Alexa বুলবুল-লিটনের কোলাকুলিতে উচ্ছ্বসিত ভোটাররা

ঢাকা, শনিবার   ১৮ জানুয়ারি ২০২০,   মাঘ ৪ ১৪২৬,   ২২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১

Akash

বুলবুল-লিটনের কোলাকুলিতে উচ্ছ্বসিত ভোটাররা

 প্রকাশিত: ১৭:৩৭ ১৮ জুলাই ২০১৮   আপডেট: ১৭:৩৭ ১৮ জুলাই ২০১৮

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ভোটের মাঠে তারা একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী। দলীয় মতাদর্শেও তাই। তবে সম্প্রীতির জায়গায় রয়েছে ব্যাপক মিল। দুজনই উদার। তাদের উদারতায় নগরী হয়েছে উঠেছে প্রাণচঞ্চল। সাধারণ ভোটাররা হয়েছে উচ্ছ্বসিত। রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে এ এক অনন্য নজির।

বুধবার দুই মেয়র প্রার্থী আওয়ামী লীগ মনোনীত খায়রুজ্জামান লিটন ও বিএনপি মনোনীত মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের কোলাকুলিতে এ নজির স্থাপন হলো।

দুপুরে রাজশাহী কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড মিলনায়তনে মতবিনিময় সভায় একে অপরকে বুকে জড়িয়ে নেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাজশাহী কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড মিলনায়তনে আয়োজিত রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন-২০১৮ প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। সভায় নির্বাচন কমিশনার শাহাদত হোসেন চৌধুরী, নির্বাচন কমিশন সচিব, ডিসি ও মহানগর পুলিশ কমিশনারসহ নির্বাচনের সব মেয়র, কাউন্সিলর ও নারী কাউন্সিলর প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। সভার শেষের দিকে বিএনপির প্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল বক্তব্য রাখেন। বুলবুল তার বক্তব্যে নির্বাচন কমিশানের কাছে তার প্রত্যাশা তুলে ধরেন। এরপরই বক্তব্য দিতে মঞ্চে ওঠেন আওয়ামী লীগের মনোনীত মেয়র প্রার্থী এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন।

এ সময় খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভোটাদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্বীপনার সৃষ্টি হয়েছে। নির্বাচনের শেষ দিন পর্যন্ত এমন পরিবেশ আমরা রাখতে চাই।

সাত মিনিটের বক্তব্য শেষ করে মঞ্চের সামনে প্রার্থীদের বসে থাকার নির্ধারিত স্থানে এসে সেখানে বসে থাকা বিএনপির প্রার্থী বুলবুলের সঙ্গে হাত মেলান, বুকে জড়িয়ে ধরে কোলাকুলি করেন।

এরপর বুলবুল ও নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল হক মিলনের মাঝে শোফায় বসে যান খায়রুজ্জামান লিটন। এ সময় বুলবুলের পাশে বসে ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাবেক মেয়র মিজানুর হমান মিনু। অনন্য এ দৃশ্য দেখে হাততালি দেন উপস্থিত অন্যান্য মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা।

পরে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি নির্বাচন কমিশনার শাহাদত হোসেন চৌধুরী, বিশেষ অতিথি নির্বাচন কমিশনারের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ ও রাজশাহী পুলিশ কমিশনার একেএম হাফিজ আক্তার নিজ নিজ বক্তব্য দেয়ার সময় এ দুই প্রার্থীর প্রশংসা করেন। এ সময় তারা সব প্রার্থীদের নির্বাচন চলাকালীন ও নির্বাচন পরবর্তী সময়েও এমন সৌর্হাদ্যপূর্ণ ও সম্প্রীতির সম্পর্ক রাখার আহ্বান জানান।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরআর