.ঢাকা, শুক্রবার   ১৯ এপ্রিল ২০১৯,   বৈশাখ ৫ ১৪২৬,   ১৩ শা'বান ১৪৪০

বিচার আমি কার কাছে চাইবো: নায়লা

বিনোদন প্রতিবেদক

 প্রকাশিত: ১০:৪৮ ৯ জানুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ১২:২৮ ৯ জানুয়ারি ২০১৯

নায়লা নাঈম

নায়লা নাঈম

নায়লা নাঈম। খোলামেলা অবতারেই শোবিজ অঙ্গণে বেশি পরিচিত এ আবেদনময়ী। তবে মডেল ছাড়াও তার আরেকটি পরিচয় রয়েছে তিনি একজন ডেন্টিস। এছাড়া পশুদের প্রতিও এই গ্লামার কন্যার রয়েছে ভালবাসা। 

কেননা পশুপাখিদের জন্য তিনি কাজ করতে বেশি পছন্দ করেন। রাস্তা ঘাটে পশুপাখির উপর মানুষের অত্যাচার দেখলে তিনি প্রতিবাদ করেন। যেকোন অনুষ্ঠান বা ইন্টারভিউতে তিনি সুযোগ পেলেই পশু-পাখি রক্ষা ও উন্নয়ন নিয়ে কথা বলেন। শুধু তাই নয় নিজের বাসাটিকেই তিনি পশুদের একটি নিরাপদ আশ্রয় হিসেবেও গড়ে তুলেছেন।

রাস্তায় কোন অসুস্থ বা আহত পশু পাখি দেখলে সেটিও তুলে নিয়ে আসেন তিনি। সেটিরও ঠায় হয় নায়লা বাসায়। অন্ধ, আহত বেশকিছু বিড়াল ও কুকুরের স্থায়ী বসবাস নায়লার সঙ্গে। পরম মমতা ও মাতৃস্নেহে সেগুলোকে সুস্থ করে তোলেন তিনি।

গুরুজনেরা বলেন, ভালো কাজে বাধা বেশি। আর এ কথাটি নায়লার ক্ষেত্রেও ঘটে চলেছে। নায়লার বাসায় পশু-পাখি থাকলে বিরক্ত হন প্রতিবেশীদের অনেকে। 

আর এবার এমনই কয়েক জন প্রতিবেশী মিলে নাকি অভিযোগ করেছেন পরিবেশ অধিদপ্তরে। নায়লা নাকি বাণিজ্যিকভাবে বিড়াল উৎপাদন ও বেচাকেনা শুরু করেছেন! অভিযোগ পেয়ে, তদন্ত করতে পরিবেশ অধিদপ্তরের লোকজনও হাজির নায়লার বাসায়।

এ ঘটনায় ভীষণভাবে ভেঙ্গে পড়েছেন নায়লা। আর তার এই ক্ষোভ ও দুঃখের বহিঃপ্রকাশ দেখা গেছে নায়িকার ফেসবুক পোস্টে।

‘ডেইলি বাংলাদেশ’ এর পাঠকদের জন্য নায়লার স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হল:

ঢাকা শহরে পশু প্রেমিক মানুষের জন্য প্রতিবন্ধকতার কোন শেষ নাই। আমি নায়লা নাঈম, আমার নিজের বাসায় বিড়াল পুষি। আমার বিড়াল কারোটা খায় না, কারোটা পরেও না, এমনকি ঘর ছেড়ে বের ও হয় না। তাও এটা নিয়ে প্রতিবেশীর অভিযোগ। অভিযোগটা দারুণ মনগড়া এবং হাস্যকর। আমি নায়লা নাঈম নাকি বাণিজ্যিকভাবে বিড়াল কেনাবেচা করি!- এই অভিযোগ তারা করে পরিবেশ অধিদপ্তরের কাছে এবং সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতে ইন্সপেক্টর আসে আমার বাসা পরিদর্শন করতে। নিজের চোখের সামনে নিজের ব্যক্তিস্বাধীনতা এভাবে ক্ষুণ্ণ হতে দেখা কতটা অপমানজনক হতে পারে আমার জন্য তা হয়ত আপনারা কেউ উপলব্ধি করতে পারবেন না। এর বিচার আমি কার কাছে চাইব???

এ বিষয়ে নাঈলা বলেন, আমি বিড়ালগুলোকে সন্তানের মতো ভালোবাসি এটাই মনে হয় আমার অপরাধ। যখন রাস্তায় পশুপাখি, কুকুর-বিড়ালকে অমানবিকভাবে হত্যা করা হয়, খেতে না পেয়ে মারা যায় তখন তো কেউ কথা বলেন না। আর আমি তাদেরকে আদর স্নেহে পালনকরি এটাই কি আমার অপরাধ। আমি বিষয়টি নিয়ে খুব দ্রুত একটি সংবাদ সম্মেলন ডাকবো।

ডেইলি বাংলাদেশ/টিএএস