ব্রিটেনে ফেরার অনুমতি পেলেন আইএস বধূ শামীমা
SELECT bn_content.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content.ContentID WHERE bn_content.Deletable=1 AND bn_content.ShowContent=1 AND bn_content.ContentID=194452 LIMIT 1

ঢাকা, মঙ্গলবার   ০৪ আগস্ট ২০২০,   শ্রাবণ ২১ ১৪২৭,   ১৪ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

Beximco LPG Gas

ব্রিটেনে ফেরার অনুমতি পেলেন আইএস বধূ শামীমা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৯:৩৬ ১৬ জুলাই ২০২০  

ছবি: শামীমা বেগম

ছবি: শামীমা বেগম

ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে আইনি লড়াই চালিয়ে যেতে ব্রিটেনে ফেরার অনুমতি পেয়েছেন আইএস বধূ শামীমা বেগম। দেশটির সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার লন্ডনের আপিল আদালত এক রায়ে জানায়, সিরিয়ায় শরণার্থী শিবির থেকে নিজের মামলা লড়তে পারবেন না শামীমা। যার ফলে তিনি ন্যায্য শুনানি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। নিজের নাগরিকত্ব রক্ষা নিয়ে আদালতে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা লড়তে।

বিবিসির খবরে বলা হয়, আপিল আদালতের রায় মানে হচ্ছে, ব্রিটিশ সরকারকে এখন শামীমাকে সিরিয়ার শরণার্থী শিবির থেকে লন্ডনের আদালতে হাজির করার উপায় খুঁজে বের করতে হবে। সরকার ইতোপূর্বে একাধিকবার তাকে সিরিয়া থেকে দেশে আনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে।

২০১৫ সালে লন্ডন থেকে পালিয়ে সিরিয়ায় আইএসে যোগ দেয়া তিন স্কুলগামী মেয়েদের একজন ২০ বছরের শামীমা। ওই সময় তার বয়স ছিল ১৫ বছর।

২০১৯ সালে একটি শরণার্থী শিবিরে সন্ধান পাওয়ার পর যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিরাপত্তা ইস্যুতে শামীমার নাগরিকত্ব বাতিল করে।

শামীমার আইনজীবী ড্যানিয়েল ফারনার বলেন, নিজের ঘটনা তুলে ধরার কোনো নিরপেক্ষ সুযোগ পায়নি শামীমা। ব্রিটিশ বিচার ব্যবস্থাকে মোকাবিলায় ভীত নয় সে। কিন্তু তাকে নির্দোষ প্রমাণের সুযোগ না দিয়ে তার নাগরিকত্ব বাতিল করা কোনো ন্যায়বিচার নয়, এটি বিপরীত।

শামীমা দাবি করে আসছেন, সরকার কর্তৃক তার নাগরিকত্ব বাতিলের সিদ্ধান্তটি অবৈধ। কারণ, এর ফলে সে রাষ্ট্রহীন হয়ে পড়েছে।

আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে, অন্য কোনো দেশের নাগরিক হলে কেবল কারও নাগরিকত্ব বাতিল করা যায়।

গত মাসে আপিল আদালতের শুনানিতে শামীমার আইনজীবী যুক্তি তুলে ধরে বলেছিলেন, যুক্তরাজ্যে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকায় কার্যকরভাবে সরকারের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারছে না তার মক্কেল।

ফেব্রুয়ারি মাসে, একটি ট্রাইব্যুনাল শামীমার নাগরিকত্ব বাতিলের সিদ্ধান্তকে বৈধ বলে আখ্যায়িত করেছিল। কারণ, ওই সময় ‘বংশোদ্ভূতভাবে সে ছিল বাংলাদেশি নাগরিক’। তবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শামীমার বাংলাদেশি নাগরিকত্ব অস্বীকার করেছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, শামীমা বেগম বাংলাদেশের নাগরিক নয়। জন্মসূত্রে সে যুক্তরাজ্যের নাগরিক। দ্বৈত নাগরিকত্ব পাওয়ার বিষয়ে সে কখনো বাংলাদেশের কাছে আবেদন করেনি। এমনকি বাবা-মায়ের জন্মস্থান হলেও শামীমা আগে কখনো বাংলাদেশে আসেনি। সুতরাং তাকে বাংলাদেশে ঢুকতে দেয়ার কোনো প্রশ্নই আসে না।

ডেইলি বাংলাদেশ/মাহাদী