.ঢাকা, শনিবার   ২৩ মার্চ ২০১৯,   চৈত্র ৮ ১৪২৫,   ১৬ রজব ১৪৪০

বোরো ধান উৎপাদনের কৌশল নিয়ে কর্মশালা

সিকৃবি প্রতিনিধি

 প্রকাশিত: ১৯:৫০ ১২ জানুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ১৯:৫০ ১২ জানুয়ারি ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

শনিবার সুনামগঞ্জের পরমানু কৃষি গবেষণা ইনষ্টিটিউটে আকস্মিক বন্যা মোকাবিলা করে বোরো ধান উৎপাদনের কৌশল নিয়ে এক কর্মশালার আয়োজন করা হয়।  

বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা দীপক কুমার দাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালার মূল গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) প্রফেসর ড. মোঃ আশরাফুল ইসলাম।

প্রবন্ধে তিনি উল্লেখ করেন, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে আকস্মিক বন্যা বা পাহাড়ি ঢল জনিত বন্যা পূর্বের যে কোন সময়ের তুলনায় অনেক এগিয়ে এসেছে। এখন মার্চের শেষে বা এপ্রিলের প্রথম দিকে এ ধরনের বন্যা দেখা দেয়। তখন কৃষকরা বোরো ধানের আবাদ নিয়ে ব্যস্ত থাকে। ফলে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখিন হতে হয় কৃষকদের।    

সুতারাং এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে সম্ভাব্য বন্যার তারিখ ধরে জানুয়ারী মাসের ২য় সপ্তাহে স্বল্প মেয়াদী বিনা ধান-১৪ কিংবা ব্রিধান-২৮ রোপন করতে পারলে সহজেই আকস্মিক বন্যায় ফসল হানি এড়ানো সম্ভব বলে গবেষণায় উল্লেখ করা হয়।

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের PIU-BARC, NATP-2 এর আর্থিক সহযোগিতায় পরিচালিত এই গবেষণায় প্রাপ্ত ফলাফলের ভিক্তিতে অন্যান্য যে কৌশলের মাধ্যমে পাড়ারি ঢলের বন্যাকে মোবাবিলা করা যায় সেগুলো হলো উচুঁ জমিতে দীর্ঘমেয়াদী বিধ্রান-২৯, ব্রিধান-৮১, রোপন করা যায় কিংবা নীচু জমিতে ব্রিধান-২৮, কিংবা বিনা-১৪ রোপন করে মাত্র তিন মাসের মধ্যে ফষল ঘরে তোলা সম্ভব।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সুনামগঞ্জ জেলার কৃষি সম্প্রাসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বশির আহমেদ সরকার বলেন, এ ধরনের গবেষণা কার্যক্রম এ অঞ্চলের কৃষকরা খুবই উপকৃত হবেন। গবেষণা কার্যক্রমে সহযোগিতা করার জন্য কর্মশালায় ৩৫ জন কৃষককে সনদ প্রদান করা হয়।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমএইচ