Alexa বিস্তৃত হচ্ছে কেসিসির সেবার পরিধি

ঢাকা, শুক্রবার   ২২ নভেম্বর ২০১৯,   অগ্রহায়ণ ৭ ১৪২৬,   ২৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

Akash

বিস্তৃত হচ্ছে কেসিসির সেবার পরিধি

শরীফা খাতুন শিউলী, খুলনা ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১২:৫১ ২৩ অক্টোবর ২০১৯   আপডেট: ১২:৫৫ ২৩ অক্টোবর ২০১৯

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) ২৪টি ওয়ার্ড অফিস ও কাউন্সিলরের কার্যালয় জরাজীর্ণ। এছাড়া অনেক কার্যালয় ভাড়ায় চলছে। এতে স্বাভাবিক নাগরিক সেবা দিতে হিমশিমে রয়েছে ২৪টি ওয়ার্ড কর্তৃপক্ষ। তবে সব ওয়ার্ডে নতুন ভবন ও ভবন সম্প্রসারণ করা হবে। এর মধ্যে কয়েকটি ওয়ার্ডে কমিউনিটি সেন্টার যুক্ত করা হবে। এজন্য ১৮৩ কোটি টাকার একটি প্রকল্প স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে কেসিসি। এরইমধ্যে মন্ত্রণালয় থেকে প্রকল্পটির অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

ওয়ার্ড অফিস থেকে কেসিসির বাসিন্দাদের নাগরিক সনদ, ওয়ারেশ কায়েম সার্টিফিকেট, জন্ম সনদ, মৃত্যু সনদ, বিধবা ও অবিবাহিত সনদ, কুকুর কামড়ের টিকার প্রত্যায়নপত্রসহ ১৭ ধরনের সনদ ইস্যু করা হয়। এ সব সেবা নিতে প্রতিদিন ওয়ার্ডের মানুষকে ওয়ার্ড অফিস বা কাউন্সিলরের কার্যালয়ে যেতে হয়। কিন্তু দেড় যুগেরও বেশি সময় আগে নির্মাণ করা অধিকাংশ ওয়ার্ড অফিসগুলোর অবস্থা জরাজীর্ণ। এছাড়া ২, ৩, ১৩, ১৫, ১৮ ও ২২ নম্বর ওয়ার্ডে কেসিসির নিজস্ব কার্যালয় নেই।

কেসিসির পরিকল্পনা বিভাগের তথ্যানুযায়ী, ২৪টি ওয়ার্ডে নতুন করে ভবন নির্মাণ করা হবে। এর মধ্যে ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৯, ১০, ১১, ১২, ১৪, ১৫, ১৭, ১৮, ২০, ২১ ও ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে পাঁচতলা ফাউন্ডেশনের ওপর দুইতলা ভবন নির্মাণ করা হবে। পাঁচতলা ফাউন্ডেশনের ওপর তিনতলা ভবন হবে ১৩, ১৯ ও ২২ নম্বর ওয়ার্ডে। নগরীর ১৬, ২৩ ও ২৭ নম্বর ওয়ার্ডে হবে চারতলা ভবন। এছাড়া ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ করা হবে ৮, ২৪, ২৫, ২৬, ২৮, ২৯ ও ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের অফিস।

কেসিসির প্রধান পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবির-উল জব্বার জানান, কেসিসির উন্নত নাগরিক সেবা প্রদানের লক্ষ্যে ওয়ার্ড অফিস কাম কমিউনিটি সেন্টার নির্মাণ’ নামের প্রকল্পটি গত সপ্তাহে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় ২৪টি ওয়ার্ডে নতুন ভবন, সাতটি ওয়ার্ডে পুরাতন ভবন সম্প্রসারণ, নগর ভবনের সপ্তম ও অষ্টমতলা নির্মাণ করা হবে।

তিনি আরো জানান, ১, ৩, ৭, ১৫, ১৭, ১৮, ২০, ২১, ২৬, ২৭ এবং ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের কার্যালয় নির্মাণ করতে এক দশমিক ১৩ একর জমি অধিগ্রহণ করতে হবে। এজন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৩০ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে এ প্রকল্পে ১৮৩ কোটি টাকা ব্যয় হবে। প্রতিটি ভবনে সাধারণ ও সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলরের নিজস্ব কার্যালয় থাকবে। এছাড়া ৩, ৪, ৯,১০, ১৩, ১৬, ১৯, ২২, ২৩, ২৭ ও ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে অফিস ভবনের সঙ্গে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত কমিউনিটি সেন্টার থাকবে।

কেসিসির ১৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও কেসিসির প্যানেল মেয়র আমিনুল ইসলাম মুন্না জানান, এক যুগেরও বেশি সময় ধরে দোকান ভাড়া করে ওয়ার্ড অফিস চালিয়েছি। এতে নগরবাসীসহ ওয়ার্ড স্টাফদের কষ্ট হয়েছে। নিজস্ব ভবন ও কমিউনিটি সেন্টার হলে এ কষ্ট লাঘব হবে।

 কেসিসি মেয়র তালুকদার আবদুল খালেক বলেন, অধিকাংশ নাগরিক সেবা ওয়ার্ড অফিস থেকে দেয়া হয়। কিন্তু ওয়ার্ড অফিসগুলো রয়েছে ভঙ্গুর। অনেক ওয়ার্ডে অফিস নেই। এজন্য প্রতিটি ওয়ার্ডে নতুন ভবন করা হবে। এতে নাগরিক সেবা সহজ হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ