Alexa ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করছে প্লে স্টোরের ১৩২৫ অ্যাপস

ঢাকা, সোমবার   ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯,   আশ্বিন ১ ১৪২৬,   ১৬ মুহররম ১৪৪১

Akash

ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করছে প্লে স্টোরের ১৩২৫ অ্যাপস

টেক ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১১:২৮ ১৫ জুলাই ২০১৯   আপডেট: ১১:৪৫ ১৫ জুলাই ২০১৯

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

অ্যানড্রয়েড মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন অথচ গুগল প্লে স্টোরের নাম শোনেননি এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া মুশকিল। নতুন অ্যান্ড্রয়েড ফোনে কিছু অ্যাপ আগে থেকেই ইনস্টল করা থাকে। তারপরও বিভিন্ন কাজে নতুন নতুন অ্যাপের প্রয়োজন পড়ে আমাদের। এর জন্য আছে গুগল প্লে স্টোর নামের একটি অ্যাপ। কী নেই সেখানে! রয়েছে গেম, ফটোশপ, সৌন্দর্য্য ও স্বাস্থ্য বিষয়কসহ বিভিন্ন ধরনের হাজারো অ্যাপ। সার্চ দিলেই অ্যাপস হাজির, সঙ্গে সঙ্গে ইনস্টল।  

কিন্তু এসব অ্যাপ আপনার ফোনের জন্য কতটুকু নিরাপদ, ভেবেছেন কি কখনো? স্মার্টফোন এখন ব্যক্তিগত গুরুত্বপূর্ণ তথ্যভাণ্ডার। চুরি হতে পারে আপনার এসব ব্যক্তিগত তথ্য। সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কিছু জনপ্রিয় অ্যাপসের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীদের তথ্য বেহাত করার প্রমাণ মিলেছে। সেগুলোর মধ্যে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের নামটিও রয়েছে।

এবার নতুন এক গবেষণায় গুগল প্লে স্টোরে এক হাজারেরও বেশি অ্যাপস পাওয়া গেছে যেগুলো স্মার্টফোন থেকে তথ্য সংগ্রহ করছে। যদিও ’এমনটা করা হয় না’ বলে থাকে তারা। 

মার্কিন প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল কম্পিউটার সায়েন্স ইনস্টিটিউট (আইসিএসআই) পরিচালিত এ গবেষণায় গুগল প্লে স্টোরের ৮৮ হাজার অ্যাপস পরীক্ষা করে দেখা হয়। সেখানে দেখা যায়, ১৩২৫টি অ্যাপই স্মার্টফোনের জন্য নিরাপদ নয়।  

গবেষণায় দেখা যায়, ইনস্টল করার সময় ব্যবহারকারীরা যে তথ্যগুলোতে অ্যাপের প্রবেশাধিকার দিচ্ছে না, ডিভাইস থেকে সেসব তথ্যও সংগ্রহ করছে তারা।

শুধু তাই নয়, ব্যবহারকারীর অনুমতির তোয়াক্কা না করেই এসব অ্যাপ ফোনের ‘লোকেশন’ এবং ‘হিস্ট্রি’-তে প্রবেশ করছে। নিয়মিতই এই কাজ করছে তারা। 

এসব অ্যাপসের মধ্যে রয়েছে হং কং ডিজনিল্যান্ড পার্ক, স্যামসাং হেলথ ও  স্যামসাং ব্রাউজারের মতো জনপ্রিয় কিছু অ্যাপ। যারা দীর্ঘক্ষণ স্মার্টফোনে সময় কাটান, তাদের ওপরই মূলত এই গবেষণা চালানো হয়।

আইসিএসআই-এর ব্যবহারযোগ্য নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা বিষয়ক গবেষণা পরিচালক সার্জ এজলম্যান বলেন, ‘মূলত, গ্রাহকদের খুব কম টুলস ও সংকেত দেয়া হয়, যেগুলোর মাধ্যমে তারা তাদের গোপনীয়তা নিয়ন্ত্রণ করতে এবং এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারে।’

‘অ্যাপ ডেভেলপাররা যদি সিস্টেমকে বোকা বানাতেই পারে সেক্ষেত্রে অনুমতির জন্য গ্রাহকদের জিজ্ঞাসা করা আপেক্ষিক অর্থে অর্থহীন,’বলেন তিনি।

ডেইলি বাংলাদেশ/নিশি