Alexa বিএনপি-জামায়াত একাট্টা

ঢাকা, শুক্রবার   ১৯ জুলাই ২০১৯,   শ্রাবণ ৪ ১৪২৬,   ১৫ জ্বিলকদ ১৪৪০

বাগেরহাট-মোংলা 

বিএনপি-জামায়াত একাট্টা

 প্রকাশিত: ১৮:২০ ২৩ মার্চ ২০১৮  

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

সুন্দরবন সংলগ্ন দেশের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক সমুদ্রবন্দর মোংলা ও চিংড়ি উৎপাদনের বৃহৎ এলাকা রামপাল উপজেলা নিয়ে বাগেরহাট-৩ আসন। ভৌগোলিক কারণে দেশের অর্থনীতিতে রয়েছে এ অঞ্চলের বিশেষ ভূমিকা।

মোংলা ও রামপালকে ঘিরে অর্থনৈতিক জোন তৈরির কাজ চলমান। তাই এ আসন ঘিরে আগ্রহ সব দলের প্রার্থীদেরই রয়েছে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিপক্ষে জয়ী হতে বিএনপি-জামায়াত তাই একাট্টা হয়ে কাজ করছে।তবে বর্তমান সংসদ সদস্য তালুকদার আবদুল খালেকের বিপক্ষে ভোটযুদ্ধে অংশ নিয়ে বিএনপির প্রার্থী কতখানি সফল হয় সেটি দেখার বিষয়।

২০০৮ সালে তালুকদার আবদুল খালেক খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র থাকায় তার স্ত্রী হাবিবুন্নাহার তালুকদার প্রার্থী হয়ে জামায়াত নেতা আবদুল ওয়াদুদকে পরাজিত করে এমপি নির্বাচিত হন। ২০১৪ সালে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তালুকদার আবদুল খালেক এমপি নির্বাচিত হন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী তালুকদার আবদুল খালেকের রয়েছে শক্ত অবস্থান।এছাড়া আওয়ামী লীগের থেকে মনোনয়নপ্রত্যাশী খুলনা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাব-কমিটির সাবেক সহ-সম্পাদক শেখ মো. আবু হানিফ,  কেন্দ্রীয় সাব-কমিটির সাবেক সহ-সম্পাদক ব্যারিস্টার শেখ ওবায়দুর রহমান ওবায়েদ। তিনি রামপাল উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা শেখ আবদুল ওহাবের ছেলে।

তালুকদার আবদুল খালেক বলেন, দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়ন আওয়ামী লীগ সরকারের সময়েই হয়েছে। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলের মৃত মোংলা বন্দর এখন কর্মচঞ্চল। মোংলা-ঘষিয়াখালী আন্তর্জাতিক নৌচ্যানেল খনন, মোংলা বন্দরের আধুনিকায়ন, খুলনা-মোংলা রেললাইন, খানজাহান বিমানবন্দর নির্মাণ, রামপালে কয়লাভিত্তিক আধুনিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ অসংখ্য উন্নয়ন কর্মকাণ্ড চলছে।

ব্যারিস্টার ওবায়দুর রহমান ওবায়েদ বলেন, আমি রাজনৈতিক সততায় বিশ্বাস করি। সংসদ সদস্য পদ কারো আয়ের উৎস হতে পারে না।রামপাল-মোংলা নিয়ে আমার সৎউদ্দেশ্যের কারণে একদিন আমি সফল হবই ইনশাআল্লাহ।

অপরদিকে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে রয়েছেন সেভ দ্য সুন্দরবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও বাগেরহাট জেলা বিএনপির সহসভাপতি ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম। ইতিমধ্যে তিনি তার ক্লিন ইমেজ দিয়ে নিজ এলাকায় অবস্থান তৈরি করেছেন। এছাড়া রয়েছেন জেলা বিএনপির অপর সহসভাপতি সরদার মো. অজিয়ার রহমান, ছাড়াও জামায়াত নেতা শেখ আবদুল ওয়াদুদ। 

ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, মোংলা সমুদ্রবন্দর, বিমানবন্দর, ইপিজেড ও সুন্দরবনকেন্দ্রিক ইকো-ট্যুরিজমের মাধ্যমে এ এলাকার উন্নয়নে কাজ করার ভালো সুযোগ রয়েছে। এসব প্রকল্প নিয়ে কাজ করলে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান ও প্রচুর পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আমার রাজনৈতিক, পেশাগত ও সামাজিক কাজের অভিজ্ঞতা দিয়ে দেশের কল্যাণে অবদান রাখতে পারব। নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে আমি জয়ী হব।

ডেইলি বাংলাদেশ/আজ/আরআর