বিশ্বকাপ ফাইনালে জোর করে দু’বার টস করান ধোনি

ঢাকা, সোমবার   ০৬ জুলাই ২০২০,   আষাঢ় ২২ ১৪২৭,   ১৪ জ্বিলকদ ১৪৪১

Beximco LPG Gas

বিশ্বকাপ ফাইনালে জোর করে দু’বার টস করান ধোনি

স্পোর্টস ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৬:২৫ ২৯ মে ২০২০   আপডেট: ১৬:২৮ ২৯ মে ২০২০

২০১১ বিশ্বকাপ ফাইনালে টসের সময় ধোনি ও সাঙ্গাকারা

২০১১ বিশ্বকাপ ফাইনালে টসের সময় ধোনি ও সাঙ্গাকারা

মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বে দীর্ঘ ২৮ বছর পর ২০১১ সালে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জেতে ভারত। ফাইনাল ম্যাচে শ্রীলংকার বিপক্ষে উইনিং শট খেলেছিলেন ধোনিই। সাধারণত ক্রিকেট ম্যাচে একবার টস করা হলেও বিশ্বকাপের সেই ফাইনালে টস হয়েছিল দুই বার। মহেন্দ্র সিং ধোনির জোরাজুরিতেই এমনটি করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন তৎকালীন লংকান অধিনায়ক কুমার সাঙ্গাকারা।

ভারতীয় অফস্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিনের সঙ্গে ইন্সটাগ্রাম লাইভে প্রায় এক দশক আগের সেই বিশ্বকাপ ফাইনালে দুই বার টসের বিষয়ে কথা বলেছেন সাঙ্গাকারা।

২০১১ বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয় মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে। টসের আগে থেকেই গ্যালারি ছিল দর্শকে পরিপূর্ণ। তাই টসের সময় সাঙ্গাকারা হেড ডাকলেও টেল শোনেন ধোনি। এদিকে হেড ওঠায় ম্যাচ রেফারি সাঙ্গাকারার পক্ষে রায় দেন। কিন্তু তা মানতে অস্বীকৃতি জানান ধোনি। তার একগুঁয়েমিতে দ্বিতীয়বার টস করতে হয়।

সেই স্মৃতি রোমন্থন করে সাঙ্গাকারা বলেন, ‘সেদিন মাঠে প্রচুর দর্শক ছিল। সাধারণত শ্রীলংকায় এমন হয় না। আমি উইকেটকিপার থাকার সময় একবার ইডেন গার্ডেনসে এত দর্শক ও এত আওয়াজ ছিল যে প্রথম স্লিপে দাঁড়ানো ফিল্ডারের সঙ্গেও কথা বলতে পারছিলাম না।’

তিনি আরো বলেন, ‘ওয়াংখেড়ের টসের ঘটনাও আমার মনে আছে। সেদিন মাহি (ধোনি) কল নিয়ে নিশ্চিত ছিলো না। টস হলে সে আমাকে বলে যে আমি টেইল ডেকেছি। আমি বললাম না আমি হেডই ডেকেছি। ম্যাচ রেফারিও বলেন যে আমি জিতেছি। কিন্তু মাহি মেনে নেয়নি। এতে দ্বিধাদ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। তাই আবার টস করতে হয়।’

দ্বিতীয়বারের টসেও ভাগ্যক্রমে জিতেছিলেন সাঙ্গাকারা। সেটি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সৌভাগ্যবশত দ্বিতীয়বারও আমি টসে জিতি ও ব্যাটিং নেই। আমার মনে হয় ভারত টস জিতলে তারাই আগে ব্যাটিং করতো।’

সেদিন দুইবার টস জিতলেও ম্যাচ জিততে পারেননি সাঙ্গাকারা। এ বিষয়ে লংকান গ্রেট বলেন, ‘আমরা হারার পর খুব বেশি প্রতিক্রিয়া দেখাইনি। তবে হাসির আড়ালে অনেক দুঃখ, হতাশা লুকিয়ে ছিল। দেশের ২ কোটি মানুষ আমাদের জেতার অপেক্ষায় ছিল। সেই ১৯৯৬ সাল থেকে তাদের অপেক্ষাটা চলছে।’

ডেইলি বাংলাদেশ/এএল