বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা ১ কোটি ১৪ লাখ ছুঁইছুঁই
SELECT bn_content.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content.ContentID WHERE bn_content.Deletable=1 AND bn_content.ShowContent=1 AND bn_content.ContentID=192052 LIMIT 1

ঢাকা, শনিবার   ০৮ আগস্ট ২০২০,   শ্রাবণ ২৫ ১৪২৭,   ১৮ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

Beximco LPG Gas

বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা ১ কোটি ১৪ লাখ ছুঁইছুঁই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ০৮:৪১ ৫ জুলাই ২০২০   আপডেট: ১৯:২০ ৫ জুলাই ২০২০

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

বিশ্বজুড়ে মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ১ কোটি ১৪ লাখ ছুঁইছুঁই করছে। আন্তর্জাতিক জরিপকারী সংস্থা ওয়ার্ল্ডোমিটার এ তথ্য জানিয়েছে।

সংস্থাটির তথ্যানুযায়ী, বিশ্বে বর্তমানে করোনাভাইরাসে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১ কোটি ১৩ লাখ ৮০ হাজার ৬৩৩ জন। এর মৃত্যু হয়েছে ৫ লাখ ৩৩ হাজার ৪৪৯ জন। এছাড়া সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৬৪ লাখ ৩৯ হাজার ৬৬৬ জন।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের রাজধানী উহান থেকে ছড়িয়ে পড়ে করোনাভাইরাস। এ পর্যন্ত বিশ্বের ২১৫টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে এই ভাইরাসটি।

ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্যমতে, এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২৯ লাখ ৩৫ হাজার ৭৭০ জন। মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ৩২ হাজার ৩১৮ জনের। 

আক্রান্তের হিসাবে দ্বিতীয় স্থানে জায়গা করে নিয়েছে ব্রাজিল। দেশটিতে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ১৫ লাখ ৭৮ হাজার ৩৭৬ জনে দাঁড়িয়েছে। মৃত্যু হয়েছে ৬৪ হাজার ৩৬৫ জনের। তৃতীয় স্থানে থাকা রাশিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে ৬ লাখ ৭৪ হাজার ৫১৫ জন।

এছাড়া চতুর্থ স্থানে উঠে আসা ভারতে করোনায় ৬ লাখ ৭৩ হাজার ৯০৪ জন আক্রান্ত ও ১৯ হাজার ২৭৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। পঞ্চম স্থানে থাকা স্পেনে ২ লাখ ৯৭ হাজার ৬২৫ জন আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে প্রাণ হারিয়েছে ২৮ হাজার ৩৮৫ জন।

করোনার উৎপত্তিস্থল চীনে ৮৩ হাজার ৫৫৩ জন এতে আক্রান্ত হয়েছেন। প্রাণ হারিয়েছেন চার হাজার ৬৩৪। দেশটিতে করোনার সংক্রমণ থমকে গেলেও সম্প্রতি ফের আক্রান্তের ঘটনা ঘটছে।

এদিকে করোনা মহামারির ফলে দুর্ভিক্ষের ঝুঁকিতে রয়েছে আফ্রিকাসহ বেশ কিছু স্বল্পোন্নত দেশ। বিভিন্ন দেশে লকডাউন ও ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার ফলে ত্রাণ কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় এ শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ২০০৭-০৮ সালের দিকে খাবারের দাম বেড়ে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে যে ধরনের সহিংস পরিস্থিতি দেখা গিয়েছিল তার পুনরাবৃত্তি হতে পারে। বিশ্ব চাইলে আসন্ন এ সংকট ঠেকাতে পারে, তবে তা করার সময় ফুরিয়ে আসছে। খুব দ্রুতই সম্মিলিতভাবে ব্যবস্থা নিতে হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/টিআরএইচ/এসএমএফ