Alexa বিলিয়ন ডলারের দেয়াল ফুটো করে ভেতরে ঢুকছে মানবপাচারকারীরা

ঢাকা, রোববার   ১৭ নভেম্বর ২০১৯,   অগ্রহায়ণ ২ ১৪২৬,   ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

Akash

বিলিয়ন ডলারের দেয়াল ফুটো করে ভেতরে ঢুকছে মানবপাচারকারীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৩:২৬ ৯ নভেম্বর ২০১৯   আপডেট: ১৪:২১ ৯ নভেম্বর ২০১৯

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

মেক্সিকো সংলগ্ন সীমান্তে বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে নির্মিত দেয়াল ফুটো করে ভেতরে প্রবেশ করছে মানব পাচারকারীরা।

ফলে ডোনাল্ড ট্রাম্পের বহুল প্রতিশ্রুতি দেয়ালের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন জোরালো হয়েছে। এ খবর দিয়েছে ওয়াশিংটন পোস্ট।

 দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট খবরের তথ্যানুযায়ী, নিজের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবেই এই দেয়াল নির্মাণে অনেক আয়োজন করেন ট্রাম্প। এই দেয়াল নির্মাণে তিনি জোরালো দাবি জানিয়ে বলেছিলেন যে, এই দেয়াল অভেদ্য। আর এই দেয়াল ভেদ করে মেক্সিকো থেকে অপরাধীরা ঢুকতে পারবে না। তবে এই দেয়াল নিয়ে অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রচুর বিতর্ক ও হাস্যরস হয়েছে। এ ছাড়া ট্রাম্প প্রথমে পুরোটা কংক্রিটের দেয়াল নির্মাণের ঘোষণা দিলেও এটির বিভিন্ন অংশে স্টিলও ব্যবহার করা হয়েছে।

এই দেয়াল নির্মাণে এখন পর্যন্ত মার্কিন আয়করদাতাদের খরচ হয়েছে প্রায় ১০ বিলিয়ন বা ১০০০ কোটি ডলার। জানা যায়, সাধারণ বাজারে ১০০ ডলারে কিনতে পাওয়া যায় এমন যন্ত্র দিয়ে দেয়ালটি ফুটো করা হচ্ছে।

ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মানব পাচারকারীরা লোহা চিরার করাত দিয়েই দেয়ালের স্টিল ও কনক্রিটের অংশ ফুটো করতে পারছে। এই ফুটো এতটাই বড় যে সেখান দিয়ে অনায়াসেই মানুষ ও মাদক ব্যবসায়ী ঢুকতে পারছে।

প্রতিনিধিরা আরো জানান, মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই এই ফুটো করার কাজ সম্ভব হয়। এ ছাড়া প্রকৌশলীরা জানিয়েছেন যে, দেয়ালটি যেহেতু প্রায় ১৮-৩০ ফিট উঁচু, তাই এখানে স্টিলের ভেতর ফুটো করা সহজ।
ট্রাম্প বলেছেন, তিনি এমন কোনো খবর শোনেননি যে, পাচারকারীরা দেয়াল ফুটো করে ভেতরে ঢুকতে পারছে।
তার ভাষ্য মতে, ‘আমাদের দেয়াল খুবই শক্তিশালী। কিন্তু সত্য বলতে কি, যতই শক্তিশালী হোক, আপনি যেকোনো জিনিসই কেটে ফেলতে পারবেন।’ তিনি আরো বলেন, এই দেয়াল ফুটো করা গেলেও সহজে আবার সেটা ঠিক করা যাবে।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, দেয়ালের কোনো অংশে ফুটো করা হলে সেটা ঠিক করতে তাৎক্ষনিকভাবে কাউকে পাঠানো হয়। আবার পাচারকারীরা নিজেরাও ফুটো করা অংশ এমনভাবে ঢেকে রাখে যেন বোঝা না যায় যে ফুটো হয়েছে। ফলে অনেক ফুটো করা অংশই ধরা যায় না। এছাড়া অনেক অংশ মেরামত করা হলেও, কাঠামো অনেকটা দুর্বল হয়ে পড়ে। ফলে পাচারকারীরা সেই দুর্বল অংশই আবার কাটে।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএএইচ