গা সংসার জোড়া লাগালো মানবাধিকার কমিশন

মুকসুদপুর (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি

 প্রকাশিত: ১৫:২৯ ১৩ জানুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ১৫:২৯ ১৩ জানুয়ারি ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

প্রায় দশ বছর আগে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরের খালিশাকান্দি গ্রামের মো. ছামাদের মেয়ে মাজেদার সঙ্গে ফরিদপুর জেলার সালথা উপজেলার বাউশখালী গ্রামের মুক্তার মাতুব্বরের ছেলে মো. পান্নু মাতুব্বরের বিয়ে হয়। কিন্তু বিয়ের পর থেকেই এই দম্পত্তির মাঝে শুরু হয় সাংসারিক ঝামেলা।

ধীরে ধীরে ফাটল ধরে তাদের সংসারে। এক পর্যায়ে দুজন আলাদা জীবন যাপন করার সিদ্ধান্ত নেন। 

একাধিকবার মিমাংসা করলেও পান্নু কারো কথা না শুনে নিজের আগের মত উশৃংখল জীবনযাপন করতে থাকে। পান্নু ও মাজেদার একটি সাত বছরের মেয়ে আছে, নাম মিম।

প্রায় দুই বছর স্ত্রী ও কন্যার খোঁজ খবর না নেয়ায় মাজেদা আক্তার বাধ্য হয়ে বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন, মুকসুদপুর শাখায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ দায়েরের পর রোববার পান্নু এবং মাজেদা ও তাদের পরিবারকে একত্রিত করে মানবাধিকার কমিশন, মুকসুদপুর উপজেলা শাখা কার্যালয়ে মিমাংসার দিন ধার্য্য করেন। 

বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন ও উভয় পক্ষের মাতুব্বররা ঘটনার বিবরণী শুনে বিষয়টি অবগত হন। এরপর স্বামী পান্নুকে বুঝিয়ে স্ত্রী-সন্তানকে ঘরে তুলে নিতে বলেন। 

অবশেষে পান্নু এ প্রস্তাবে রাজি হয়ে তার স্ত্রী-সন্তানকে ঘরে তুলে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। 

মানবাধিকার কমিশন, মুকসুদপুর শাখার নির্বাহী সভাপতি জহিরউদ্দিন মৃধার সভাপতিত্বে এতে উপস্থিত ছিলেন- সহ সভাপতি আতিয়ার রহমান,  সাধারণ সম্পাদক হুসাইন আহমদ কবির, দফতর সম্পাদক ইমামুল হক ইমাম, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মেহেদি হাসান হাফিজ। 

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন- হাজি মুরাদ মৃধা, কাজী দেলোয়ার হোসেন, কাজী সাইফুর রহমান, হুমায়ন কবির, ইমদাদ ফকির, আঃ হাই মুন্সী, মোঃ লুৎফর রহমান প্রমুখ। 

উপস্থিত ব্যক্তিরা বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন মুকসুদপুর শাখার প্রশংসা করে বলেন, ভেঙ্গে যাওয়া একটি সংসার জোড়া লাগানোর জন্য আপনাদের মত সংগঠনগুলো এগিয়ে আসলে আর কারো সংসার ভাঙ্গবে না।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএস