Alexa বিদ্যালয় মেরামতের টাকা আত্মসাৎ!

ঢাকা, শনিবার   ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯,   আশ্বিন ৬ ১৪২৬,   ২১ মুহররম ১৪৪১

Akash

বিদ্যালয় মেরামতের টাকা আত্মসাৎ!

ইসলামপুর (জামালপুর) প্রতিনিধি

 প্রকাশিত: ১৪:৪৫ ২০ ডিসেম্বর ২০১৮   আপডেট: ১৪:৫৯ ২০ ডিসেম্বর ২০১৮

প্রতিকী ছবি

প্রতিকী ছবি

জামালপুরের ইসলামপুরে ৮টি প্রাথমিক বিদ্যালয় মেরামতের নামে সরকারের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। 

উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে অস্থায়ী গৃহ নির্মাণ ও মেরামতের জন্য ৪১টি বিদ্যালয়ের ৯৯ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এ বরাদ্দের আওতায় ৯টি প্রতিষ্ঠান-নান্দেুকুড়া মণ্ডল বাড়ি স. প্রা. বিদ্যালয়ে ৩ লাখ টাকা,পূর্ব বামনা প্রাথমিক বিদ্যালয় ৩ লাখ টাকা এবং রাজস্ব খাতের ২ লাখ ৫০হাজার টাকা, উত্তর জোড়ডোবা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩ লাখ টাকা, চর দিঘাইর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩ লাখ টাকা, দিঘাইর প্রাথমিক বিদ্যালয় ৩লাখ টাকা,আকন্দপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২লাখ টাকা, আবেদগঞ্জ প্রাথমিক বিদ্যালয় ৩লাখ টাকা, গোয়ালের চর পূর্বপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩লাখ টাকা, উলিয়া স. প্রা. বিদ্যালয়ে ৩ লাখ টাকাসহ মোট ৯টি বিদ্যালয় মেরামত ও সংস্কার কাজের জন্য ২৮ লাখ ৫০হাজার টাকা বরাদ্দ রয়েছে। গৃহ নির্মাণ ও সংস্কারের জন্য এসব বরাদ্দ উঠানো হলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি।

সরেজমিনে দেখা গেছে, গোয়ালের চর পূর্বপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ।  ফ্ল্যাগস্ট্যান্ডে পতাকাটিও উঠানো হয়নি। অথচ স্কুলটি জাতীয়করণের আওতায় রয়েছে। এ প্রতিষ্ঠানটি বারবার বরাদ্দ নিলেও স্কুল ভবন ও আসবাবপত্রের কোনো উন্নতি হয়নি। সব বরাদ্দ হাতিয়ে নেয়া হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান।

ওই বিদ্যালয়ের দুই জন শিক্ষিকা বলেন, আজ গ্রামে মজলিস আছে তাই স্কুল ছুটি দিয়েছি। তারা বিষয়টি কতৃপক্ষকে না জানাতে অনুরোধ করেন। ওই শিক্ষকদের বিভিন্ন বরাদ্দের কথা জানতে চাইলে তারা বলেন আমরা টাকা দিয়ে চাকরি নিয়েছি আমরা বরাদ্দের বিষয়ে কিছুই জানিনা।

ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আবুল হাসেম বলেন,আমি বীর মুক্তিযোদ্ধা আমি সভাপতি হলেও আমাকে কিছুই জানানো হয়না। আমাকে না জানিয়েই সব কিছু করা হয়। এ যাবৎ কাল পিইডিপি-৩ থেকে বারবার বরাদ্দ পাওয়া গেলেও আমাকে জানানো হয়নি।

প্রধান শিক্ষকের শিক্ষাগত যোগ্যতা প্রশ্নের উত্তর জানতে চাইলে সভাপতি বলেন, এ নিয়ে এলাকার অনেকেই বলছে। কতটুকু লেখাপড়া করছে আমি জানিনা।

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা কামরুজ্জামান বলেন, প্রধান শিক্ষক সোলায়মানের শিক্ষাগত যোগ্যতার সব নথিপত্র আমি এখানকার কর্মস্থলে যোগ দেয়ার আগেই এখান থেকে ছাড় হয়েছে। এ ব্যাপারে তারপরও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। আর মেরামত ও সংস্কারের জন্য এ যাবৎ যা বরাদ্দ পেয়েছে, তার বিল এরইমধ্যে ছাড় দেয়া হয়েছে। ইঞ্জিনিয়ার অফিস প্রতিনিধি,সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তার প্রতিবেদনের পর আমি বিল দেয়া হয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ