বাসা মনের মতো হয়নি তাই ভাড়া দেন না সরকারি কর্মকর্তা
SELECT bn_content.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content.ContentID WHERE bn_content.Deletable=1 AND bn_content.ShowContent=1 AND bn_content.ContentID=132674 LIMIT 1

ঢাকা, রোববার   ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০,   আশ্বিন ৫ ১৪২৭,   ০১ সফর ১৪৪২

Beximco LPG Gas

বাসা মনের মতো হয়নি তাই ভাড়া দেন না সরকারি কর্মকর্তা

  পাথরঘাটা (বরগুনা) প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৭:২০ ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচ অ্যান্ড এফপিও) মাসুমুল হক খানের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে বাড়িভাড়া ফাঁকি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।  ভাড়ার টাকা চাইলেই বলেন, ‘ভবনটি তার বসবাসের উপযোগী নয়।’ জানালেন উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।

তিনি জানান, গত সাড়ে ২৭ মাস ধরে নামমাত্র বাড়িভাড়া দিয়ে সরকারকে মোটা অংকের টাকা ফাঁকি দিচ্ছেন ইউএইচ অ্যান্ড এফপিও মাসুমুল হক খান। এতে প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকা সরকারের কোষাগারে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করেছেন এই কর্মকর্তা। তার বেতন নথিপত্র ঘেটে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে বলেও জানান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা।

তিনি আরো বলেন, শুরু থেকেই ইউএইচ অ্যান্ড এফপিও মাসুমুল হক খান বলে আসছেন বাসভবনটি থাকার উপযোগী না। তবে তিনি ওই বাসভবনেই থাকছেন। তিনি গেজেটেট অফিসার। তার বিল নিজেই প্রস্তত করে দেন। আমি বিলটি পাশ করি মাত্র।

নথিপত্র ঘেটে জানা গেছে, মো. মাসুমুল হক খান ২০১৭ সালের ১২ এপ্রিল পাথরঘাটায় ইউএইচ অ্যান্ড এফপিও পদে যোগদান করেন। যোগদান করেই তিনি পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কম্পেলেক্সের ভেতরে সুসজ্জিত বাসভবনে ওঠেন। ওই বাসভবনেই স্ত্রীসহ গত সাড়ে ২৭ মাস ধরে অবস্থান করছেন তিনি। মূল বেতন অনুযায়ী ঘরভাড়া না দিয়ে তিনি নামমাত্র বাড়িভাড়া দিয়ে সরকারকে ফাঁকি দিচ্ছেন।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে ইউএইচ অ্যান্ড এফপিও মো. মাসুমুল হক খানের মূল বেতন ৫৩ হাজার ৮৬৫ টাকা। ওই বেতনের ৪০ ভাগ বাড়িভাড়া আসে ১৮ হাজার ৭৬৩ টাকা। ওই বাড়িভাড়ার টাকা ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে বাড়িভাড়া হিসাবে সরকারি কোষাগারে জমা দেয়ার কথা। কিন্তু মো. মাসুমুল হক খান ওই টাকা জমা না দিয়ে গত জুলাই মাসে মাত্র এক হাজার ৮৭৬ টাকা জমা দেন। যা সরকারি বাড়িভাড়া নিয়মবর্হিভূত। জুলাই মাসে তিনি বাড়িভাড়া বাবদ ১৬ হাজার ৮৮৭ টাকা সরকারি কোষাগারে কম জমা দিয়েছেন। এভাবে গত সাড়ে ২৭ মাসে ইউএইচ অ্যান্ড এফপিও মো. মাসুমুল হক খান প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকা বাড়িভাড়া বাবদ আত্মসাৎ করেছেন। 

অভিযোগ প্রসঙ্গে ইউএইচ অ্যান্ড এফপিও মাসুমুল হক খান বলেন, এ বিষয়ে ফোনে কথা বলা যাবে না। আপনি অফিসে আসুন।

এ ব্যাপারে বরগুনার সিভিল সার্জন মো. হুমায়ুন শাহীন খান বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে পাথরঘাটা একাউন্স অফিস বাড়ি ভাড়ার বরাদ্ধ দেখেই বিল পাস করার কথা। এ ব্যাপারে ওই একাউন্স অফিসই ভালো বলতে পারবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরআর