বড় দু দলের দু ডজন প্রার্থী

ঢাকা, রোববার   ১৯ মে ২০১৯,   জ্যৈষ্ঠ ৫ ১৪২৬,   ১৪ রমজান ১৪৪০

Best Electronics

বড় দু’দলের দু’ডজন প্রার্থী

 প্রকাশিত: ২১:০৫ ৮ জুন ২০১৮   আপডেট: ২১:৪৯ ৮ জুন ২০১৮

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ-বিএনপির অন্তত দু’ডজন নেতা তৎপর রয়েছেন। ভোট যুদ্ধে নামতে সবাই চাইছেন দলীয় প্রতীক।

এসব নেতার ছবি সংবলিত পোস্টার-বিল বোর্ডে ছেয়ে গেছে নির্বাচনী এলাকা। এলাকায় গণসংযোগের পাশাপাশি তারা যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গেও। আওয়ামী লীগ চাইছে আসনটি ধরে রাখতে আর বিএনপি চায় পুনরুদ্ধার।

বর্তমান এমপি মকবুল হোসেনসহ একাধিক নেতা মনোনয়নের ব্যাপারে আওয়ামী লীগের উপর মহল থেকে ইঙ্গিত পাচ্ছেন বলে দাবি করছেন।

জোর প্রচার চালাচ্ছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সাবেক সহ-সম্পাদক আতিকুর রহমান আতিক,  কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সাবেক সহসম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল আলিম, পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. আবদুল হামিদ মাস্টার, জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা আ স ম আবদুর রহিম পাকন, চাটমোহর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি  অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন সাখো, পাবনা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট শাহ আলম, ফরিদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি ও আমেরিকার ভার্জিনিয়া আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সাবেক ভিপি আবুল কালাম আজাদ, ফরিদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান সরকার, ফরিদপুর পৌরসভার মেয়র খ ম কামরুজ্জামান মাজেদ,  ফরিদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলী আশরাফুল কবীর এবং বিএমএ পাবনা জেলা শাখার সভাপতি আওয়ামী লীগ নেতা ডা. গোলজার হোসেন।  

Pabna

আতিকুর রহমান আতিক বলেন, আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক। জননেত্রী  শেখ হাসিনার উন্নয়নের রাজনীতি করি।  তারুণ্যের শক্তিকে কাজ লাগাতে চাই। জনগণ আমার সঙ্গে রয়েছে। তাই মনোনয়ন পেলে আমি বিজয়ের ব্যাপারে নিশ্চিত।

এদিকে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরা প্রতিকূল রাজনৈতিক অবস্থায় হাইকমান্ডের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন। তবে বিএনপির তালিকাতেও আছে প্রায় অর্ধডজন সম্ভাব্য প্রার্থী। তারা হলেন- কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য চাটমোহর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি, সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ কেএম আনোয়ারুল ইসলাম, বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান ফখরুল আযম রনি, শিল্পপতি আলহাজ রাজিউল হাসান বাবু, সেন্ট্রি সিকিউরিটি সার্ভিসেস লিমিটেডের এমডি আলহাজ মো. হাসানুল ইসলাম রাজা, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সহসম্পাদক আরিফা সুলতানা রুমা, জেলা বিএনপির সহসভাপতি অ্যাডভোকেট মাসুদ খন্দকার, চাটমোহর উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান হাসাদুল ইসলাম হীরা, ফরিদপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি জহুরুল ইসলাম (বকুল), সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী রবিউল করিম রবি প্রমুখ।

কে এম আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, সততা এবং নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছি। সাধারণ মানুষের উন্নয়নই আমার প্রধান টার্গেট। অতীতে অনেক উন্নয়ন কাজ করেছি, দলের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচিত হলে উন্নয়নের সেই ধারা অব্যাহত রাখব।

মো. হাসাদুল ইসলাম হীরা বলেন, আন্দোলনের সময় মাঠে ছিলাম নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে। দল করতে গিয়ে একাধিকবার উপজেলা চেয়ারম্যানের পদ থেকে বরখাস্ত হয়েছি, জেল খেটেছি। আমি মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী।

অ্যাডভোকেট মাসুদ খন্দকার বলেন, নানা চাপের মুখেও মাঠে আছি। ৩৫ বছর ধরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছি। দলীয় হাইকমান্ডও আমাকে পরীক্ষিত নেতা হিসেবে মনে করেন। মনোনয়ন পেলে এবং সাধারণ মানুষ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারলে পাবনা-৩ আসনে ধানের শীষ বিজয়ী হবে।

আলহাজ হাসানুল ইসলাম রাজা তিন উপজেলায় পরিচিত মুখ। সমাজসেবক ও দানবীর হিসেবে পরিচিতি আছে তার। চালিয়ে যাচ্ছেন গণসংযোগ। চাটমোহর উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাসাদুল ইসলাম হীরা দলের দুঃসময়ে দলকে সংগঠিত করতে কাজ করেছেন। হামলা-মামলার শিকার হয়েছেন। একাধিকবার বরখাস্ত হয়েছেন উপজেলা চেয়ারম্যান পদ থেকে।

এছাড়া জাতীয় পার্টি (এরশাদ) থেকে অ্যাডভোকেট আবদুস ছাত্তার নির্বাচন করবেন বলে শোনা যাচ্ছে।

বিএমএ পাবনা জেলা শাখার সভাপতি গোলজার হোসেন জানান, জনগণের আশা আকাংখা প্রতিফলন না ঘটায় এ আসনে নতুন মুখের দাবি উঠেছে। তিনি জানান, জনবান্ধর একজন মানুষকে এ এলাকার মানুষ এমপি হিসেবে দেখতে চায়।

ডেইলি বাংলাদেশ/আজ

Best Electronics