ব্রুসলি সম্পর্কে মজার ১০ তথ্য!
SELECT bn_content_arch.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content_arch.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content_arch.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content_arch INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content_arch.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content_arch.ContentID WHERE bn_content_arch.Deletable=1 AND bn_content_arch.ShowContent=1 AND bn_content_arch.ContentID=35303 LIMIT 1

ঢাকা, শনিবার   ০৮ আগস্ট ২০২০,   শ্রাবণ ২৪ ১৪২৭,   ১৭ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

Beximco LPG Gas

ব্রুসলি সম্পর্কে মজার ১০ তথ্য!

 প্রকাশিত: ০৭:৫৬ ২৯ এপ্রিল ২০১৮   আপডেট: ১৯:০৩ ৫ মে ২০১৮

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

ব্রুস লি ১৯৪০ সালের ২৭ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকোর চায়না টাউনে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা লি হো-চুং ছিলেন ক্যান্টনিজ অপেরা ও চলচ্চিত্র তারকা এবং মা গ্রেস হো। ব্রুস বড় হন হংকংয়ের কাউলুনে। মাত্র ১৩ বছর বয়সে মাস্টার ইপ ম্যানের সঙ্গে পরিচয় ঘটে তার। তিনি তাকে উইং চুন স্টাইলের মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণ দেন। হংকংয়ে লি প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করেন। হাই স্কুলের পড়াশোনা শেষ করেন ১৯৬০ সালে। উচ্চতর পড়াশোনার জন্য ১৮ বছর বয়সে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে আসেন। ১৯৬১ সালে ভর্তি হন ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটিতে। এ সময় তিনি মার্শাল আর্ট শেখানো শুরু করেন।

ব্রুসলির মজার দশটি তথ্য ডেইলি বাংলাদেশের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো-

১। ব্রুস লি চাইনিজ নন! অনেকের ধারণা তার জন্ম চীনে। কিন্তু তার জন্ম হয়েছিলো সানফ্রান্সিসকোতে। বেড়ে ওঠা হংকংয়ে। তার দাদী ছিলেন একজন জার্মান ভদ্রমহিলা।

Scene from the move Enter the Dragon

২। ব্রুস লি অসাধারণ নাচতে পারতেন। ১৯৫৮ সালে তিনি একটি নাচের প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়নও হন! তখন মাত্র হাই স্কুলে পড়তেন তিনি। অভিনয়, মার্শাল আর্টের ট্রেইনিংসহ দৈনন্দিন অন্যান্য কাজের বাইরে নাচের অনুশীলনের জন্য আলাদা সময় বের করতেন তিনি।

৩। ব্রুস লি বাতাসের চেয়েও বেশি গতিতে ফাইট করতে পারতেন! এত ক্ষীপ্র গতিতে তিনি হাত চালাতেন যে প্রতিপক্ষ আঘাত প্রতিহত করারও সময় পেত না! ১৯৬২ সালেই একটি ফাইটে তিনি মাত্র ১১ সেকেন্ডে তার প্রতিপক্ষকে পরাজিত করেন। এই ১১ সেকেন্ডে তিনি ১৫ টা ঘুষি আর একটা কিক করেছিলেন বেচারাকে।

৪। তার আসল নাম ছিলো লি-জান-ফান। কিন্তু তার পরিবার তাকে ডাকতো ম সি তুং যার অর্থ যে কখনো স্থির হয়ে বসে থাকতে পারে না। ব্রুস লি জন্মেছিলেন ড্রাগন বর্ষে। এটি প্রতি বারো বছর অন্তর অন্তর আসে। চীনাদের রাশিচক্রে যারা ড্রাগন বর্ষে জন্মায় তাদেরকে খুব ভাগ্যবান ও ক্ষমতার অধিকারী মনে করা হয়। যেহেতু সে ড্রাগন বর্ষে জন্মেছে , একারণে ব্রুস লিকে ছোট্ট ড্রাগন বলেও ডাকা হতো।

৫। দর্শনের বিষয়ে ব্রুস লির ছিল প্রবল আগ্রহ! মার্শাল আর্ট ও অভিনয়ের বাইরে ব্রুস লি আরেকটু কাজে খুব সময় দিতেন। সেটি হচ্ছে ফিলোসফি পড়া ও লেখা। ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটিতে তার পড়ার বিষয়ও ছিলো দার্শনিকতা। অনেকে বিভিন্ন বিষয়ে তার কাছে মতামত জানতে চাইতো, এবং তার কথাকে গুরুত্বও দিতো খুব। “দ্যা ওয়ারিয়র উইথইন” নামে ব্রুস লি’র দার্শনিকতার ইতিবৃত্ত নিয়ে একটি অসাধারণ বইও আছে, যেখানে এই বিশ্বকে আরো গভীরভাবে বোঝা ও একটি সফল জীবন গড়ার জন্যে কী করা উচিৎ সে সম্পর্কে বলা হয়েছে।

৬। ব্রুস লি ছিলেন একজন সত্যিকারের শিল্পী! ব্রুস লির নানান দিকে আগ্রহ ছিল। অবসরে তিনি ছবি আঁকতে পছন্দ করতেন। তাছাড়া কবিতাও লিখতেন তিনি! তার কবিতা সংকলিত হয়েছে “The Tao Of JeetKune Do”-এই বইটিতে। মার্শাল আর্ট আর ফাইটিংয়ের দৃশ্য বেশি আঁকতে পছন্দ করতেন তিনি। তার নিজের সংগ্রহের ২০০০+ বই নিয়ে একটি লাইব্রেরিও আছে। নতুন কিছু পড়তে তার খুবই ভালো লাগতো।

৭। ব্রুস লি ধর্মে বিশ্বাসী ছিলেন না! তিনি এমন এক পরিবারে জন্মেছিলেন যেখানে তার মা ছিলেন একজন ক্যাথলিক ধর্ম বিশ্বাসী। আর বাবা ছিলেন একজন বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী। ছোটবেলায় তাকে ক্যাথলিক স্কুলে পাঠানো হলেও এক পর্যায়ে তাকে ধর্ম নিয়ে আর কোনো চাপ দেয়া হয় নি। একবার একটি সাক্ষাৎকারে তিনি স্বীকার করেন, তিনি ঈশ্বরে বিশ্বাসী নন।

৮। কিছু কাজ ছিল যা ব্রুস লি একদমই করতে পারতেন না! সাঁতার পারতেন না, পানি দেখলেই তার ভয় করতো। বাইক, গাড়ি কোনোটাই তিনি চালাতে পারতেন না। তার বন্ধুদের মতে, তিনে ছিলেন একজন জঘন্য ড্রাইভার এইজন্য ব্রুস নিজেই মাঝেমধ্যে বন্ধুদের অনুরোধ করতেন তার হয়ে গাড়ি কিংবা বাইক চালানোর জন্যে!

৯। ব্রুস লি’র মৃত্যু নিয়ে এখনো গুঞ্জন চলে। কেউ বলে বিষক্রিয়ায় তার মৃত্যু হয়েছে। আবার কারো ধারণা তার মৃত্যুর সাথে পরিবারের অভিশাপ জড়িত। কেউই ঠিক জানে না কেন হুট করে এমন সুস্বাস্থ্যবান একজন মানুষ চোখের পলকে মারা গেলো। হংকংয়ের কাউলুন টং এর বাড়িতে মারা যাওয়ার আগে তিনি বলেছিলেন তারা মাথা ব্যথা। এজন্যে ঔষুধ খেয়েছিলেন। এরপরই রহস্যজনকভাবে মাত্র ৩২ বছর বয়সেই মানুষটার মৃত্যু হয়।

A sketch of Bruce Lee

১০। ব্রুস অসাধারণ একটি উক্তি –
সবসময় নিজস্বতা ধরে রাখো, নিজেকে প্রকাশ করো, নিজের উপর বিশ্বাস রাখো। সফল ব্যক্তিত্ব খুঁজে বেড়ানো আর তাদের নকল করে তাদের মতো হওয়ার চিন্তা বাদ দাও।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএ