Exim Bank Ltd.
ঢাকা, বুধবার ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮, ৪ আশ্বিন ১৪২৫

ব্ল্যাক হোল কি টাইম ট্র্যাভেল ঘটাতে পারে?

সিফাত সোহাডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
ব্ল্যাক হোল কি টাইম ট্র্যাভেল ঘটাতে পারে?
ফাইল ছবি

মহাবিশ্বকে নিয়ে আমাদের আগ্রহের শেষ নেই। বরং আমরা দিন দিন যত সামনের এগোচ্ছি আমাদের এই মহাবিশ্বের রহস্য যেন ততই গভীর হচ্ছে। আমরা যত বেশি জানছি আমাদের কৌতূহল যেন ততই বাড়ছে। মহাবিশ্বের রহস্যের এমনই এক বিষয় হল ব্ল্যাক হোল যাকে বাংলায় বলা হয় কৃষ্ণ গহ্বর। এই মহাবিশ্বের একটি অন্যতম কৌতূহলপূর্ণ বিষয় হলো ব্ল্যাক হোল।

কি এই ব্ল্যাক হোল? আসলে এটি নিয়ে বিতর্কের কোন শেষ নেই। ব্ল্যাক হোল কি জিনিস? কিভাবে এর জন্ম? এর সঙ্গে অভিকর্ষের কি সম্পর্ক? আইনস্টাইনের আপেক্ষিক তত্বের সঙ্গে এর কি কোনো সম্পর্ক আছে কি? ব্ল্যাক হোল কি টাইম ট্র্যাভেল ঘটাতে পারে? আলোর মত এমন গতিমান জিনিস কিভাবে ব্ল্যাক হোলে আটকা পরে? ব্ল্যাক হোলকে নিয়ে আমাদের মনে এমন অনেক প্রশ্ন আসে।

ডেইলি বাংলাদেশের আজকের আয়োজনে জেনে নিন ব্ল্যাক হোল সম্পর্কে কিছু তথ্য।

ব্ল্যাক হোলের অস্তিত্ব সম্পর্কে করা ধারনাটি প্রথম প্রস্তাব করা হয় অষ্টাদশ শতাব্দীতে। এই ধারনাটি প্রস্তাব করা হয় সেই সময়কার জানা মধ্যাকর্ষণ সূত্রের ওপরে ভিত্তি করে। ১৭৮৩ সালে জন মিচেল প্রথম ডার্ক স্টার শিরোনামে একটি গবেষণা প্রকাশ করে। তিনি বলেছিলেন, যদি একটি বস্তুর আকার যথেষ্ট ছোট ও ভর যথেষ্ট হয় তবে কোন কিছুর পক্ষে সেই বস্তুর আকর্ষণ বল হতে পালানো সম্ভব নয়, এমন কি আলোও চিরকালের জন্য আটকে যেতে পারে।

একই রকম ভাবনা ভেবেছিলেন ফ্রেঞ্চ বিজ্ঞানী মারকুইস দে লাপ্লাচ। তিনি তার বই দ্যা সিস্টেম অফ দ্যা ওয়ার্ল্ডে এই ভাবনাটি প্রকাশ করেন। ১৯৬৭ সালে জন হুইলার ব্ল্যাক হোল নামটির সাথে আমাদের পরিচয় করিয়ে দেন। আইনস্টাইনের আপেক্ষিক তত্বের পর কার্ল সওয়ারসচাইল্ড এই ধরনের বস্তুর জন্য একটি গাণিতিক সমাধান বের করেন। এর বেশ কিছুদিন পরে ১৯৩০-এর দিকে ওপেন হাইমার, ভল্কব ও সিন্ডার মহাবিশ্বে এই ধরনের বস্তু থাকার সম্ভাবনা নিয়ে গভীরভাবে ভাবতে থাকেন। পরে এই তিন গবেষক প্রমাণ করে দেখালেন যে একটি যথেষ্ট ভর যুক্ত নক্ষত্র যখন তার সব জ্বালানি হারিয়ে ফেলে তখন এতে নিওক্লিও বিক্রিয়ার বহির্মুখী ছাপ থাকেনা বলে এটি এর নিজের অভিকর্ষের চাপে চুপসে যেতে থাকে, আর এভাবেই বিকশিত হয় ব্ল্যাক হোলের ধারনা।

নাম ব্ল্যাক হোল হলেও নামের সাথে এর তেমন একটা মিল নেই। ব্ল্যাক হোল হল এমন একটি বস্তু বা যায়গা যা আয়তনে খুবই অল্প কিন্তু এর ভর এত বেশি যে ব্ল্যাক হোলের নিজের মহাকর্ষ শক্তি কোনো কিছুকেই তার ভিতর থেকে বাইরে আসতে দেয় না। প্রকৃতপক্ষে এই স্থানের সাধারণ মহাকর্ষ বলের মান এতটা বেশি যে এটি মহাবিশ্বের অন্য সকল বলকে অতিক্রম করে। যেহেতু এর ভেতর থেকে কোন কিছুই বের হয়ে আসতে পারেনা তাই আমরা আধুনিক যন্ত্র দিয়েও এটি কাছে থেকে দেখতে পারিনা।

ব্ল্যাক হোলে তার নিকটবর্তী নক্ষত্রগুলোর কিছু অংশ তার নিজের দিকে টেনে নেয় আর এই অংশগুলো যতই ব্ল্যাক হোলের কাছে আসে এদের উজ্জ্বলতা ও তাপমাত্রা ততই বেড়ে যায়।

আমাদের অনেকের মনেই প্রশ্ন আছে যে, ব্ল্যাক হোল কিভাবে সৃষ্টি হয়? সাধারণত মৃত্যুমূখি তারাদের দ্বারা একটি ব্ল্যাক হোল তৈরি হয়। সূর্যের ভরের বিশগুণ ভর বিশিষ্ট তারা জীবনের শেষ পর্যায়ে একটি ব্ল্যাক হোলে পরিনত হতে পারে। একটি নক্ষত্রে প্রতিনিয়ত বিক্রিয়া চলতে থাকে, হাইড্রোজেন গ্যাসের পরমাণু সমূহ পরস্পরের সঙ্গে মিশে হিলিয়াম গ্যাসে পরিনত হয়। এই বিক্রিয়ার ফলে নক্ষত্রে প্রচুর তাপ ও চাপ উৎপন্ন হয়। এই তাপ নক্ষত্রকে উজ্জ্বল করে আর এই চাপ নক্ষত্রের কেন্দ্রে বহির্মুখী চাপ সৃষ্টি করে, যা মহাকর্ষীয় বলের কারণের নক্ষত্রে সৃষ্ট কেন্দ্রমুখি সংকচনধর্মী চাপের সৃষ্টি হয়। একটি নক্ষত্রের জীবনকালের বেশিরভাগ সময় এই দুই বিপরিতমুখী চাপের মধ্যে ভারসাম্য বজায় থাকে। কয়েক মিলিয়ন বছর ধরে এইভাবেই চলতে থাকে, তারপরে এক সময় এই নিউক্লিও জ্বালানিগুলো শেষ হয়ে যায় এবং বিক্রিয়াগুলো বন্ধ হয়ে যায়। তার ফলে কেন্দ্রমুখী সংকোচধর্মী চাপ বহির্মুখী চাপের ওপরে বিজয় লাভ করে ফলে সকল ভর কেন্দ্রে সংকুচিত হতে শুরু করে এবং সৃষ্টি করে ব্ল্যাক হোল। চন্দ্রশেখর সীমার নিচে নক্ষত্রগুলোর ক্ষেত্রে যখন পারমানবিক জ্বালানি শেষ হয়ে যায় এবং মহাকর্ষের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য আর পারমানবিক বিক্রিয়া হয় না তখন তারা গুলির মধ্যে অবস্থিত ইলেকট্রন গুলির মধ্যে প্রতিকূল বাহিনীগুলো আরো মহাকর্ষণ থামানোর জন্য যথেষ্ট চাপ সৃষ্টি করে তারপরে তারাগুলো মারা যায়।

আমাদের মনে একটা প্রশ্ন আসতে পারে আর তা হল যদি ব্ল্যাক হোলের মধ্যে কোন মানুষ প্রবেশ করে তবে তার কী হবে। বিজ্ঞানীদের ধারনা আমাদের গ্যালাক্সিতে প্রায় একশো মিলিয়ন ব্ল্যাক হোল আছে। যদি কোন মানুষ কোন একটি ব্ল্যাক হোলে প্রবেশ করে তবে তার মৃত্যুটি হবে সব থেকে ভয়ানক মৃত্যু এবং মৃত্যুর পরে তার কোনো শারীরিক প্রমাণও পাওয়া যাবে না। মৃত্যুপূর্বে সে মানুষের সঙ্গে অনেক অদ্ভুত ঘটনা ঘটবে। ব্ল্যাক হোলে প্রবেশ করলে মৃত্যু নিশ্চিত, তবে কত সময় লাগবে একটা মানুষের মৃত্যুর তা নির্ভর করবে ব্ল্যাক হোলের আকারের ওপরে।

যখন কোনো মানুষ ব্ল্যাক হোলের আশেপাশে চলে যাবে তখন সে একটি নিখুত অন্ধকার বৃত্ত দেখতে পাবে, তবে এটাই সব নয়। অন্ধকার বৃত্তটি ছাড়াও কিছু অদ্ভুত জিনিস দেখতে পাবে। যেহেতু ব্ল্যাক হোল তার মধ্যাকর্ষণ বলের কারণে স্থান, কাল সৃষ্টি করে, তাই দূরবর্তী নক্ষত্রদের থেকে আসা আলোকে বাকা অবস্থায় দেখা যাবে। এর কারণ হল নক্ষত্রদের থেকে আসা আলো ব্ল্যাক হোলের মধ্যাকর্ষণ বলের প্রভাবে সৃষ্ট স্থান, কাল অনুসরন করে। এবার যখন কোন মানুষ ব্ল্যাক হোলের দিকে পতিত হতে শুরু করবেন তখন তার পতন হওয়ার বেগ ক্রমশ বাড়তে থাকবে। ব্লাক হোলের যতই কাছে যাবেন এর মহাকর্ষণজনিত শক্তি ক্ষমতা অনুভব করতে থাকবে। যদি সেই ব্যাক্তির পা মাথার থেকে ব্লাক হোলের কাছে থাকে তবে পা-তে এর আকর্ষণ প্রকোট হবে। সেই মানুষটি যতই ব্ল্যাক হোলের নিকটবর্তী হবে সে তত বেশি আকর্ষণ বল অনুভব করবে এবং একটা সময় পাসহ পুরো শরীরটা নুডুলসের মত প্রসারিত হতে থাকবে। প্রসারিত হতে হতে অবশেষে এমন একটি পর্যায়ে পৌঁছাবে যখন তার শরীর পৃথক পৃথক পরমানুতে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যাবে। আশা করি আপনারা বুঝতে পারছেন যে এই ভাবে মৃত্যু কতটা কষ্টের হতে পারে।

ছোট ব্ল্যাক হোল গুলোর ক্ষেত্রে এর প্রসারন ক্ষমতা এতটাই বেশি যে ঘটনা দিগন্তে পৌঁছানোর পূর্বেই আপনার শরীর চূর্ণ বিচূর্ণ হয়ে পরমানুতে পরিণত হয়ে যাবে। এখন যদি আপনি কোন একটি ব্ল্যাক হোলে প্রবেশ করতে চান আপনার শারিরিক খণ্ড বজায় রেখে তাহলে আপনাকে যেতে হবে কোন একটি সুপার মাসিভ ব্ল্যাক হোলে। এমন একটি সুপার মাসিভ ব্লাক হোল আমাদের সৌরজগতে আছে। পৃথিবী থেকে পঁচিশ হাজার আলোক বর্ষ দূরে যেতে হবে আপনাকে। আমাদের ছায়া পথের কেন্দ্র স্থলে সূর্যের তুলনায় তেতাল্লিশ লাখ গুন বেশি বড় একটি ব্ল্যাক হোল আছে।

যদি আপনি এই ব্ল্যাক হোলের কাছে যেতে সক্ষম হন তাহলে আপনি এই ব্ল্যাক হোলের ঘটনা দিগন্তের কাছে যেতে পারবেন কিন্তু প্রশ্ন হলো কেন আপনি একটি বড় ব্ল্যাক হোলের কাছে যেতে সক্ষম হবেন, কিন্তু ছোট ব্ল্যাক হোলের কাছে না। এর কারণ হলো বড় ব্ল্যাক হোলদের ঘটনা দিগন্ত তাদের কেন্দ্র থেকে অনেক দূরে অবস্থিত হয় তাই বড় ব্ল্যাক হোলদের ঘটনা দিগন্তে যে বল থাকে তা ছোট ব্ল্যাক হোলদের তুলনায় অনেক কম হয়। যদি চাঁদ পৃথিবী থেকে আরো দূরে থাকে তাহলে এই একই কারণে পৃথিবীতে জোয়ার ভাটা অনেক দুর্বল হতো। অতএব আপনি কোন বড় ব্ল্যাক হোলে প্রবেশ করার পরেও সঙ্গে সঙ্গে মারা যাবেন না। এইক্ষেত্রে আপনি যত দিগন্তের যতই নিকটবর্তী হবেন আপনার চারপাশের শক্তি বৃদ্ধি পাবে এবং আপনার দৃশ্যমান আলো আরো বিকৃত হবে। এখন আপনি যতই ব্ল্যাক হোলের ভিতরে প্রবেশ করবেন সময় ততই ধির গতিতে অতিবাহিত হবেন।

যদিও আপনার কাছে সময় স্বাভাবিকভাবেই অতিবাহিত হবে কিন্তু ব্ল্যাক হোলের বাইরের কোন ব্যক্তির দৃষ্টিকোণ থেকে ধরা যাক, পৃথিবীর কোনো মানুষের কাছে আপনি খুব ধীর গতিতে চালিত হবেন, এই ঘটানাটিকে বলা হয় Gravitational Time Dilation এবং এই কারণেই টাইম ট্র্যাভেলের কথা বলা হলে ব্ল্যাক হোলের কথা উল্লেখ করা হয়। আপনি এর যতটা কাছে যাবেন আপানার চারদিকের অন্ধকার অঞ্চল তত বৃদ্ধি পেতে থাকবে এবং এক সময় এই অন্ধকার অঞ্চল আপনার দৃষ্টিকে সম্পূর্ণভাবে আচ্ছাদিত করবে। যখনি আপনার চারপাশ সম্পূর্ণভাবে অন্ধকার হয়ে যাবে তখনই আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনি সম্পূর্ণভাবে একটি ব্ল্যাক হোলে প্রবেশ করেছেন। আপনি যে মহাবিশ্বকে ছেড়ে চিরকালের মত চলে যাবেন তা দেখার মত শেষ সুযোগ আপনার থাকবে আপানার পিছনে আলোর একটি বিন্দু হিসেবে। এর পরে ব্ল্যাক হোলের মধ্যাকর্ষণ বল আলোর গতিতে আপনাকে সিঙ্গুলারিটির দিকে টেনে নেবে এবং অবশেষে আপনার শরীরকে নুডুলসের মত বানিয়ে পৃথক পৃথক পরমানুতে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দেবে।

এখন সবার মনেই প্রশ্ন জাগবে আমরা ব্ল্যাক হোলের প্রবেশের পর কি হবে তা কিভাবে বলতে পারি আর এর উত্তর হল আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতাবাদ থিওরি। এটি সাহায্য করে আমাদের শক্তিশালী অভিকর্ষে স্থান, কাল কিভাবে আচরণ তা বুঝতে। আর এই আপেক্ষিকতাবাদের থিওরির সাহায্যেই আমরা ব্ল্যাক হল প্রবেশ না করে এর ভেতরে কি কি ঘটতে পারে তা বলতে পারি।

ডেইলি বাংলাদেশ/টিআরএইচ

আরোও পড়ুন
সর্বাধিক পঠিত
শিস দিয়েই দুই বাংলার তারকা জামালপুরের অবন্তী
শিস দিয়েই দুই বাংলার তারকা জামালপুরের অবন্তী
সোনালী বেন্দ্রের মৃত্যু!
সোনালী বেন্দ্রের মৃত্যু!
সুজির মালাই পিঠা
সুজির মালাই পিঠা
অবন্তী সিঁথির জয়জয়কার
অবন্তী সিঁথির জয়জয়কার
জাতীয় পার্টির ‘মনোনয়ন’ পাচ্ছেন হিরো আলম
জাতীয় পার্টির ‘মনোনয়ন’ পাচ্ছেন হিরো আলম
গৌরী আমাকে শুধরে দিয়েছে: শাহরুখ
গৌরী আমাকে শুধরে দিয়েছে: শাহরুখ
যদি তুমি রুখে দাঁড়াও তবেই তুমি বাংলাদেশ!
যদি তুমি রুখে দাঁড়াও তবেই তুমি বাংলাদেশ!
মডেলের অশ্লীল কাণ্ড!
মডেলের অশ্লীল কাণ্ড!
শচীনের সঙ্গে অভিনেত্রীর ‘গোপন’ সম্পর্ক!
শচীনের সঙ্গে অভিনেত্রীর ‘গোপন’ সম্পর্ক!
‘তারেকের তিন গাড়ি, আমার বোন চলে বাসে’
‘তারেকের তিন গাড়ি, আমার বোন চলে বাসে’
বিয়ে ছাড়াই মা হলেন জিৎ-এর প্রেমিকা!
বিয়ে ছাড়াই মা হলেন জিৎ-এর প্রেমিকা!
নিককে প্রকাশ্যে চুমু খেলেন প্রিয়াঙ্কা
নিককে প্রকাশ্যে চুমু খেলেন প্রিয়াঙ্কা
ন্যান্সি ও তার স্বামীকে গ্রেফতারের দাবি
ন্যান্সি ও তার স্বামীকে গ্রেফতারের দাবি
বিবাহিতা বা সন্তানের মা হলে ১০ লাখ জরিমানা!
বিবাহিতা বা সন্তানের মা হলে ১০ লাখ জরিমানা!
দিশার সঙ্গে হৃত্বিকের সম্পর্ক, মুখ খুললেন বয়ফ্রেন্ড!
দিশার সঙ্গে হৃত্বিকের সম্পর্ক, মুখ খুললেন বয়ফ্রেন্ড!
লাপাত্তা সারিকা!
লাপাত্তা সারিকা!
যৌনতায় ঠাসা ৫টি সিনেমা
যৌনতায় ঠাসা ৫টি সিনেমা
‘বেডরুম’র গোপন তথ্য ফাঁস করলেন সোনম!
‘বেডরুম’র গোপন তথ্য ফাঁস করলেন সোনম!
প্রধানমন্ত্রীর কবর খোঁড়া সেই মোকছেদ গ্রেফতার
প্রধানমন্ত্রীর কবর খোঁড়া সেই মোকছেদ গ্রেফতার
এ কেমন কাণ্ড পুলিশ পুত্রের!
এ কেমন কাণ্ড পুলিশ পুত্রের!
শিরোনাম:
এশিয়াকাপে ভারতের সঙ্গে ২৬ রানে হেরে হংকংয়ের বিদায় এশিয়াকাপে ভারতের সঙ্গে ২৬ রানে হেরে হংকংয়ের বিদায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বাংলাদেশ-ভারত পাইপলাইন নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করলেন হাসিনা-মোদি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বাংলাদেশ-ভারত পাইপলাইন নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করলেন হাসিনা-মোদি আর জোর করে সিল মারতে দেয়া হবে না: এরশাদ আর জোর করে সিল মারতে দেয়া হবে না: এরশাদ ২১ আগস্ট হামলা মামলার রায় ১০ অক্টোবর ২১ আগস্ট হামলা মামলার রায় ১০ অক্টোবর