Alexa ‘বিড়াল মারবেন না, ফেলে না দিয়ে আমাকে দিন’

ঢাকা, শনিবার   ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯,   অগ্রহায়ণ ২৩ ১৪২৬,   ১০ রবিউস সানি ১৪৪১

‘বিড়াল মারবেন না, ফেলে না দিয়ে আমাকে দিন’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৮:৫০ ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আপডেট: ১৮:৫৮ ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

ভারতের হুগলি কোন্নগরের মনস্বিতা ঠাকুর নামে এক নারী ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে আবেদন করেছেন, বিড়াল বিশেষত শিশু বিড়াল হলে তাকে ফেলে দেবেন না বা আঘাত করবেন না। সেই বিড়াল তাকে দিয়ে দেয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। 

কী করবেন এত বিড়াল দিয়ে? পেশায় গায়িকা মনস্বিতা বলছেন, আমার বাড়িতে অনেক বিড়াল আছে। অনেকেই আমার কাছে বিড়াল চান। কিন্তু যাদের সন্তানস্নেহে বড় করছি, তাদের দিয়ে দিতে পারব না। তাই কেউ যদি আমায় বিড়াল দেন, আমি তাহলে সেই মানুষগুলোর কাছে পৌঁছে দিতে পারি, যারা নিজের বাড়িতে ওদের রাখতে, খাওয়াতে, লালন-পালন করতে চান।

চোখের সামনে বাড়ির একটি মা বিড়ালকে মরতে দেখেছিলেন মনস্বিতা। সেই বিড়ালের বাচ্চাগুলিকে রাতজেগে বড় করে তুলেছেন। সেখান থেকেই বুঝতে পারেন, নিজের সন্তানকে বড় করে তোলার চেয়ে এ কাজ কোনো অংশে কম নয়। তাই সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে এই আবেদন করলেন তিনি।

তবে খুব দূরে হলে বিড়াল নিয়ে আসা একটু সমস্যার। তাই মূলত কোন্নগর, রিষড়া, হিন্দমোটর, উত্তরপাড়া অঞ্চলের মানুষজনদের উদ্দেশে এই আবেদন জানিয়েছেন তিনি। বাড়িতে অবশ্য শুধু একপাল বিড়াল নয়, পথকুকুরদেরও দেখভাল করেন তিনি। 

নিজের কাজ সামলে বুঁদ হয়ে থাকেন সন্তানদের বড় করে তোলার স্বপ্নে। মনস্বিতা প্রশ্ন করেছেন, 'দু'মুঠো খাবার আর একটু জায়গা! এইটুকু কি আমরা সত্যি দিতে পারিনা ওদের?' উত্তরের অপেক্ষায় তিনি।

বিড়াল কবিতার শেষে জীবনানন্দ লিখছেন, তারপর অন্ধকারকে ছোটো-ছোটো বলের মতো থাবা দিয়ে লুফে আনলো সে, সমস্ত পৃথিবীর ভিতর ছড়িয়ে দিলো।' অন্ধকার থেকেই আলোর খোঁজ করছেন মনস্বিতা, শরিক হতে চান আপনি?

ডেইলি বাংলাদেশ/এমএস