Alexa ব্রেক্সিটে যুক্তরাজ্যে সুবিধা পাবে বাংলাদেশি প্রবাসীরা

ঢাকা, শনিবার   ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯,   আশ্বিন ৬ ১৪২৬,   ২১ মুহররম ১৪৪১

Akash

ব্রেক্সিটে যুক্তরাজ্যে সুবিধা পাবে বাংলাদেশি প্রবাসীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

 প্রকাশিত: ১৯:০৪ ২০ ডিসেম্বর ২০১৮   আপডেট: ১৯:০৪ ২০ ডিসেম্বর ২০১৮

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে’র ব্রেক্সিট চুক্তি সম্পন্ন হলে সুবিধা পাবে দক্ষ বাংলাদেশি প্রবাসীরা। দেশটির পার্লামেন্টে উন্মোচিত ব্রেক্সিট পরবর্তী অভিবাসন কৌশল বিষয়ক এক শ্বেতপত্রে উঠে এসেছে এ তথ্য।

ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাজিদ জাভিদ বুধবার ‘দক্ষতার ভিত্তিতে যুক্তরাজ্যের ভবিষ্যত অভিবাসন ব্যবস্থা’ শীর্ষক শ্বেতপত্রটি তুলে ধরেন। হাউস অব কমন্সে উন্মোচিত শ্বেতপত্রে বলা হয়, ভিসা দেয়ার ক্ষেত্রে এবার কোনো দেশের নাম না দেখে তাদের দক্ষতা দেখা হবে।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে যুক্তরাজ্যের বেরিয়ে যাওয়ার আর মাত্র ১৪ সপ্তাহের কিছু বেশি সময় বাকি। ফলে তাড়াতাড়ি সিদ্ধান্ত নিতে হবে বলে পার্লামেন্টের অনেক সদস্যই চিন্তিত। মে’র দাবি, ব্রেক্সিট চুক্তির বিতর্কিত বিষয়গুলো নিয়ে চিন্তার কোনো কারণ নেই। গেলো সপ্তাহে ইইউ সম্মেলনে গিয়ে তিনি নতুন করে আশ্বাস এবং নিশ্চয়তা পেয়েছেন।

সেখানে বলা হয়, দক্ষ অভিবাসীরা যেকোনো দেশ থেকেই পড়াশোনা কিংবা চাকরির সুযোগ পাবেন। এই প্রস্তাবনা ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হবে। সেসময় ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে পুরোপুরি বের হয়ে যাবে ব্রিটেন। ইউরোপের অন্যান্য দেশের নাগরিকদের ব্রিটেনে যাওয়া তখন কঠিন হয়ে যাবে।

থেরেসা মে বলেন, আমরা ইইউ থেকে বেরিয়ে গেলে সেখানকার নাগরিকরা ফ্রি ভিসা সুবিধা পাবেন না। এতে করে আমরা দক্ষতার দিকে নজর দিতে পারবো। তখন আর তারা কোন দেশ থেকে এসেছে সেটা ভাবতে হবে না।

নতুন প্রস্তাবনা অনুযায়ী প্রতি বছর ২০ হাজার ৭০০ দক্ষ অভিবাসী নেয়া হবে। এতে করে বাংলদেশের ডাক্তার, প্রকৌশলীসহ অন্যান্য দক্ষ পেশাজীবীরা ব্রিটেনে যাওয়ার সুযোগ পাবেন। এছাড়া যে মালিকরা খণ্ডকালীন পেশাজীবী নেয়ার আবেদন করবেন তাদের জন্য ১২ মাসের ভিসা সুবিধাও থাকবে। লেবার মার্কেট পরীক্ষা ও স্পন্সরের বিষয়টাতেও পরিবর্তন আসছে।

এখন পর্যন্ত ব্রিটিশ-বাংলাদেশি ক্যাটারিং ইন্ডাস্ট্রিই এক্ষেত্রে সবচেয়ে লাভবান হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তারা অনেকদিন ধরেই বাংলাদেশ থেকে দক্ষ রাধুনী নেয়ার ব্যাপারে দাবি জানিয়ে আসছিল।

যুক্তরাজ্যে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করতে বর্তমান প্রস্তাবকে আরো আকর্ষণীয় করা হবে। যারা পড়াশোনা কিংবা চাকরি শেষ করেও ব্রিটেনে থাকতে চান তাদের সবার জন্যই এটা প্রযোজ্য হবে। তাদের সময় দেয়া হবে যেন তারা স্থায়ী চাকরি খুঁজে নেয় এবং সেই সময়টাতে অস্থায়ী চাকরিও করতে পারে।

শ্বেতপত্রে বলা হয়, স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থী যারা ব্রিটেনে পড়াশোনা করছেন তারাও দক্ষ পেশাজীবী হিসেবে আবেদন করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে তাদের নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার অন্তত তিন মাস আগে আবেদন করতে হবে। 

যুক্তরাজ্যের বাইরে থাকা শিক্ষার্থীরা স্নাতকের পর দুই বছরের জন্য আবেদন করতে পারবে।

বৃহস্পতিবার ইমিগ্রশেন অ্যান্ড সোশ্যাল সিকিউরিটি কোঅর্ডিনেশন বিলটি প্রকাশ হওয়ার কথা। এতে করে ইইউ নাগরিকদের মুক্ত চলাচল সুবিধা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/মাহাদী/এসআই