বিরক্তিকর ঘামাচি থেকে মুক্তির ঘরোয়া আট উপায়

ঢাকা, মঙ্গলবার   ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০,   আশ্বিন ১৪ ১৪২৭,   ১১ সফর ১৪৪২

বিরক্তিকর ঘামাচি থেকে মুক্তির ঘরোয়া আট উপায়

লাইফস্টাইল ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ০৯:১০ ৬ আগস্ট ২০২০  

ঘামাচি থেকে মুক্তির উপায়

ঘামাচি থেকে মুক্তির উপায়

গরমের তাণ্ডবে সবাই একপ্রকার অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। দিন দিন গরম বেড়েই চলেছে। এই অসহ্যকর গরমে নানা রকম সমস্যায় ভুগতে হয় সবাইকে। তবে সবথেকে অসহ্যকর যন্ত্রণা হচ্ছে ঘামাচি। এর থেকে রক্ষা পাওয়াও কঠিন।

ঘামাচি কেন হয়?

গরমকালে শরীরকে ঠাণ্ডা রাখতে ত্বকের লোমকূপের ভেতর থেকে শরীরের পানি অর্থাৎ ঘাম বেরিয়ে আসে। এই ঘাম অতিরিক্ত গরমেও শরীরকে ঠাণ্ডা রাখে। অন্যদিকে ঘামে শরীরের দূষিত রেচন পদার্থও থাকে। কোনো কারণে এই ঘামে মিশে থাকা লবণের কারণে লোমকূপের মুখ বন্ধ হয়ে গেলে, সেই অংশ দিয়ে ঘাম বের হতে পারে না। এর ফলে লোমকূপের সেই অংশটি ফুলে ওঠে। তার ওপর হয় জীবাণুর প্রকোপ। কোনো কারণে সেই অংশটি জামা-কাপড়ে ঘষা খেলে বা চুলকানো হলে সেই অস্বস্তি বেড়ে ওঠে।

এই উষ্ণ-আর্দ্র আবহাওয়ায় ঘামাচি, র‌্যাশ, চুলকানির সমস্যা দেখা দেয়াটা খুবই স্বাভাবিক। তবে এসব সমস্যায় চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই। সামান্য কিছু ঘরোয়া উপায় অবলম্বনে খুব সহজেই আপনি এই যন্ত্রণা মোকাবিলা করতে পারবেন। চলুন এবার জেনে নেয়া যাক ঘামাচি থেকে বাঁচার কয়েকটি কার্যকরী পদ্ধতি সম্পর্কে- 

> গরমকালে ঘাম হবেই। চেষ্টা করুন কিছুক্ষণ অন্তর ঘাম মুছে ফেলতে। তবে ঘাম মোছার সময় অতিরিক্ত চাপ দিয়ে মুছবেন না। আর সবসময় পরিষ্কার নরম রুমাল ব্যবহার করুন। প্রয়োজনে সঙ্গে অতিরিক্ত রুমাল রাখুন।

> সম্ভব হলে দিনে দুবার গোসল করুন। গোসল করতে কোনো কম ক্ষারযু্ক্ত সাবান ব্যবহার করুন। ঘামাচি থাকলে বেশি ঘষবেন না। হালকা হাতে কোনো নরম লুফা ব্যবহার করে অল্প অল্প স্ক্রাব করুন।

> গোসলের পানিতে কোনো অ্যান্টি-সেপটিক লোশন ব্যবহার করুন। তাছাড়াও গোসলের পানির বালতিতে লেবুর রস, নিম পাতার রস মিশিয়ে নিতে পারেন। এতে ত্বক ফ্রেশ থাকবে এবং জীবাণু কম হবে।

> হালকা রঙের ঢিলা পোশাক পরুন। বেশি ডার্ক রঙের জামাকাপড়, টাইট জামা পড়া এড়িয়ে চলুন।

> ঘামাচি হলে একদম চুলকাবেন না। অ্যালোভেরার রস, নিম পাতার রস, পাতিলেবুর রস পানিতে মিশিয়ে পাতলা করে নিয়ে লাগাতে পারেন। এতে আরাম মিলবে। 

> ট্যালকম পাউডার ব্যবহার না করাই ভালো। এতে লোমকূপের মুখ বন্ধ হয়ে হিতে বিপরীত হতে পারে।

> প্রচুর পরিমাণে পানি খপান করুন।

> খাবার পাতে রাখুন প্রচুর পরিমাণে ফল আর শাক-সবজি।

সূত্র: জি নিউজ

ডেইলি বাংলাদেশ/এএ