বুদ্ধি প্রতিবন্ধী মেয়েকে ফুসলিয়ে কাঁশবনে নিয়ে ধর্ষণ  

ঢাকা, বুধবার   ১৯ জুন ২০১৯,   আষাঢ় ৭ ১৪২৬,   ১৪ শাওয়াল ১৪৪০

বুদ্ধি প্রতিবন্ধী মেয়েকে ফুসলিয়ে কাঁশবনে নিয়ে ধর্ষণ  

নিউজ ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ০৬:৩৬ ১১ জুন ২০১৯   আপডেট: ০৮:২৪ ১১ জুন ২০১৯

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের কৈজুরি ইউপির জয়পুরা গ্রামে এক বুদ্ধি প্রতিবন্ধী মেয়েকে ফুসলিয়ে কাঁশবনে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।

অভিযুক্ত কলেজছাত্র আব্দুল মমিন মুন্না একই গ্রামের আমিরুল ইসলামের ছেলে।

এ ঘটনায় রোববার দুপুরে ধর্ষিতার বাবা শাহজাদপুর থানায় আব্দুল মমিনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন। এ দিনই আদালতের নির্দেশে ধর্ষিতার মেডিকেল পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে।

ভুক্তভোগীর মা জানান, গত ৭ জুন বিকেলে বাড়ির পাশের যমুনা নদীর ধারের চরা থেকে রত্মা ছাগল আনতে যায়। সেখানে আগে থেকে উপস্থিত মমিন তাকে ফুসলিয়ে পাশের কাঁশবনে নিয়ে  ধর্ষণ করে। বাড়ি ফিরতে দেরি দেখে নির্যাতিতার দাদি ফজিলা খাতুন ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে বিবস্ত্র অবস্থায় উদ্ধার করে বাড়ি নিয়ে যান।

অপরদিকে লম্পট মমিন তার আগমন টের পেয়ে বিবস্ত্র অবস্থায় দৌড়ে পালিয়ে যায়। ওই রাতেই বিষয়টি গ্রাম প্রধানদের জানালে তারা সালিশ বৈঠকের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়।

ফলে নিরুপায় হয়ে তারা থানায় মামলা করে। এ ঘটনার পর থেকে মমিন ও তার বাবা মা পলাতক রয়েছে। 

এ ব্যাপারে মমিনের ফুপু নাহার খাতুন ও চাচা খালিদ হাসান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমরা কিছু টাকা পয়সা দিয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের মাধ্যমে বিষয়টি মিমাংসার চেষ্টা করছি। আশা করি ২-৩ দিনের মধ্যে এটা নিষ্পত্তি হয়ে যাবে।

এ ব্যাপারে কৈজুরি ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম বলেন, আসামি পক্ষ আমার কাছে এসেছিল। কিন্তু বাদী পক্ষ আসেনি। উভয়পক্ষ সালিশ বৈঠকে বসতে সম্মত হলে তাদের নিয়ে বসা হবে। এতে সমাধান না হলে আইন অনুযায়ী বিচার হবে।

শাহজাদপুর থানার ওসি আতাউর রহমান বলেন, মামলার তদন্ত চলছে। আসামিকে গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আশা করি অল্প সময়ের মধ্যে ধর্ষককে গ্রেফতার করা সম্ভব হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ