ভাঙনে পথে বসছে মানুষ

.ঢাকা, বুধবার   ২৪ এপ্রিল ২০১৯,   বৈশাখ ১০ ১৪২৬,   ১৮ শা'বান ১৪৪০

ভাঙনে পথে বসছে মানুষ

 প্রকাশিত: ১৬:০৪ ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮   আপডেট: ১৬:১৪ ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাট থেকে পাংশা উপজেলার সেনগ্রাম পর্যন্ত ৮৫ কিলোমিটার এলাকায় রয়েছে নদীপথ। এই নদী পথের প্রতিদিন নতুন নতুন এলাকা ভাঙনের কবলে পরে সর্বস্ব হারিয়ে পথে বসছে মানুষ। ভাঙনের এ থাবায় সবকিছু হারিয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে এখন চলে যাচ্ছে অজানার উদ্দেশ্যে। 

এলাকাবাসীর অভিযোগ-অপরিকল্পিতভাবে নদী খনন করা হয়েছে। এ খননের কারণেই নদীতে ভাঙন শুরু হয়েছে। রাজবাড়ী জেলা সদর, গোয়ালন্দ ভেঙেছে আগেই। নতুন করে ভাঙন শুরু হয়েছে কালুখালী উপজেলার রতনদিয়া ইউপির লস্করদিয়া-নারায়নপুর, আলোকদিয়া, চররাজপুর, হরিনবাড়িয়া,ভবানীপুর,  সাদারচর এলাকায়। পদ্মার তীব্র স্রোতে চোখের নিমিশে হারিয়ে যাচ্ছে বসত বাড়ি। মানুষ ভিটে মাটি হারিয়ে যতটুকু আসবাবপত্র বাঁচিয়ে পারছে ঘোরার গারি অথবা মহিশের গাড়িতে করে অজানার উদ্দেশ্যে পারি জমাচ্ছে।  

কালুখালী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম জানান, গতবছর পাংশা থেকে দৌলতদিয়া পর্যন্ত নদী খনন করেছে বিআইডব্লিটিএ কর্তৃপক্ষ। তারা রাজবাড়ীর শহর রক্ষা বাঁধ ঘেষে খনন করেছিল আমরা বাধা দিলেও তারা শুনেননি। যে কারণে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়ে শুধু রাজবাড়ীর অংশই ভাঙছে। 

রতনদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেহেদী হাসিনা পারভীন জানান আমরা নদী ভাঙন কবলীত মানুষের পাশে দাড়ানো চেষ্টা করছি। ১৪শ জনের তালিকা দিয়ে মাত্র ৩শ জনের জন্য কিছু শুকনো খাবার ও চাল পেয়েছি।

রাজবাড়ীর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী প্রকাশ কৃষ্ণ সরকার বলেন, শহর রক্ষা বাঁধ এলাকায় চারবার ভাঙনের কবলে পড়েছে। আমরা সেই স্থানে বালুর বস্তা ফেলে রক্ষার চেষ্টা করেছি। আপাতত শহর রক্ষাবাধে তেমন কোন ভয়ের কারণ নেই। অন্য এলাকায় ভাঙনরোধে শুকনো মৌসুমে ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে। 

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম