Alexa বিদেশি ‘ড্রাগন’ চাষে সফল প্রদীপ

ঢাকা, মঙ্গলবার   ২০ আগস্ট ২০১৯,   ভাদ্র ৬ ১৪২৬,   ১৯ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

Akash

বিদেশি ‘ড্রাগন’ চাষে সফল প্রদীপ

 প্রকাশিত: ১৯:১৩ ৯ নভেম্বর ২০১৮   আপডেট: ১৯:১৩ ৯ নভেম্বর ২০১৮

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

বিদেশি ফল ‘ড্রাগন’ আমাদের দেশেও ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। অনেকেই বাণিজ্যিকভাবে ড্রাগন চাষ করছেন। তেমনই একজন যশোরের মণিরামপুরের বাসুদেবপুর গ্রামের নির্মল বিশ্বাসের ছেলে প্রদীপ বিশ্বাস। বাণিজ্যিকভাবে ড্রাগন চাষে সফলতাও পেয়েছেন তিনি।

প্রতি কেজি ড্রাগন ৩০০-৪০০ টাকা দরে এবং ড্রাগনের চারা বিক্রি করে বছরে প্রায় লাখ টাকা আয় করছেন প্রদীপ। নিজের ক্ষেতে উৎপাদিত ড্রাগন স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে বড় বড় সুপার শপ, চেইন শপেও বিক্রি করেন তিনি।

সফল নামের একটি এনজিওর মাধ্যমে উদ্বুদ্ধ হয়ে ড্রাগন চাষ শুরু করেন প্রদীপ। ২০১৪ সালে ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিনামূল্যে ৫০টি ড্রাগনের চারা পান তিনি। ৬ শতক পতিত জমিতে সেই চারাগুলো রোপণ করে স্বল্প পরিসরে এই চাষ শুরু করেন তিনি।

৫০টি চারার মধ্যে ১৩টি জীবিত থাকে। সেই চারাগুলো নিয়ে এগিয়ে যান প্রদীপ। বর্তমানে তার ৮ শতক জমিতে ৪২টি ফলবতী ড্রাগন গাছ রয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিস ও এনজিওর সহযোগিতায় তিনি সফলতার মুখ দেখেছেন।

প্রদীপ বিশ্বাস বলেন, ড্রাগন গাছের চারা লাগানোর দেড় বছরের মাথায় ফল আসা শুরু হয়। ২৮-৩০ দিনের মধ্যে সেই ফল বিক্রির উপযোগী হয়। ৩-৫টি ফলের ওজন এককেজি। প্রতিকেজি ড্রাগন ফলের বাজারদর ৩০০-৪০০ টাকা। নিঃসন্দেহে ড্রাগন চাষ লাভজনক। একবার চারা লাগালে ১৮-২০ বছর ফল পাওয়া যায়। এই চারার রোগবালাই নেই বললেই চলে। ড্রাগন চাষের জমিতে শাক-সবজিও চাষ করা যায়। আমি ড্রাগনের জমিতে ব্রকলি, বেগুন, লাল শাক, পালংসহ বিভিন্ন প্রকার সবজি চাষ করেছি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হীরক কুমার সরকার বলেন, ড্রাগন ফলের চাষ যেকোনো উঁচু জমিতে সম্ভব। বাণিজ্যিক চাষ ছাড়াও বাড়ির আশপাশে এই ফলের চারা লাগানো যায়। আমরা এই ফল চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করছি। কেউ এই চাষে এগিয়ে আসলে তাকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এআর

 

Best Electronics
Best Electronics