Alexa বিএনপির হাফ ডজন নেতা মাঠে

ঢাকা, শুক্রবার   ১৯ জুলাই ২০১৯,   শ্রাবণ ৪ ১৪২৬,   ১৫ জ্বিলকদ ১৪৪০

রাজশাহী-মোহনপুর

বিএনপির হাফ ডজন নেতা মাঠে

 প্রকাশিত: ১৮:৩০ ২৩ মার্চ ২০১৮  

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

রাজশাহীর মোহনপুর-পবা উপজেলা থেকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসন থেকে মনোনয়ন চাইবেন স্থানীয় বিএনপির প্রায় হাফ ডজন নেতা। যারা এলাকায় ব্যানার, পোস্টার ও ফেস্টুন টাঙ্গানোসহ গণসংযোগ করছেন।

স্থানীয় বিএনপির একাধিক সূত্রমতে, এবার চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও জেলার সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামরুল মনির, রাজশাহী বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ শাহীন শওকত, নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল হক মিলন, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান মন্টু ও জেলার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রায়হানুল হক রায়হান মনোনয়ন চান। এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশী সক্রিয় রয়েছেন নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল হক মিলন ও জেলার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রায়হানুল হক রায়হান।

তবে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহীর একটি আসনে প্রার্থী হবেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রেজভী। এমনটাই গুঞ্জন রয়েছে রাজশাহী বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে। তবে তিনি কোন আসনে প্রার্থী হতে চান সেটি নিশ্চিত হওয়া না গেলেও মোহনপুর-পবা-(রাজশাহী-৩) আসনে সম্ভাবনা বেশি। রাজশাহী বিএনপির একটি বড় অংশের নেতার রুহুল কবীর রিজভীকে রাজশাহী-৩ আসনের প্রার্থী হওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন বলে দলটির একাধিক সূত্র জানিয়েছে।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভীর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন রাজশাহীতে কেটেছে। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সাবেক ভিপি এবং পরে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ছিলেন।

রাজশাহী বিএনপির একাধিক সূত্রমতে, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী বর্তমানে রাজশাহীর রাজনীতিতে বিশেষভাবে সক্রিয় রয়েছেন। তার হস্তক্ষেপে নগর ও জেলার নতুন কমিটিতে ৮০’র দশকের ছাত্র নেতারা রাজশাহী বিএনপির নেতৃত্বে আসার সুযোগ পেয়েছেন।

রাজশাহী জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মামুন বলেন, দলের মনোনয়ন যারা নির্ধারণ করবেন তাদের মধ্যে একজন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী। তিনি যে আসনে মনোনয়ন চাইবেন সেখানেই মনোনয়ন পাবেন। যেহেতু তিনি রাজশাহীতে দীর্ঘ সময় রাজনীতি করেছেন সে কারণে রাজশাহীর একটি আসনে নির্বাচন করার জন্য আগে থেকেই তার আগ্রহ রয়েছে। তিনি রাজশাহীতে প্রার্থী হতে চাইলে সবাই তাকে স্বাগত জানাবে।

২০০৮ সালে এখানে নির্বাচন করেছিলেন বিএনপির চেয়ারপার্সানের উপদেষ্টা কবীর হোসেন। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর কাছে তিনি পরাজিত হন। এবার কবীর হোসেন রাজশাহী সদর আসন থেকে নির্বাচন করতে চান।

তবে যে ছয়জন এ আসন থেকে মনোনয়ন চাইবেন তাদের মধ্যে পাঁচজনই বহিরাগত। শুধুমাত্র রায়হানুল হক রায়হানের বাড়ি পবা উপজেলায়। বাকিরা রাজশাহী সিটি এলাকায় বসবাস করেন। এদের মধ্যে কামরুল মনির বাড়ি নগরীতে, শাহীন শওকতের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ, শফিকুল হক মিলনের বাড়ি গোদাগাড়ী ও মতিউর রহমান মন্টুর কুড়িগ্রাম জেলায়।

তবে এদের মধ্যে শক্ত অবস্থান নিয়ে মাঠে রয়েছেন শফিকুল হক মিলন ও রায়হানুল হক রায়হান। তারা প্রতিদিন এলাকায় গণসংযোগসহ তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সমর্থণ আদায়ে মতবিনিময় করছেন।

রায়হানুল হক রায়হান বলেন, ২০০৮ সালের নির্বাচনে এ আসন থেকে তিনি মনোনয়ন চেয়েছিলেন। ওই নির্বাচনে দলের প্রবীন নেতা কবীর হোসেনকে মনোনয়ন দেয়া হয়। দলের এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে তার পক্ষে ছিলাম।  সে সময় পরবর্তি নির্বাচনে আমাকে নিয়ে ভাবা হবে বলে কেন্দ্রের নেতা আশ্বাস দিয়েছিলেন। সে অনুযায়ী আমি নির্বাচনী মাঠে রয়েছি এবং মনোনয়ন চাইব।

ডেইলি বাংলাদেশে/আজ/আরআর