বিশ্ব অ্যাক্রিডিটেশন দিবস পালিত

ঢাকা, রোববার   ১৬ জুন ২০১৯,   আষাঢ় ৩ ১৪২৬,   ১২ শাওয়াল ১৪৪০

বিশ্ব অ্যাক্রিডিটেশন দিবস পালিত

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২০:১৫ ৯ জুন ২০১৯  

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

সারা বিশ্বের মত বাংলাদেশেও বিশ্ব অ্যাক্রিডিটেশন দিবস-২০১৯ পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে রোববার শিল্প মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ অ্যাক্রিডিটেশন বোর্ড (বিএবি) এবং ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) যৌথভাবে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে। 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- শিল্প মন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুনএবং ডিসিসিআই সভাপতি ওসামা তাসীর বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আবদুল হালিম। এ বছর বিশ্ব অ্যাক্রিডিটেশন দিবসের মূল প্রতিপাদ্য হল- ‘অ্যাক্রিডিটেশন: সাপ্লাই চেইনে মূল্য সংযোজন করে’।

নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন বলেন, অ্যাক্রিডিটেশন হল- পণ্য ও সেবার গুণগত মানসনদের আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতার স্বীকৃতি এবং বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত এ পদ্ধতি আমদানি-রফতানি বাণিজ্য গতিশীল করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে ইতিবাচক অবদান রাখে। 

তিনি আরো বলেন, পণ্যের কাঁচামাল থেকে শুরু করে ভোক্তা পর্যায়ে সরবরাহ পর্যন্ত সার্বিক সাপ্লাই চেইনেও অ্যাক্রিডিটেশনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরত্বপূর্ণ।

বিশ্ব অ্যাক্রিডিটেশন দিবস ২০১৯ উদযাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশে উৎপাদিত পণ্য এবং সেবার গুণগত মান নিশ্চিতকল্পে শিল্প কারখানার মালিক ও সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো সাপ্লাই চেইনের গুণগত মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন শিল্পমন্ত্রী। 

তিনি আরো বলেন, বর্তমান সরকার শিল্প ও ব্যবসা-বান্ধব সরকার এবং দেশে দ্রুত শিল্পায়ন নিশ্চিতকরণের জন্য সরকার বদ্ধপরিকর। দেশীয় শিল্পের বিকাশে শিল্প মন্ত্রণালয়ের পক্ষ হতে উদ্যোক্তাদের সব সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন।                  

স্বাগত বক্তব্যে বাংলাদেশ অ্যাক্রিডিটেশন বোর্ড (বিএবি)’র মহাপরিচালক মো. মনোয়ারুল ইসলাম বলেন, পৃথিবীর ১৯৫টি দেশে আজ একযোগে বিশ্ব অ্যাক্রিডিটেশন দিবস পালিত হচ্ছে। 

তিনি বলেন, যেকোন পণ্য উৎপাদন, বিপণন ও সংরক্ষণে আন্তর্জাতিক মান নিয়ন্ত্রণে অ্যাক্রিডিটেশন সনদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

ডিসিসিআই সভাপতি ওসামা তাসীর বলেন, বাংলাদেশের জিডিপিতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের অবদান ৩৬.৫০ শতাংশ এবং প্রায় ২০০টি দেশে বাংলাদেশের পণ্য রফতানি হয় ও ১২০টিরও বেশি দেশ থেকে বাংলাদেশ পণ্য আমদানি করে। 

তিনি জানান, ‘দি চার্টার্ড ইন্সটিটিউট অফ প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড সাপ্লাই’এর তথ্য অনুসারে, একটি কোম্পানির মোট ব্যয়ের ৭০ শতাংশ পর্যন্ত কাঁচামাল আহরণে ব্যয় হয়ে থাকে, যেজন্য প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে সুষ্ঠু ও দক্ষ সাপ্লাই চেইন নিশ্চিত করা একান্ত জরুরি। 

ঢাকা চেম্বারের সভাপতি বলেন, অ্যাক্রিডিটেশনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে উদ্বেগ নিরসন ও মান নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি নিশ্চিত হয়। অ্যাক্রিডিটেশনের মাধ্যমে বাংলাদেশ অন্যান্য প্রধান রফতানি পণ্যকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করে রফতানি বহুমুখীকরণের পথে এগিয়ে যেতে পারে বলেও অভিমত ব্যক্ত করেন ওসামা তাসীর।   

 ডেইলি বাংলাদেশ/এসএস/এমআরকে