বেতন ও বোনাসের জন্য নৈশপ্রহরীকে হত্যা

ঢাকা, মঙ্গলবার   ১৮ জুন ২০১৯,   আষাঢ় ৪ ১৪২৬,   ১৩ শাওয়াল ১৪৪০

বেতন ও বোনাসের জন্য নৈশপ্রহরীকে হত্যা

ফেনী প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২৩:৫১ ১২ জুন ২০১৯  

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

ফেনী সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নৈশপ্রহরী সফি উল্যাহকে ঈদের বেতন ও বোনাসের টাকার জন্য হত্যা করা হয়েছে। এ সময় বাসা থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করা হয়।

বুধবার বিকেলে ফেনীর অতিরিক্ত মূখ্য বিচারিক হাকিম তাওহিদুল হকের আদালতে ১৬৪ ধারায় এ  স্বীকারোক্তি দেয় দুই কিশোর। তারা হলো- মো. রনি ও মো. ইয়াছিন সাকিব কাজী। তাদের বাড়ি বাগেরহাটের মোড়লগ উপজেলার পঞ্চকরণ ও সুনিজর গ্রামে।

ফেনী সদর মডেল থানার এসআই মো. মাঈন উদ্দিন ভূঁইয়া জানান, তদন্ত শেষে সোমবার রাতে কিশোর মেহেদী হাসান রাব্বী ও মঙ্গলবার রাতে সোহেল হাওলাদার তার ভাই মো. রনি, মো. ইয়াছিন সাকিব কাজীকে গ্রেফতার করা হয়।

সাকিব আদালতকে জানায়, হত্যাকাণ্ডের খবর আগে থেকে জানতো না সে। বন্ধু রনি ওই দিন সন্ধ্যায় কাজের কথা বলে ডেকে নেয়। সেখানে রনির বড় ভাই সোহেল হাওলাদার ও রাব্বিকে দেখতে পায়। সে নৈশপ্রহরীর ঘরের বাইরে পাহারার দায়িত্বে ছিল। তারা তিনজন নৈশপ্রহরীর ঘরে ঢুকে। খুনের পর তারা তার বেতন-বোনাসের টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে চলে যায়। ঘটনা শেষে সাকিবকে সোহেলের ভাই রনি ১০ হাজার টাকা দেয় এবং সফি উল্যার মোবাইল ফোনটি বিক্রি করতে দেয়। স্বর্ণ বিক্রির টাকার ভাগ পরে দিবে বলে জানায়।

ফেনী সদর মডেল থানার ওসি (তদন্ত) সাজেদুল ইসলাম পলাশ জানান, সফি উল্যা হত্যায় বুধবারসহ তিন আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি দিয়েছে। জবানবন্দি শেষে দুই কিশোরকে জাতীয় কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। অপর আসামি সোহেল হাওলাদারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়েছে।

৩০ মে রাতে শহরের গাজী ক্রসরোড এলাকায় সফি উল্যাহকে হাত-পা ও মুখ বেঁধে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। পরদিন নিহতের ছেলে বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামির একটি হত্যা মামলা করেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ