ব্রেসলেট ।। অ্যাম্ব্রোস মুসিইওয়া

ঢাকা, মঙ্গলবার   ২৫ জুন ২০১৯,   আষাঢ় ১২ ১৪২৬,   ২১ শাওয়াল ১৪৪০

ব্রেসলেট ।। অ্যাম্ব্রোস মুসিইওয়া

অনুবাদ: ফজল হাসান  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৭:২৬ ১৯ মে ২০১৯  

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

আমি যখন ব্রেসলেট প্রথম দেখেছি, তখন আমরা দু’জনেই রান্নাঘরে ছিলাম। 
শারাই স্কুল থেকে ফিরে এসেছে। সে চায়ের সঙ্গে স্যান্ডউইচ খাচ্ছিল। চায়ের কাপে চিনি ঢেলে সে এক হাতে নাড়ছিল এবং অন্য হাতে ব্রেসলেট নিয়ে নাড়াচাড়া করছিল।  

‘ওটা কী?’ আমি জিজ্ঞাসা করি।
‘ব্রেসলেট,’ সে বলল। 
‘আমি কী দেখতে পারি?’ 
সে আমার হাতে তুলে দেয়। 
স্বর্ণের ব্রেসলেট এবং দেখে মনে হয় ব্রেসলেটটি ‘আর্গোস’ অথবা ‘এইচএস স্যামুয়েল’ তৈরি করেছে। 
‘কোথায় পেয়েছ?’ আমি জিজ্ঞাসা করি। 
‘স্কুলের এক বন্ধু দিয়েছে,’ সে বলল। 
‘কেন?’ 
‘কারণ সে আমাকে পছন্দ করে।’ 
‘বিনিময়ে তাকে কী দিবে?’ আমি জিজ্ঞাসা করি।  
‘কিছু না,’ সে বলল। 
‘আগামিকাল যখন স্কুলে যাবে, দয়া করে ব্রেসলেট ফেরত দিবে। যেই ছেলেটি তোমাকে দিয়েছে, তাকে বলবে যে আমি চাই না তুমি ব্রেসলেটটি রাখো।’ 
‘এটা ঠিক না,’ শারাই প্রতিবাদের সুরে বলল। 
‘আগামিকাল তুমি এটা ফেরত দেয়ার জন্য নিয়ে যাচ্ছো।’ 
‘আমি এটা চাই। আমি ব্রেসলেটটি চাই-ই। ব্রেসলেট সম্পর্কে মা জানে এবং তিনি বলেছেন, আমি রাখতে পারবো।’ 
‘হয় তুমি আগামিকাল স্কুলে ফেরত নিয়ে যাবে, নতুবা আমি নিয়ে যাবো। কোনটা করবে, সে-টা তোমার সিদ্ধান্ত,’ দৃঢ় কণ্ঠে আমি বললাম। 
শারাই ঝড়ের বেগে রান্নাঘর থেকে বেরিয়ে যায়, এমনকি বসার ঘর পেরিয়ে চলে যায় এবং যাওয়ার সময় ঠাস করে সব দরজা বন্ধ করে। নিজের ঘরে ঢুকে সে দরজার পাল্লা বন্ধ করে দেয় এবং তার মা ও আমার সঙ্গে একত্রে রাতের খাবার খাওয়ার সময় বন্ধ ঘর থেকে বেরিয়ে আসেনি। 

*****
‘তুমি জানো শারাই ওর ক্লাশের কোনো এক ছেলের কাছ থেকে একটা ব্রেসলেট উপহার পেয়েছে?’ রাতের খাবার শেষে মাইদেই যখন টেলিভিশন দেখছিল, তখন তাকে আমি জিজ্ঞাসা করি। 
‘হ্যাঁ, জানি । অন্য কোনো ছেলে নয়। ওর নাম জেসন। একই ক্লাশে পড়ে এবং এক বছরের উপরে ওরা দু’জনে বন্ধুত্ব গড়ে তুলেছে।’ ‘শারাইয়ের বয়স মাত্র বারো। এটা কি অপরিপক্ক চিন্তা না যে, এই বয়সে ওর সঙ্গে একটা ছেলের বন্ধুত্ব, অর্থাৎ সম্পর্ক, গড়ে উঠুক?’ 
‘আট বছর বয়সে শারাইয়ের প্রথম ছেলে বন্ধু ছিল।’ 
আমি আসল কথা থেকে দূরে সরে যাচ্ছিলাম। 
‘আমরা ব্রেসলেট নিয়ে কথা বলছিলাম,’ আমি বললাম। 
‘হ্যাঁ, তাতে কী হয়েছে?’ 
‘আমি শারাইকে বলেছি সে যখন আগামিকাল স্কুলে যাবে, তখন যেন ওটা নিয়ে যায়।’ 
‘কাজটা করা তোমার মোটেও ঠিক হয়নি। ব্রেসলেট রাখার কথা আমি এরইমধ্যে ওকে বলেছি,’ মাইদেই বলল।  
‘আমাকে বলা তোমার উচিত ছিল।’ 
‘আসল সমস্যাটা কোথায়?’ মাইদেই পাল্টা জিজ্ঞাসা করে। 
‘তুমি কি ব্রেসলেট দেখেছ?’ 
‘হ্যাঁ, দেখেছি,’ মাইদেই বলল। 
‘এটা কোনো বিশেষ বস্তু নয়, যা তুমি বারো বছর বয়সী মেয়েকে দিতে পারো।’  
‘এটা একটা ব্রেসলেট। ওর কাছে রাখার মধ্যে আমি কোনো অসুবিধা দেখি না।’ 
‘এবং বিনিময়ে জেসনকে কী দিবে?’ 
‘আমি জানি না,’ মাইদেই বলল, ‘হয়তো কিছুই দিবে না।’

‘এ ধরনের উপহার মানুষের মধ্যে পাওয়ার লোভ বাড়িয়ে দিতে পারে, যা পরবর্তী সময়ে জীবন এবং সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যেতে পারে।’ 
‘তুমি যা বলেছ, আমি শুনেছি। এখন আমি টেলিভিশন দেখতে চাই। তোমার মন যা চায়, তুমি তা-ই করতে পারো,’ মাইদেই বলল।
*****
কয়েকদিন পরে আমি একদিন শারাইয়ের ঘর পরিস্কার করছিলাম। তখনও ব্রেসলেটটি দেখেছি। বিছানার পাশে মেঝেতে ময়লা কাপড়চোপড়, টিস্যু পেপারের স্তুপ, জুতা, পেন্সিল, বই এবং ফটো অ্যালবামের ফাঁকে পড়েছিল। 
আমি ব্রেসলেট তুলে নিয়ে পকেটে রাখি এবং ঘর পরিস্কারের কাজ শেষ করি। শারাই যখন স্কুল থেকে ফিরে এসে স্যান্ডউইচ খাচ্ছিল, তখন আমি তাকে জিজ্ঞাসা করি, ‘তুমি ব্রেসলেট ফেরত দাওনি, দিয়েছ কি?’ 
‘না,’ জবাবে সে বলল । 
‘ফেরত না দেয়ার কারণ কী?’ 
‘মা বলেছেন, আমি রাখতে পারি।’ 
‘যেহেতু তুমি নিজে ব্রেসলেট ফেরত দাওনি, তাই তোমার হয়ে আমিই ফেরত দিব।’ 

‘বাবা, তুমি একজন ভয়ঙ্কর মানুষ।’ 
‘না, শারাই। আমি মোটেও ভয়ঙ্কর নই। যারা তোমার কাছের আত্মীয়-স্বজন নয়, তাদের কাছ থেকে এ ধরনের দামি উপহার তুমি কিছুতেই গ্রহণ করতে পারো না। এটা শুধু জেসনই নয়। এটা সবার জন্য প্রযোজ্য। আজ তারা তোমাকে ব্রেসলেট উপহার দিয়েছে, আগামিকাল দিবে মোবাইল ফোন, পরের সপ্তাহে দিবে ক্যামকর্ডার, যা সবসময় তুমি চাইছো। কিছুদিন পরে এবং আরো অনেক উপহার দেয়া হলে বিনিময়ে তারা যদি তোমাকে কিছু দিতে বলে, তখন কী হবে? তুমি কী করবে? কতদূর যাবে তুমি?’ আমি জিজ্ঞাসা করি। 
‘যাহোক, তুমি আমার ঘরে ঢুকে কী করছিলে?’ 

‘আমি ঘর পরিস্কার করেছি ... যা তোমার নিজের করার কথা ছিল, কিন্তু তুমি করোনি।’
‘আমি তোমাকে ঘৃণা করি। বাইরে কোথাও তোমার কাজ খোঁজা উচিত এবং আমাদের পেছনে গোয়েন্দাগিরি বন্ধ করো,’ শারাই বলল।
*****
‘গত সপ্তাহে শারাই ব্রেসলেট ফেরত দেয়নি?’ আমি মাইদেইকে জিজ্ঞাসা করি। সে তখন তার নিজের চেয়ারে বসে টেলিভিশন দেখছিল। 
‘না, ফেরত দেয়নি । আমিই ওকে ব্রেসলেট রাখতে বলেছি।’ 
‘ব্রেসলেট নিয়ে আমার উৎকণ্ঠার কথা তোমাকে বিশদভাবে বলার পরেও তুমি ওকে রেখে দিতে বলেছ?’
‘শারাই যদি ওর কাছে ব্রেসলেট রাখতে চায়, তাতে আমি কোনো অসুবিধা দেখি না।’ 
‘তুমি যদি মনে করো শারাই এ ধরনের দামি অলঙ্কার পড়বে, তাহলে তুমি কিনে দাও। জেসন না।’

‘আমাকে এভাবে জেরা করা কিন্তু তোমার ঠিক হচ্ছে না,’ মাইদেই বলল, ‘তুমি সারাদিন বাসায় ছিলে, ঘুমিয়েছ এবং কিছুই করোনি। আমি বারো ঘণ্টা শিফটের কাজ করে মাত্র ঘরে ফিরেছি।’ 

‘এটা কোনো জেরা নয়, এবং তুমি তা জানো। ব্রেসলেট নিয়ে আমি কী ভাবছি, নিশ্চয়ই তুমি অনুধাবন করতে পারছো। তুমি জানতে আমি শারাইকে ফেরত দিতে বলেছি, তারপরও আমার আড়ালে তুমি ওকে রাখার অনুমতি দিয়েছো। তুমি যা করছো, তা মোটেও ঠিক নয়।’ 
টেলিভিশনে টিনা টার্নার গাইছিল ‘সিম্পলই দ্য বেষ্ট’। পুরো ঘর কাঁপতে শুরু করার আগের মুহূর্ত পর্যন্ত মাইদেই শব্দ বাড়ায়। সে কথা বাড়াতে চায়নি। আমাকে রীতিমতো খারিজ করে।
*****
পরদিন সকালে আমি ফীরিক প্রাইমারি স্কুলে যাই। 
আমি শারাইয়ের শিক্ষিকার সঙ্গে দেখা করে এবং ব্যাখ্যা করে বলি যে, জেসনের কাছ থেকে শারাই এই ব্রেসলেটটি পেয়েছে। আমি মনে করি না বারো বছর বয়সী কোনো মেয়েকে দামি ব্রেসলেট উপহার দেয়া ঠিক হয়েছে। আমি শুধু ফেরতই দিতে চাই না, জেসনকে বলতে চাই যেন ভবিষ্যতে ওর বাবা শারাইকে অন্য কিছু উপহার না পাঠায়।  
‘আমি যখন কাজটি করবো, তখন আপনার পক্ষে কি উপস্থিত থাকা সম্ভব?’ আমি জিজ্ঞাসা করি। 
‘এরইমধ্যে জেসন এবং তার বাবার আসার কথা,’ মিস মার্শ বলল। 
আমরা বাইরে গিয়ে দাঁড়াই। 
‘অই যে, ওরা ওখানে।’ 
জেসন এবং তার বাবা স্কুলের মূল ফটকের বাইরে দাঁড়িয়ে আছে। 
‘শুভ সকাল, মিস মার্শ,’ জেসন বলল। 
‘শুভ সকাল, জেসন,’ জবাবে মিস মার্শ বলল। 
জেমনের বাবার মুখে স্মিত হাসি। সে মাথা নোয়ায়। 
‘মিষ্টার ব্যানার, আমি কি এক মুহূর্তের জন্য আপনার সঙ্গে কথা বলতে পারি?’ মিস মার্শ বলল। 
‘হ্যাঁ, অবশ্যই,’ সে বলল। 
আমরা মিস মার্শের শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করি। 
‘ইনি শারাইয়ের বাবা,’ মিস মার্শ পরিচয় করিয়ে দেয়। 
‘হ্যাঁ, আমি চিনি,’ জেসনের বাবা বলল। 
‘কয়েক সপ্তাহ আগে জেসন শারাইকে একটি ব্রেসলেট দিয়েছে,’ মিস মার্শ বলল। 

‘হ্যাঁ। জেসন বলেছে, সে শারাইকে একটা কিছু উপহার দিতে চায়। তাই আমরা ‘আর্গোস’-এ গিয়েছিলাম এবং সেখানে থেকে একটা ব্রেসলেট কিনেছি। আমিই দাম দিয়েছি। মনে হয় জেসন এবং শারাই খুব খুশি হয়েছে। 
‘আমি ব্রেসলেট ফেরত দিতে এসেছি,’ আমি বললাম, ‘আপনি যদি ফেরত নেন, তাহলে আমি দারুণভাবে কৃতজ্ঞ থাকবো। আশাকরি, জেসন এবং আপনি আগামিতে শারাইকে আর কোনো উপহার দিবেন না।’
‘আমি বুঝতে পারছি না,’ জেসনের বাবা বলল। 

‘অনুগ্রহ করে ব্রেসলেট ফেরত নিন এবং শারাইয়ের জন্য অন্য কোনো উপহার কেনার বায়না যেন জেসন না করে, সেদিকে খেয়াল রাখবেন।’ 
স্কুলের ঘণ্টা পড়ে। ক্লাশ আরম্ভ হয়। ছেলেমেয়েরা শ্রেণিকক্ষে ঢুকতে শুরু করে। আমি জেসনের বাবা এবং মিস মার্শকে ধন্যবাদ জানাই এবং স্কুল পরিত্যাগ করি।
*****
অনেক পরে একদিন ব্রেসলেটের ঘটনা মনে হওয়ায় আমি শারাইকে জিজ্ঞাসা করি, ‘জেসনের বাবা কী কাজ করে?’ 
‘তিনি একজন চিত্রগ্রাহক।’ 
‘কোন খবরের কাগজের জন্য কাজ করে?’ 
‘না, বাবা। তিনি সেরকম কোনো খবরের কাগজের জন্য কাজ করেন না। তিনি একজন স্বাধীনচেতা চিত্রগ্রাহক। তিনি বাসা থেকে বিভিন্ন ধরনের মানুষ এবং জনগোষ্ঠীর জন্য কাজ করেন।’ 
‘তাহলে তো তিনি ভালোই রোজগার করছেন।’
‘জেসন বলেছে, ছবি তোলার জন্য তার বাবা যা উপার্জন করেন, সেই উপার্জনের অনেকটা আসে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে।’ 
‘জেসন কি সেসব ওয়েবসাইট দেখেছে?’ 
শারাই নেতিবাচক ভঙ্গিতে শ্রাগ করে। 
‘আমি জানি না,’ সে বলল, ‘হয়তো সে দেখেছে, অথবা দেখেনি।’ 

বলেই শারাই থামে। একটু থেমে সে আরো বলল, ‘মা বলেছেন, আমার আগামি জন্মদিনের সময় আমরা জেসনদের বাড়ি যাব। তখন জেসনের বাবা অনেক ছবি তুলবেন। আমি মডেলের মতো ছবি তুলবো। মা এবং আমি মিলে ভালো ও সুন্দর ছবি বাছাই করবো। তারপর জেসনের বাবা সেগুলো আমাদের জন্য প্রিন্ট করে দিবেন।’ 

লেখক পরিচিতি: জিম্বাবুইয়ের প্রতিশ্রুতিশীল স্বাধীনচেতা গল্প লেখক, ঔপন্যাসিক, সাংবাদিক এবং শিক্ষক অ্যাম্ব্রোস মুসিইওয়া । তাঁর জন্মের সঠিক দিনক্ষণ পাওয়া যায়নি । উল্লেখ্য, তাঁর কাছে জন্ম সাল জানতে চাইলে তিনি তা জানাতে অস্বীকৃতি জানান । তবে নিশ্চিত করেছেন যে, তাঁর জন্ম ১৯৭০ সালের পরে হয়েছে । যাহোক, তাঁর শৈশবে কেটেছে রাজধানী হারারের সন্নিকটে চিটুনগিজায় । সেখানে তিনি প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষক ছিলেন । পরবর্তীতে ডি মন্টফোর্ট ইউনিভার্সিটি থেকে আইন বিষয়ে ডিগ্রী অর্জণ করেন । তিনি ‘কনজারভেশনস্ উইথ রাইটার্স’ ব্লগের সমন্বয়কারী এবং সেখানে বিভিন্ন লেখক, প্রকাশক এবং সাহিত্যিকদের সাক্ষাৎকার প্রকাশ করেন । তাঁর ছোটগল্প এবং কবিতা বিভিন্ন সংবাদপত্র, ম্যাগাজিন এবং সংকলনে প্রকাশিত হয়েছে । ‘দ্য গসপেল অ্যাকোর্ডিং টু বোব্বা’ তাঁর কবিতা সংকলন । এছাড়া তিনি ‘ডাইরি অব অ্যান অ্যাসাইল্যাম সীকার’ উপন্যাস রচনা করেন । তিনি ২০১৬ সালে প্রকাশিত ‘ওয়েলকাম টু লিচেষ্টার’ সংকলনের সহ-সম্পাদক ছিলেন । বর্তমানে ইংল্যান্ডের লিচেষ্টারে বসবাস করেন ।

গল্পসূত্র: ‘ব্রেসলেট’ গল্পটি অ্যাম্ব্রোস মুসিইওয়ার ইংরেজিতে একই শিরোনামের গল্পের অনুবাদ । বহুল পঠিত এই গল্পটি একাধিক সাহিত্য ম্যাগাজিন এবং ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে । অনূদিত গল্পটি  ‘কনজারভেশনস্ উইথ রাইটার্স’ ব্লগ (১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১০ সালে প্রকাশিত) থেকে নেওয়া হয়েছে । 
*****
ডেইলি বাংলাদেশ/আরএস