বেসরকারি শিক্ষকদের জন্য বাজেটে সুখবর

ঢাকা, সোমবার   ২৪ জুন ২০১৯,   আষাঢ় ১২ ১৪২৬,   ১৯ শাওয়াল ১৪৪০

বেসরকারি শিক্ষকদের জন্য বাজেটে সুখবর

নিউজ ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৬:৪৮ ১৩ জুন ২০১৯   আপডেট: ১৬:৫২ ১৩ জুন ২০১৯

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

নতুন বাজেটে বেসরকারি শিক্ষকদের জন্য থাকছে সুখবর। প্রায় ৯ বছরের জট শেষে আড়াই হাজারের বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করতে বাজেটে আলাদা বরাদ্দ রেখেছে সরকার। এর মধ্যে ১ হাজার ৫০০টির মতো প্রতিষ্ঠান মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের। বাকি ৫০০টির মতো প্রতিষ্ঠান মাদরাসা। বাকিগুলো কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এ জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে (২০১৯-২০) বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করতে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছিল। কিন্তু অর্থবছর শেষ হতে চললেও এ টাকা খরচ হয়নি। রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকায় এবার আর খরচ না হওয়ার আশঙ্কা নেই বলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা ধরে নিচ্ছেন।

শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও মানবসম্পদ উন্নয়ন সংক্রান্ত অংশের বাজেট বক্তৃতার শুরুতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জন্য একটি সুসংবাদ দিয়ে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর আমি প্রথমে আলোকপাত করতে চাই। দীর্ঘদিন আমাদের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে নানাবিধ কারণে এমপিওভুক্তি কার্যক্রমটি বন্ধ ছিল। এবারে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা এমপিওভুক্তি কার্যক্রমের জন্য এ বাজেটে প্রয়োজনীয় অর্থের জোগান রাখা হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্রমতে, খুব শিগগির নতুন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ঘোষণা দেয়া হবে। ঘোষণা দেরিতে হলেও নতুন এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা আগামী ১ জুলাই থেকেই বেতন-ভাতা পেতে পারেন।

জানা গেছে, বর্তমানে সারা দেশে এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রায় ২৮ হাজার। এর প্রায় পাঁচ লাখ শিক্ষক-কর্মচারীর বেতন-ভাতায় মাসে খরচ হয় ১ হাজার কোটি টাকা। এর বাইরে স্বীকৃতি পাওয়া ননএমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে সাড়ে পাঁচ হাজারের মতো। এগুলোতে শিক্ষক-কর্মচারী ৭৫ থেকে ৮০ হাজার। স্বীকৃতির বাইরেও কয়েক হাজার ননএমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে।

সর্বশেষ ২০১০ সালে ১ হাজার ৬২৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়। এরপরই এমপিওভুক্তির দাবিতে ননএমপিওভুক্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা আন্দোলন করে আসছেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/এস