Alexa বেড়েছে মুরগির দাম, সবজিতে স্বস্তি

ঢাকা, শুক্রবার   ২৩ আগস্ট ২০১৯,   ভাদ্র ৮ ১৪২৬,   ২১ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

Akash

বেড়েছে মুরগির দাম, সবজিতে স্বস্তি

 প্রকাশিত: ১৮:০১ ২৭ এপ্রিল ২০১৮   আপডেট: ০৯:৫১ ২৮ এপ্রিল ২০১৮

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

রমজানের আরো বেশ কয়েকদিন বাকি থাকলেও হঠাৎ করেই বেড়েছে মুরগির দাম। পবিত্র শব ই বরাতকে সামনে রেখে বেশখানিকটা বেড়েছে মুরগির চাহিদা। আর এর বিপরীতে সরবরাহ কম বলে দাবি বিক্রেতাদের। তাই অনায়েসে বেড়েছে ব্রয়লার ও দেশি মুরগির দাম। তবে সবজিতে আছে স্বস্তি।গত সপ্তাহের দরেই বিক্রি হচ্ছে বেশিরভাগ শাক-সবজি। পাশাপাশি মাংসের বাজারও স্থিতিশীল রয়েছে।

শুক্রবার রাজধানীর মোহাম্মদপুর টাউনহল কাঁচাবাজার, কৃষি মার্কেট, মহাখালি আর উত্তরার কয়েকটি বাজার ঘুরে পাওয়া গেছে এসব তথ্য।

নগরীর বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মাঝারি আকারের দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ৩৩০ টাকায়, দেশি(ছোট) ২২০/২৩০টাকায়। সোনালী মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২৫০টাকা, কক মুরগি (আকার অনুযায়ী) বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ৩৮০ টাকায়। ব্রয়লার মুরগি ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি।

মোহাম্মদপুর টাউনহলের মুরগী বিক্রেতা হামিদ বলেন, এখন মুরগির দাম একটু চড়া থাকবো। পাইকাররা মুরগি কম দিতাছে। আর গরুর মাংসের দাম বেশি দেইখ্যা মাইনষে এহন মুরগি বেশি কিনছে।

নগরীর বেশিরভাগ কাঁচাবাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, একমাত্র কাকরোল ছাড়া অন্য সবজি বিক্রি হচ্ছে আগের দামেই। সরবরাহ রয়েছে পর্যাপ্ত।

এদিকে গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫০০টাকা কেজিতে। যা গত সপ্তাহে বাজারভেদে ছিল ৪৮০ থেকে ৫০০ টাকা। খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৮০ থেকে ৮০০টাকা কেজি দরে।

মাছের মধ্যে ইলিশের দাম বেড়েছে। মাঝারি মানের একটি ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৯০০ থেকে ১০০০ টাকায়। অন্যান্য মাছের দাম মোটামুটি স্থিতিশীল।

মহাখালি কাঁচাবাজারে দেখা হয় ব্যাংক কর্মকর্তা শরীফুল হকের সঙ্গে। কথা হয় নিত্যপণ্যের হালচাল নিয়ে। তিনি বলেন, সবজি কেনা যাচ্ছে। কিন্তু মাংস-মুরগি তো আমাদের মত উপার্জনক্ষম মানুষের জন্য স্বাদ ও সাধ্যের বাইরে।

অন্যদিকে চালের বাজারে স্থিতিশীলতা বলে তেমন কিছু নেই। কখন বাড়ে কখন কমে তার হিসেব-নিকেষও বোধহয় এখন আর কেউ রাখেন না। দু’এক টাকা আর পাঁচ-দশ টাকার ওঠা-নামায় ভাটা পড়ে না প্রয়োজনীয়তায়। খেতে তো হবেই,কিনতেও হবে। তাই খোঁজ-খবর রেখে কি লাভ এমন ভাবনা অনেকের। চালের বাজারে কেজি প্রতি নাজিরশাইল (মান অনুযায়ী) চাল বিক্রি হচ্ছে ৬৫ টাকা থেকে ৭২ টাকা, ১ নম্বর মিনিকেট ৬৫ টাকা, সাধারণ মিনিকেট ৬২ টাকা, বিআর-২৮ চাল বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকায়। স্বর্ণা ও পারিজাত ৪৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে নগরীর বেশিরভাগ বাজারে।

চিনি, লবন ও সয়া্বিন তেল বিক্রি হচ্ছে আগের দামেই।

এদিকে, রমজান মাস উপলক্ষ্যে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) বাজার স্থিতিশীল রাখতে আগামী ৬ মে থেকে রাজধানীসহ সারাদেশে স্বল্প মূল্যে ভোজ্য তেল, চিনি, ডাল, ছোলা ও খেজুর বিক্রি করবে।

টিসিবির পরিচালক মো. রুহুল আমিন খান বলেন, রমজান মাস উপলক্ষ্যে এসব পণ্য বিক্রি ৬ মে থেকে শুরু হয়ে ঈদুল ফিতর পর্যন্ত চলবে। সারা দেশে ২ হাজার ৭৮৪ জন ডিলার এবং ১৮৭টি ট্রাকের মাধ্যমে বিক্রি হবে টিসিবি’র পণ্য।

ডেইলি বাংলাদেশ/এসএস/এলকে

Best Electronics
Best Electronics