Exim Bank Ltd.
ঢাকা, শুক্রবার ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮, ৬ আশ্বিন ১৪২৫

বিশ্ব পরিযায়ী পাখি দিবস: বাংলাদেশের বিস্ময়কর অর্জন

পরিযায়ী পাখিদের অভয় আশ্রমে বাংলাদেশের সফলতা অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এই প্রেক্ষিতে এবারে ১২ ও ১৩ মে বিশ্ব পরিযায়ী পাখি দিবস বা ওয়ার্ল্ড মাইগ্রেনড বার্ড ডে (ডাব্লিউ এম বি ডি) আমাদের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। এবারের প্রতিপাদ্য, ‘আসুন পাখি সংরক্ষণে সকলে এক সাথে কাজ করি’। দিবসটি আমাদের জন্য খুব প্রাসঙ্গিকও বটে।

অর্জন-১ ইউনিসেফ ও অন্যান্য সংস্থার উদ্যোগে ২০০৬ সাল থেকে প্রতি বছরই সারা বিশ্বে ৯ থেকে ১০ মে পরিযায়ী পাখি দিবস পালন করছে। ২০১৫ সালেও ৯-১০ মে উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপে সাথে সঙ্গতি রেখে বাংলাদেশে বিশ্ব পরিযায়ী পাখি দিবস পালন করত আমাদের পাখিবিদরা। ২০১৬ সালে এসে ইউনেস্কসহ বেশকিছু আন্তর্জাতিক সংস্থা ১০ ও ১১ মে দিন দুইটিকে নির্ধারণ করে।

কিন্তু আমাদের দেশের মূলত শীতকালে পরিযায়ী পাখি আসে। মে মাসে খুব একটা আসে না। এই প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের বিশেষজ্ঞ ওই বছর পরিযায়ী পাখি ও পরিবেশ-সংক্রান্ত বিশ্বের নানা সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করে ২০১৬ সাল থেকে ১৮ অক্টোবর দিনটি পালনের প্রস্তাব দেয়। এ প্রস্তাবে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও মণিপুরের পরিবেশবাদীদের সমর্থন করে।

প্রকৌশলী ও পরিবেশকর্মী ম. ইনামুল হক জানান, আমাদের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে ইউনেসেফ এবারই প্রথম বছরে দুই দিন প্রচারণা ধার্য করেছে। ইউনিসেফ ও অন্যান্য সংস্থার মনেকরে, ১০ মের কাছাকাছি সময়ে বিশ্বের সবচেয়ে ঘন উড়াল পথটি দিয়েই পরিয়ায়ী পাখির যাতায়াত করে। মে মাসের দ্বিতীয় শনিবার অর্থাৎ ১২ -১৩ মে কার্যক্রম হাতে নেওয়া যেতে পারে।

গত ২৬ অক্টোবর ২০১৭ ইউনেসেফ সিদ্ধান্ত নেয়, বছরের যেকোনো সময়ে অর্থাৎ যে সময়ে যে এলাকায় পরিয়ায়ী পাখি আসে তখন কার্যক্রম হাতে নেওয়া যেতে পারে। এবছরে দুই দিন প্রচারণা ধার্য করার বিষয়টি ছাড়াও বিশেষত্ব হচ্ছে, সারা বিশ্ব একযোগে সেলিব্রেট করবে দুনিয়ার প্রাকৃতিক অতি সুন্দর বিশ্ব পরিযায়ী পাখি দিবস বা ওয়ার্ল্ড মাইগ্রেনড বার্ড ডে। এই বছরের প্রচারণায় বিশ্বায়নে নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে। এই অর্জনের অন্যতম অংশীদার বাংলাদেশ।

অর্জন-২ গত এক যুগ ধরে পরিযায়ী পাখি গবেষণায় বাংলাদেশ অনেক সফল হয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন অব কনজারভেশন ফর নেচার (আইইউসিএন) ও বাংলাদেশ বার্ড ক্লাবের শুমারির তথ্য মতে গত পাঁচ বছর দেশে পরিযায়ী পাখির সংখ্যা গড়ে ৮৫ হাজার বাড়ছে। পরিযায়ী পাখি শুমারির তত্ত্বাবধায়ক ইনাম আল হক জানায়, টাঙ্গুয়ার হাওর, দোমার চর, হাকালুকি হাওর, বাইক্কা বিল ও সোনাদিয়া দ্বীপে জানুয়ারি থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত পাখি থাকে। আমাদের দেশে ৭৩৬ প্রজাতির পাখি আনাগোনা করে থাকে। বাংলাদেশে প্রায় ২৫০-৩০০ প্রজাতির পরিযায়ী পাখি আছে। এর মধ্যে প্রায় ২১০টি শীতকালীন অতিথি পাখি এবং অবশিষ্ট পাখি বছরের অন্য সময় বিশেষ করে গ্রীষ্মকালে আমাদের দেশে এসে থাকে।

আইইউসিএন ও বাংলাদেশ বার্ড ক্লাবের শুমারি অনুযায়ী ২০১৫ সালে ১ লাখ ১২ হাজার পরিযায়ী পাখি পাওয়া গেছে। ২০১৪ সালে পরিযায়ী পাখির সংখ্যা ছিল প্রায় ৮৫ হাজার। ২০১৩ সালে প্রায় ৮০ হাজার।

আইইউসিএন তথ্য মতে, টাঙ্গুয়ার ও হাকালুকি হাওর এলাকায় পাখি আসা বেড়েছে। একসময়ে পরিযায়ী পাখির অন্যতম আবাসস্থল বাইক্কার বিলে কমে গেছে। ২০১০ সাল পর্যন্ত দেশে পরিযায়ী পাখির অন্যতম আবাসস্থল ছিল মৌলভীবাজারের বাইক্কার বিল। ২০১১ সালে ওই বিলে মাছ ধরার নামে জীববৈচিত্র্য ও পাখির আবাসস্থল ধ্বংস করা হয়। এ বছর বাইক্কার বিলে মাত্র ৪১৯টি পাখি দেখা গেছে।বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ ড. আলী রেজা খানের মতে টাঙ্গুয়ার হাওর পরিযায়ী পাখির জন্য সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য স্থান। এই জলাশয়টিকে জাতিসংঘের রামসার কর্তৃপক্ষ বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জীববৈচিত্র্যপূর্ণ জলাভূমি হিসেবে ২০০০ সালে স্বীকৃতি দিয়েছে। এর পর থেকে পরিযায়ী পাখির সংখ্যা বেড়েছে। ২০০২-২০০৫ সাল পর্যন্ত পরিযায়ী পাখির সংখ্যা ছিল ১ লাখ।

অতিথি পাখির মধ্যে উল্লখযোগ্য রাজহাঁস, দাগী রাজহাঁস, রাজ সরালি, পাতি সরালি, মান্দারিন হাঁস,পাতি কুট, লালঝুঁটি ভূতিহাঁস, মরচে রং ভূতিহাঁস, ধুলজিরিয়া, বড় ধুলজিরিয়া, কালা লেজ জৌরালি, চকাচকি, লেঞ্জা হাঁস, খুন্তে হাঁস, বালি হাঁস, তিলি হাঁস, লালশির, নীলশির, গিরিয়া হাঁস, পিয়ং হাঁস, ভূতি হাঁস, স্মিউ হাঁস, পাতি মারগেঞ্জার, শুমচা, পাপিয়া, খঞ্জন, ফুটকি, সাহেলি, চ্যাগা, গুলিন্দা, সারস, গ্রিধিনি, মানিক জোড়, এশিয় শামখোল, নীলকণ্ঠ, বৌরী, বাটান, চামচ ঠুঁটো বাটান ও বিভিন্ন জাতের সৈকত পাখি ইত্যাদি। এ ছাড়া এখানে বিশ্বব্যাপী সংকটাপন্ন নয়টি চামচ ঠুঁটো বাটানেরও দেখা মিলেছে। দেখা পাওয়া গেছে বিশ্বজুড়ে বিপন্ন ছয়টি নর্ডম্যান সবুজ পা।

অর্জন – ৩ বিশ্বে যেখানে পাখির প্রতি সহিংসতা বাড়ছে সেখানে বাংলাদেশে বেক্তি পর্যায়ে অসাধারণ উদ্যোগের কথা জানা যায়।বাউবি’র চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কেন্দ্রের মতো কিছু ছোট যা পরবর্তিতে বড় উদ্যোগে পরিণত হয়েছে।

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার উত্তর পাড়ার তরুণ আহমদ উল্লাহ, পাখির সংখ্যা বৃদ্ধির জন্যে বিপ্লব শুরু করেছেন। গ্রামের তরুণদের সংগঠিত করে তিনি পাখি রক্ষায় ব্যাপক কাজ করে যাচ্ছেন। নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার কুঞ্জবন এলাকার মনসুর সরকার তার এলাকায় পাখি শিকার,পাখি ধরা, পাখি খাওয়া নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন। গ্রামের মানুষ তাঁর এ নিষেধাজ্ঞা মেনে চলছেন।

যশোরের নাভারণ উপজেলার চন্দরপোল গ্রামের তোতা মিয়া পাখির সাথে সখ্য সৃষ্টিই করে সকলকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। তার গ্রামের লোকেরা দেখছেন, তাঁর ডাকে সাড়া দিয়ে প্রতিদিন কিভাবে হাজার হাজার পাখি চলে আসে। অন্যরা ডাকলে আসে না। রাজবাড়ি শহরের আব্দুল্লাহ স্বপন স্বীকৃতি পেয়েছেন পাখিবন্ধু হিসেবে। আহত, রুগ্ণ পাখি ধরে এনে এদের সুচিকিৎসা দিয়ে তিনি চিকিৎসা দেন, সুস্থ হলে বনে নিয়ে ছেড়ে দেন। গত সাত বছর ধরে তিনি এ কাজ করছেন।

উপরোক্ত উদ্যোগগুলো খালি চোখে ছোট মনে হলেও মানুষের উপকারী বন্ধু পাখিদের রক্ষায় খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট এলাকাসমূহে পাখির প্রতি এখন আর কেউ নির্দয় আচরণ করে না। এ ধরণের উদ্যোগ সারা দেশে ছড়িয়ে দেবার লক্ষ্যে, সকল সচেতন মানুষ, সংগঠন ও সরকারকে একযোগে কাজ করতে হবে। তাহলেই বন্ধ হবে পাখির প্রতি সহিংসতা।

অর্জন-৪ সরকার, বিভিন্ন সংগঠন ও কিছু ব্যক্তির উদ্যোগের ফলে আমাদের দেশে পাখি বিষয়ে সচেতনতা পূর্বের চেয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে পাখির আগমন ও সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইতোমধ্যেই দেশের কয়েকটি হাওর ও বিল এলাকা, পাখির প্রজাতি ও সংখ্যাধিক্যের কারণে Rasmar Site ev Important Birds Area (IBA) হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে।

বাংলাদেশ ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১১ সালে EAAFP (East Asia Australasian Flayway Partnership) এর সদস্য হয়েছে এবং ৫টি এলাকাকে Flayway Site ঘোষণা করেছে এর মধ্যে টাংগুয়ার হাওর, হাকালুকি হাওর, হাইল হাওর, সোনাদিয়া ও নিঝুম দ্বীপ। এ সকল এলাকায় বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত স্ট্রেংদেনিং রিজিওনাল কো-অপারেশন ফর ওয়ার্ল্ডলাইফ প্রটেকশন প্রকল্পের আওতায় বনবিভাগ,এনজিও,বিশ্ববিদ্যালয় যৌথভাবে একাধিক কার্যক্রম গ্রহণ করেছে।

পাখিসমৃদ্ধ এলাকা ও পাখিপ্রেমী ব্যক্তিদেরকে উত্সাহিত করার জন্য Bangabandhu Award for Wildlife Conservation প্রদান করা হচ্ছে। পাখিসমৃদ্ধ এলাকাকে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় Ecological Critical Area ঘোষণা করেছে।

এছাড়াও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনের প্রয়োগ বেড়েছে। ইতোমধ্যে সারাদেশে অপরাধ দমন ইউনিট গঠন করা হয়েছে এবং গত বছরে প্রায় ৭৫০০ পাখি উদ্ধার করে প্রকৃতিতে অবমুক্ত করা হয়েছে বলে বন অধিদপ্তরের সুত্র থেকে জানা যায়।

অর্জন-৫ বিশ্বের অসংখ্য দেশের মধ্যে পরিযায়ী পাখিদের জন্য সুন্দর এক আবাসস্থল হচ্ছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি নদ-নদী, হাওর-বাঁওড়, বিল-ঝিলে এইসব পাখিদের প্রচুর বিচরণ লক্ষ করা যায়। সংশ্লিষ্টদের মত পরিযায়ী পাখির উপস্থিতি আমাদের দেশের পরিবেশ ও পর্যটন শিল্পকে প্রসারিত করছে।

কেননা এরা স্বল্পকালের জন্য হলেও আমাদের প্রকৃতিতে একটা চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে সার্বিক পরিবেশকে নতুন রূপদান করে। পাখির সৌন্দর্য, কলতান, পাখা মেলে উড়ে বেড়ানো আদিকাল থেকেই মানুষকে নানাভাবে অনুপ্রাণিত করে আসছে।

পরিবেশ পর্যটনের জন্য বাংলাদেশের যে কয়টি স্থানে পরিযায়ী পাখির সমাগম ঘটে সে সব স্থানে পর্যটকের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাছে। পরিযায়ী পাখির আবাসস্থল ও জলাভূমির মধ্যে অন্যতম আরেকটি হচ্ছে বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের বাইক্কা বিল। এশিয়ার বৃহত্তম হাওর হাকালুকি পরিযায়ী পাখির এক নম্বর আবাসস্থল। এছাড়াওহাইল, টাঙ্গুয়া, হাকালুকি হাওর, বাইককার বিল, সোনাদিয়া, নিঝুম দ্বীপ, নীলফামারী জেলার নীলসাগর, ঢাকার মিরপুরের চিড়িয়াখানা ও জাতীয় উদ্যান, মিরপুর সিরামিক লেক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের জলাশয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, পুটিয়ার পচামাড়িয়া, সুনামগঞ্জ জেলার টাঙ্গুয়ার হাওর, দিনাজপুরের রামসাগর, বরিশালের দুর্গাসাগর ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

প্রকৃতি ও পরিবেশ ধ্বংসে আজ উন্মত্ত পৃথিবী। বাংলাদেশের পাখি বিশেষজ্ঞ ইনাম-উল হক বলেন, সারা পৃথিবীতে কোনো গবেষণায় জানা যায়নি যে, পাখি মানুষের ক্ষতি করে। বরং নানাভাবে এরা মানুষের উপকার করে। পাখিরা ক্ষতিকর পোকামাকড় খেয়ে কৃষকের ফসল রক্ষা করে, পানির অসুস্থ ও দূর্বল মাছ খেয়ে অন্যান্য সবল মাছ ও জলজ উদ্ভিদকে রক্ষা করে, ইঁদুর খেয়ে কৃষকের উপকার করে। পাখির বিষ্টা হাওর, বাওর ও বিলের মাটিতে মিশে ওই মাটি ফসফরাস ও ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ হয়। ফলে মাটির উর্বরাশক্তি বেড়ে যায় কয়েকগুণ।এক কথায় পাখিকে বলা হয় প্রকৃতির অলংকার। পরিযায়ী পাখি হচ্ছে জীব বৈচিত্রের দূত।পরিবেশ বজায় রাখতে পরিযায়ী পখিদের গুরুত্ব অপরিসীম। ক্ষতিকর পোকামাকড় দমন এবং এদের বিষ্ঠার মাধ্যমে মাটির উর্বরতা বাড়ে। তাই এদের সংরক্ষণ করা জরুরি।

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। এর দায় ভার পুরোপুরি লেখকের। ডেইলি বাংলাদেশ-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)

লেখক: সাংবাদিক

আরোও পড়ুন
সর্বাধিক পঠিত
শিস দিয়েই দুই বাংলার তারকা জামালপুরের অবন্তী
শিস দিয়েই দুই বাংলার তারকা জামালপুরের অবন্তী
সুজির মালাই পিঠা
সুজির মালাই পিঠা
আশুরার রোজা: নিয়ম ও ফজিলত
আশুরার রোজা: নিয়ম ও ফজিলত
তরুণীদের বেডরুমে নেয়ার পর হত্যা করাই কাজ
তরুণীদের বেডরুমে নেয়ার পর হত্যা করাই কাজ
সূরা আল নাস এর গুরুত্ব ও ফজিলত
সূরা আল নাস এর গুরুত্ব ও ফজিলত
অবন্তী সিঁথির জয়জয়কার
অবন্তী সিঁথির জয়জয়কার
যদি তুমি রুখে দাঁড়াও তবেই তুমি বাংলাদেশ!
যদি তুমি রুখে দাঁড়াও তবেই তুমি বাংলাদেশ!
রাতে ফেসবুক বন্ধ চান রওশন
রাতে ফেসবুক বন্ধ চান রওশন
যৌনতায় ঠাসা ৫টি সিনেমা
যৌনতায় ঠাসা ৫টি সিনেমা
মিলনে ‘অপটু’ ট্রাম্প, বোমা ফাটালেন এই পর্নো তারকা!
মিলনে ‘অপটু’ ট্রাম্প, বোমা ফাটালেন এই পর্নো তারকা!
‘তারেকের তিন গাড়ি, আমার বোন চলে বাসে’
‘তারেকের তিন গাড়ি, আমার বোন চলে বাসে’
উচ্চতা বাড়ায় যেসব খাবার
উচ্চতা বাড়ায় যেসব খাবার
নিককে প্রকাশ্যে চুমু খেলেন প্রিয়াঙ্কা
নিককে প্রকাশ্যে চুমু খেলেন প্রিয়াঙ্কা
বিয়ে ছাড়াই মা হলেন জিৎ-এর প্রেমিকা!
বিয়ে ছাড়াই মা হলেন জিৎ-এর প্রেমিকা!
‘পবিত্র আশুরা’
‘পবিত্র আশুরা’
সূরা বাকারার শেষ অংশের ফজিলত
সূরা বাকারার শেষ অংশের ফজিলত
‘শাহরুখ’ আর রেডি গোয়িং টু জাহান্নাম!
‘শাহরুখ’ আর রেডি গোয়িং টু জাহান্নাম!
বিবাহিতা বা সন্তানের মা হলে ১০ লাখ জরিমানা!
বিবাহিতা বা সন্তানের মা হলে ১০ লাখ জরিমানা!
মহররম ও আশুরা: করণীয় ও বর্জনীয়
মহররম ও আশুরা: করণীয় ও বর্জনীয়
কাকে বিয়ে করবেন?
কাকে বিয়ে করবেন?
শিরোনাম:
রাঙ্গামাটির নানিয়ারচরে দুই ইউপিডিএফ কর্মীকে গুলি করে হত্যা রাঙ্গামাটির নানিয়ারচরে দুই ইউপিডিএফ কর্মীকে গুলি করে হত্যা পুঠিয়ায় থেমে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ পুঠিয়ায় থেমে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ তানজানিয়ায় ফেরি ডুবে নিহত ৪০ তানজানিয়ায় ফেরি ডুবে নিহত ৪০