বাড়ি ফিরছে থাই ক্ষুদে ফুটবলাররা

ঢাকা, শুক্রবার   ২১ জুন ২০১৯,   আষাঢ় ৭ ১৪২৬,   ১৬ শাওয়াল ১৪৪০

বাড়ি ফিরছে থাই ক্ষুদে ফুটবলাররা

 প্রকাশিত: ২০:৪২ ১৮ জুলাই ২০১৮   আপডেট: ২০:৪২ ১৮ জুলাই ২০১৮

বাড়ি ফিরছে থাই শিশুরা

বাড়ি ফিরছে থাই শিশুরা

থাইল্যান্ডের গুহা থেকে উদ্ধার পাওয়া ১২ ক্ষুদে ফুটবলার ও তাদের কোচ চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরে যাচ্ছে। তিন দিনের বিশেষ অভিযানে পৃথিবীর আলো দেখতে পাওয়া এ বালক ফুটবল দল গত এক সপ্তাহ ধরে চিয়াং রাই ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সুত্র: বিবিসি সংবাদ।

গত ২৩ জুন এসব বালকদের নিয়ে তাদের সহকারী কোচ দক্ষিণ থাইল্যান্ডের থাম লুয়াংতে এক গুহার ভেতরে ঢুকে আটকা পড়েন। এরপর গত ১০ জুলাই উদ্ধার অভিযানের তৃতীয় দিনে এসে ফুটবলার ও তাদের কোচসহ সবাইকে গুহা থেকে বের করে আনতে সক্ষম হন ডুবুরিরা।

নিখোঁজ হবার ৯ দিন পর তাদেরকে গুহার ভেতরে শনাক্ত করা হয়। কিন্তু তারা গুহার এত গভীরে চলে গিয়েছিল যে তাদেরকে জীবিত ফিরিয়ে আনা প্রায় অসম্ভব পর্যায়ে চলে গিয়েছিল। পরবর্তীতে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ এসব বালকদের উদ্ধারে থাইল্যান্ড সরকারের পাশে দাঁড়ালে তাদেরকে সুস্থভাবে গুহা থেকে বের করে আনা সম্ভব হয়।

ধারণা করা হয়, তারা যখন গুহায় গিয়েছিল, তখন শুকনো ছিল। কিন্তু হঠাৎ অতিবর্ষণে গুহায় পানি বাড়তে থাকায় তারা আরো গভীরে যেতে বাধ্য হয়।

বাড়ি ফিরে যাওয়ার আগে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তাদেরকে প্রথম জনসম্মুখে আনা হবে। মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসার অভিজ্ঞতা নিয়ে সাংবাদিকরা তাদের সবাইকে প্রশ্ন করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন একজন কর্মকর্তা।

তিনি জানান, এরপর তারা সবাই বাড়িতে ফিরে যাবে। প্রত্যেকেই যার যার পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেয়া হবে।   

থাই সরকারের মুখপাত্র সানসার্ন কাওকুমনের্ড এএফপি জানান, সন্ধ্যায় তাদেরকে এ জন্য সংবাদ সম্মেলনে হাজির করা হবে যাতে সংবাদকর্মীরা এ ঘটনায় তাদের অভিজ্ঞতা তাদের মুখ থেকে শুনতে পারে এবং বাড়ি ফিরে যাওয়ার পর তাদেরকে যাতে আর বিরক্ত করা না হয়।

চিয়াং রাইয়ের প্রাদেশিক গভর্নর প্রাচোন প্রাতসুকান যোগ করেন যে, এখানেই বালকরা সংবাদকর্মীদের সাথে একমাত্র মুখোমুখি হবে। এরপর তারা কোন গণমাধ্যমের সাথে কথা বলবে না।

সংবাদ সম্মেলনের আগে সংবাদকর্মীদের কাছ থেকে প্রশ্ন চেয়ে পাঠিয়েছে কর্তৃপক্ষ। একজন শিশু মনোরোগ বিশেষজ্ঞ পরীক্ষা করে দেখবেন, এসব প্রশ্নের উত্তর দিতে তারা সক্ষম কিনা। সেখান থেকে বাছাইকৃত প্রশ্নের উত্তর দিবে বালকরা।

বাড়িতে ফিরে যাওয়ার পর তাদের প্রত্যেককে বৌদ্ধ মন্দিরে পাঠানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। দেশটির ঐতিহ্য অনুসারে পুরুষদের কেউ মৃত্যু অভিজ্ঞতা থেকে ফিরে আসলে তাদেরকে কিছুদিন মন্দিরে পাঠানো হয় ধর্মীয় প্রার্থনার উদ্দেশে।

ডেইলি বাংলাদেশ/সালি