Alexa ব্যয়বহুল শহর কক্সবাজার, সরকারি কর্মকর্তারা পাবেন বাড়তি ভাতা

ঢাকা, শুক্রবার   ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০,   ফাল্গুন ৮ ১৪২৬,   ২৬ জমাদিউস সানি ১৪৪১

Akash

ব্যয়বহুল শহর কক্সবাজার, সরকারি কর্মকর্তারা পাবেন বাড়তি ভাতা

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৩:২১ ২৮ জানুয়ারি ২০২০  

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

সরকারিভাবে দেশের ব্যয়বহুল শহরের তালিকায় যুক্ত হলো কক্সবাজার। সূত্রমতে, কক্সবাজার শহরকে ব্যয়বহুল এলাকা ঘোষণার প্রেক্ষিতে ভবিষ্যতে এখানে কর্মরত সরকারি কর্মকর্তারা বাড়তি ভাতা পাবেন। মোট কথা কক্সবাজারে কর্মরত সরকারি কর্মকর্তারা মহানগরের সুবিধা পাবেন।

গতকাল সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে কক্সবাজার পৌর এলাকাকে ব্যয়বহুল এলাকা ঘোষণা করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এ গেজেট প্রকাশ করেন।

জারি করা এ প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার দেশের অন্যতম পর্যটন শহর কক্সবাজারের শহর/পৌর এলাকার নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদিসহ বাড়িভাড়া, যানবাহন ভাড়া, খাদ্য ও পোশাক সামগ্রীসহ অন্যান্য ভোগ্যপণ্যের মূল্য বিবেচনায় কক্সবাজার শহর/পৌর এলাকাকে ব্যয়বহুল হিসেবে ঘোষণা করেছে। এটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।

এর আগে, কক্সবাজার জেলা প্রশাসন থেকে ২০১৭ সালের শেষ দিকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে একটি চিঠি দেয়া হয়। এতে বলা হয়, কক্সবাজার একটি পর্যটন শহর। এখানে প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক পর্যটক আসে। ছুটির দিনগুলোতে ১০-১২ লাখ পর্যটক অবস্থান করেন এখানে। ছুটির দিন ছাড়া বিশেষ করে পর্যটন মৌসুমে বা শীতের সময় ৬-৮ লাখ পর্যটক থাকেন। অন্য সময়ে দুই থেকে আড়াই লাখ পর্যটক থাকেন। এসব কারণে এখানে বিভিন্ন পণ্য ও সেবার মূল্য একটু বেশি। ফলে খাবার বা পরিবহন বাবদ বাড়তি অর্থ ব্যয় করতে হয়। যেটা অন্যান্য জেলায় করতে হয় না। এ কারণে তারা কক্সবাজারে কর্মরত সরকারি কর্মকর্তাদের বাড়তি ভাতা দেয়ার দাবি জানান। এরপর বিষয়টি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছিল।

জানা গেছে, কক্সবাজারে বিভিন্ন জিনিসপত্রের চাহিদা অনেকগুণ বেড়ে গেছে। এছাড়া রোহিঙ্গাকে নিয়ে বিভিন্ন সংস্থা কাজ করছে। তাদের প্রতিনিধি দল কক্সবাজারে অবস্থান করছে। এর মধ্যে পর্যটকরাও কক্সবাজারে আসা-যাওয়ার মধ্যে আছেন। সব মিলিয়ে সেখানে মানুষের সংখ্যা বেড়ে গেছে। ফলে দ্রব্যসামগ্রীসহ সবকিছুর একটা অতিরিক্ত চাহিদা ও চাপ সৃষ্টির কারণে কক্সবাজারে মূল্যস্ফীতির হারও অনেক বেশি।

২০১৭ সালের আগস্টে রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে বিতাড়িত হয়ে বাংলাদেশের সীমান্ত জেলা কক্সবাজারের বিভিন্ন উপজেলায় আশ্রয় নেয়। বর্তমানে সরকারি হিসাবে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা রয়েছে। বাস্তবে আরো বেশি হতে পারে। এর প্রভাবেও মূল্যস্ফীতির হার বাড়ছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/টিআরএইচ