বিশ্বাসযোগ্যতার সংকটে এবি পার্টি

ঢাকা, সোমবার   ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০,   আশ্বিন ১৩ ১৪২৭,   ১০ সফর ১৪৪২

বিশ্বাসযোগ্যতার সংকটে এবি পার্টি

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৩:১৬ ৭ আগস্ট ২০২০   আপডেট: ১৩:৪১ ৭ আগস্ট ২০২০

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

আচার-আচরণ, চাল-চলন আর কথাবার্তায় জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে মিল থাকায় সাধারণ মানুষের কাছে বিশ্বাসযোগ্যতার সংকটে পড়েছে আমরা বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সাধারণ মানুষ মনে করে জামায়াত যেহেতু একটি চতুর এবং কৌশলী দল, তাই কৌশলে নিজেরা না নেমে সরকারের সঙ্গে খেলায় মাততে তাদেরই একটা গ্রুপকে সামনে নামিয়ে দিয়েছে। যদিও দলটি কোথাও বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করতে পারছে না। কেননা জনগণ জানেন, এটি জামায়াতের বি বা সি টিম। 

জানা গেছে, জামায়াতের তরুণ প্রজন্মের একটা অংশ আছে যাদের কোনো পদ-পদবি নেই। এদের বেশিরভাগই জামায়াতের ইফেক্টিভ নেতা। যারা জামায়াতে এক সময় ভালো অবস্থানে ছিলেন। তারাই এবি পার্টিতে যোগ দিয়েছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এবি পার্টির একজন বিশ্বস্ত নেতা বলেন, জামায়াতের সঙ্গে এবি পার্টির স্বার্থ বা আদর্শের বিষয় নয়, এখানে কিছু দৃষ্টিভঙ্গির ব্যাপার যুক্ত।

তিনি বলেন, অনেক আগে থেকেই জামায়াতের মধ্যে কিছু বিষয় নিয়ে চাপা অসন্তোষ বিরাজ করত। জামায়াতে কিছু নীতিগত পরিবর্তনের জন্য তরুণ প্রজন্মের ছাত্রদের চাপ ছিল। জামায়াতের নীতি নির্ধারকরা এই নীতিমালা পরিবর্তনের বিষয়ে গড়িমসি করেছিল বা সেটাকে গুরুত্ব দেয়নি। এটা নিয়েই মূলত তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়।

তিনি আরো বলেন, জামায়াতের বর্তমান আমির নির্বাচন নিয়েও ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে কিছু ঝামেলা হয়েছে। এই গ্রুপের সবাই জানেন, জামায়াতকে ভাঙতে না পারলে ধীরে ধীরে নিজেরাই নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়বেন। তাই নতুন এই পার্টিকে বাঁচিয়ে রাখতে হলে জামায়াতের বড় নেতাদের একযোগ করাতে হবে।

জানা গেছে, দলের প্রতি আস্থা বাড়ানোর জন্য জামায়াতের ঊর্ধ্বতন নেতারা তাদের সঙ্গে আছেন। কিন্তু বাস্তবতা একেবারেই ভিন্ন। এসবের জন্য সংগত কারণেই জনগণের কাছে বিশ্বাসযোগ্যতার সংকটে পড়তে হয়েছে নব্য গঠিত দলটিকে।

এর আগে চলতি বছরের ২ মে ছাত্র শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা মজিবুর রহমান মঞ্জুর নেতৃত্বে আমরা বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) নামে একটি নতুন রাজনৈতিক দল আত্মপ্রকাশ করে। এদিন রাজধানীর বিজয়নগরে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন এ রাজনৈতিক দলের ঘোষণা দেন মজিবুর রহমান মঞ্জু।

এ সময় একটি আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। কমিটির আহ্বায়ক নির্বাচিত হন সাবেক সচিব এ এফ এম সোলায়মান চৌধুরী। আর সদস্য সচিব হন মজিবুর রহমান মঞ্জু।

ডেইলি বাংলাদেশ/এএএম/জেডআর/আরআর