ব্যাংক থেকে টাকা তোলার হিড়িক

ঢাকা, শনিবার   ০৬ জুন ২০২০,   জ্যৈষ্ঠ ২৪ ১৪২৭,   ১৪ শাওয়াল ১৪৪১

Beximco LPG Gas

ব্যাংক থেকে টাকা তোলার হিড়িক

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৭:৫৬ ৯ এপ্রিল ২০২০   আপডেট: ১৯:৩৬ ৯ এপ্রিল ২০২০

সোনালী ব্যাংক, কমলগঞ্জ শাখা

সোনালী ব্যাংক, কমলগঞ্জ শাখা

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে গত কয়েকদিন ধরে বাণিজ্যিক ব্যাংক শাখাগুলো থেকে গ্রাককদের আপদকালীন টাকা তোলার হিড়িক পড়েছে। করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে হাট-বাজার বন্ধ থাকায় আগামীতে আরো সংকট হতে পারে এজন্য ব্যাংক থেকে টাকা তোলার পরিমাণ বেড়ে গেছে বলে জানা গেছে।

প্রতিদিনই ব্যাংকে টাকা জমার চেয়ে ২/৩ গুণ টাকা তুলছেন গ্রাহকরা। কমলগঞ্জের বেশ কয়েকটি ব্যাংকের শাখা ঘুরে এ চিত্র পাওয়া যায়। প্রথম দিকে কয়েকদিন সরকারিভাবে কমলগঞ্জ উপজেলা সদরের সোনালী ব্যাংক শাখা ব্যতীত সবগুলো ব্যাংকের শাখা বন্ধ ছিল। 

গত ৩১ মার্চ কমলগঞ্জ উপজেলা সদরের সোনালী ব্যাংক, রুপালী ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, শমশেরনগর সোনালী ব্যাংক ও পূবালী ব্যাংকের শাখা খোলা হয়। এরপর থেকে গ্রাহকরা নিরাপদ দূরত্বে থেকে ব্যাংক শাখাগুলোতে এসে নিজেদের হিসাব থেকে টাকা তোলেন। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন গ্রাহক জানান, সরকারি ছুটি বাড়তে পারে। কবে দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে তার কোনো হিসেব নেই। এমতাবস্থায় আগামীতে বিপদ-আপদ বেড়ে যেতে পারে। যদি সে সময়ে নিজের কাছে নগদ টাকা না থাকে তা হলে অভাব অনটনে পড়তে হবে। এজন্য আপদকালীন হিসেবে ব্যাংক শাখায় সামান্য টাকা রেখে বাকি টাকা তুলে নিচ্ছেন। 

পূবালী ব্যাংক শাখা ব্যবস্থাপক নুপুর বৈদ্য বলেন, গত ৬ দিনে তার শাখা থেকে গ্রাহকরা কমপক্ষে ৫ কোটির বেশি টাকা তুলেছেন। এর বিপরীতে জমার পরিমাণ খুবই সামান্য। 

সোনালী ব্যাংক শমশেরনগর শাখা ব্যবস্থাপক প্রিন্সিপাল অফিসার রিপন মজুমদার বলেন,  গত ৬ দিনে গ্রাহকরা রেমিটেন্স ও জমা টাকা মিলিয়ে প্রায় ৩ কোটি টাকার মত তুলেছেন। এর বিপরীতে জমা হয়েছে খুবই কম। 

সোনালী ব্যাংক, কৃষি ব্যাংক, রুপালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক ও অগ্রণী ব্যাংক কমলগঞ্জ উপজেলা সদর শাখা সূত্রে জানা যায়, এ সময়ে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় ও করোনাভাইরাস আতঙ্কে গ্রাহকদের উপস্থিতি কম থাকলেও যে সব গ্রাহক এসেছেন তারা আপদকালীন সময়ের জন্য প্রয়োজনীয় টাকা তুলে নিচ্ছেন। 

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে