Alexa বাবরি মসজিদের রায়ে মুসলিম ওয়াকফ বোর্ডের অসন্তোষ

ঢাকা, বুধবার   ১৩ নভেম্বর ২০১৯,   কার্তিক ২৯ ১৪২৬,   ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

Akash

বাবরি মসজিদের রায়ে মুসলিম ওয়াকফ বোর্ডের অসন্তোষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২০:৪২ ৯ নভেম্বর ২০১৯   আপডেট: ২০:৪৬ ৯ নভেম্বর ২০১৯

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

অযোধ্যার বিতর্কিত স্থানে বাবরি মসজিদের জায়গায় রাম মন্দির নির্মাণের পক্ষে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট রায় দেয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছে উত্তর প্রদেশের সুন্নি সেন্ট্রাল ওয়াকফ বোর্ড।

শনিবার মামলার রায়ে সুপ্রিম কোর্ট জানায়, রামলালার বিতর্কিত ২ দশমিক ৭৭ একর জমিতে মন্দির নির্মাণ হবে, আর অন্যত্র ৫ একর জমি দেয়া হবে মসজিদ নির্মাণের জন্য।

রায় প্রকাশের পর ওয়াকফ বোর্ডের আইনজীবী জাফরিয়াব জিলানি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা মনে করি এটা অবিচার হয়েছে....আমরা এই রায় মেনে নেব না। তবে আমরা রায়ের পুরো অংশের সমালোচনা করছি না।’

‘আমরা এই রায়কে সম্মান করি এবং জনগণের কাছে শান্তি বজায় রাখার অনুরোধ করছি। কোনো পক্ষের তরফ থেকেই এই রায়ের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে নামা উচিত হবে না। এখানে কারো জয় বা পরাজয়ের কিছু নেই। আমি শুধু এটা বলতে পারি, এই রায় সন্তোষজনক নয় এবং আমরা এমনটা আশা করিনি।’

বিতর্কিত জমি এবং ভেতরের অংশ অন্যপক্ষকে দেয়া হয়েছে উল্লেখ করে জাফারিয়াব জিলানি বলেন, পুরো জমি অন্যপক্ষকে দেয়া ঠিক নয়। আমরা শীর্ষ আদালতকে সম্মান জানাই, আমাদের রায়ের সঙ্গে সহমত না হওয়ার অধিকার আছে। অনেক মামলায় রায় পাল্টেছে দেশের শীর্ষ আদালত। আমাদের রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন জানানোর অধিকার আছে।

বাবরি মসজিদের বিতর্কিত জমি মন্দিরের জন্য দেয়ার রায় ব্যাখা করে আদালত বলেছে, আর্কিওলজি সার্ভে অব ইন্ডিয়া (এএসআই) প্রমাণ পেয়েছে যে, মোঘল সম্রাট বাবরের ১৬ শতকের মসজিদ ফাঁকা জায়গায় নির্মাণ করা হয়নি। 

তবে মাটির নিচে থাকা স্থাপনাটি ঠিক কী ছিল, তা এএসআই সুনির্দিষ্ট করে বলতে পারেনি।

১৯৯২ সালে বাবরি মসজিদ ভেঙে দেন দেশটির কট্টরপন্থী হিন্দুরা। তাদের বিশ্বাস, হিন্দুদের দেবতা রামচন্দ্রের জম্মভূমির ওপর তৈরি করা মন্দিরের ধ্বংসাবশেষের ওপর মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে।

ভারতের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ জানিয়েছেন, মুসলিমরা মসজিদ পরিত্যক্ত করে দেননি এবং তাদের নির্মাণ থেকে বঞ্ছিত করা যাবে না। হিন্দু মহাসভার আইনজীবী বরুণ কুমার সিংহ বলেন, ‘এটি ঐতিহাসিক রায়। এই রায়ের মধ্যে দিয়ে সুপ্রিম কোর্ট বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যের বার্তা দিয়েছে।’

ডেইলি বাংলাদেশ/মাহাদী