বাধ্যতামূলক পরিস্থিতি, খাদ্য সংকটের শঙ্কা এবং করণীয়

ঢাকা, শুক্রবার   ২৯ মে ২০২০,   জ্যৈষ্ঠ ১৫ ১৪২৭,   ০৫ শাওয়াল ১৪৪১

Beximco LPG Gas

কোভিড-১৯

বাধ্যতামূলক পরিস্থিতি, খাদ্য সংকটের শঙ্কা এবং করণীয়

 প্রকাশিত: ১৬:৪৬ ২৭ মার্চ ২০২০   আপডেট: ২৩:৫৮ ২৮ মার্চ ২০২০

নব্বইয়ের দশকের অন্যতম কবি বীরেন মুখার্জী। পেশা: সাংবাদিকতা। পাশাপাশি গল্প, প্রবন্ধ, উপন্যাস রাজনৈতিক কলাম লিখে চলেছেন একাধারে।  তার আগ্রহের অন্যতম বিষয় ‘মুক্তিযুদ্ধ’ এবং ‘লোকঐতিহ্য’। সম্প্রতি মনোযোগ দিয়েছেন চলচ্চিত্র নির্মাণে। তার নির্মিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘ঘোর’ বেশ প্রশংসিত হয়েছে।

‘করোনাভাইরাস’ এক অপরিসীম নেতিবাচকতা নিয়ে বিশ্ববাসীর সামনে আবির্ভূত হয়েছে। অদৃশ্য এই শত্রুর প্রভাব মানুষের ওপর কতটুকু, তা এরইমধ্যে স্পষ্ট হয়েছে।

কেননা, এ লেখাটি তৈরির সময় গোটা বিশ্বে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৪ লাখ ২৩ হাজার ১২১ জন, মৃত্যুর সংখ্যা ১৮ হাজার ৯১৯ জন এবং সুস্থ হয়েছেন, ১ লাখ ৮ হাজার ৬১৯ জন। অপরদিকে অর্থনীতিতে এর নেতিবাচক প্রভাব কতটুকু হবে তা এখনই বলতে পারছেন না বিশ্লেষকরা। কিন্তু জল্পনা-কল্পনা থেমে নেই। করোনাভাইরাসের গতি-প্রকৃতি বিশ্লেষণ করে অর্থনীতি বিশ্লেষকরা বলছেন, ভাইরাসের সংক্রমণ-বিস্তার ঠেকাতে বিশ্বের দেশগুলো এখন ‘একলা চলো’ নীতি অনুসরণ করছে। আর চীনের কোভিড-১৯ ক্লিনিক্যাল বিশেষজ্ঞ দলের প্রধান ঝাং ওয়েনহং রোববার জার্মানির চীনা কনস্যুলেটে আয়োজিত ভিডিও কনফারেন্সে বলেছেন, ‘ভাইরাস আসবে, আবার চলেও যাবে। তবে ইউরোপ পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে দুই বছরের বেশি সময় লাগতে পারে।’ ফলে ভাইরাসটি মানব সভ্যতাকে শেষ পর্যন্ত কোন অবস্থায় নিয়ে দাঁড় করাবে তা যেমন চিন্তার বিষয়, তেমনি এ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বিশ্বের খাদ্য পরিস্থিতি কি হবে সেটাও ভাবনার বিষয় বৈকি। 
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছিলেন, ‘যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে একলা চলো রে।’ আসলে বিশ্ববাসীর পরিস্থিতি এখন এমন, যার যার সাবধানতা-সতর্কতা তাকেই অবলম্বন করতে হচ্ছে। করোনা সংক্রমণ-আতঙ্কে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মধ্যেকার আমদানি-রপ্তানি প্রায় বন্ধের পথে, বলা যায় জরুরি চিকিৎসা সামগ্রি ছাড়া অন্য সব কিছু বন্ধ হয়ে গেছে। বিশ্বের দেশগুলো ‘একা’ হয়ে পড়েছে। দেশে দেশে অভ্যন্তরীণ যোগাযোগও ক্রমে বন্ধ হচ্ছে। এতে শহর থেকে শহর বিচ্ছিন্ন হচ্ছে। মানুষের সঙ্গে মানুষেরও দূরত্ব রাখতে হচ্ছে। ভয়াবহ এ ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে এছাড়া উপায়ও নেই। যেহেতু এ ভাইরাসের প্রতিষেধক এখনো আবিষ্কৃত হয়নি। বিশ্ববাসীকে এমনিতেই নানান প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা করে টিকে থাকতে হয়। গত ডিসেম্বরে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের শুরুর দিকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পঙ্গ-পালের আক্রমণের বিষয়টিও সামনে আছে। পঙ্গপালের আক্রমণে প্রায় ২০ শতাংশ ফসলের হানি ঘটবে বলেও মানে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা মনে করেন, সময়সাপেক্ষ হলেও করোনা পরিস্থিতি হয়তো মোকাবিলা করা যাবে; কিন্তু এই ‘বাধ্যতামূলক পরিস্থিতি’ শেষে যে গভীর সংকট বিশ্ববাসীকে মোকাবিলা করতে হবে, তা হলো খাদ্য সংকট। বিভিন্ন গবেষণা থেকে উঠে আসা আগাম এই আশঙ্কার বার্তা সার্বিক বিবেচনায় উড়িয়েও দেয়া যায় না।

এরইমধ্যে করোনা ভাইরাসের প্রভাবে বিশ্বের দেশে দেশে উৎপাদনে ধস নেমেছে। কারখানার শ্রমিকরাও ভয়ে-আতঙ্কে যে যার মতো বাড়িতে অবস্থানের চেষ্টা করছেন। মৃত্যুভীতি সব প্রাণের মাঝেই থাকে। এরপরও দেখা যাচ্ছে, অনুন্নত দেশ, উন্নয়নশীল দেশ এবং উন্নত দেশের সাধারণ অল্প-আয়ের মানুষ ঘরবন্দি হয়ে থাকতে পারছে না। দিন এনে দিন খাওয়া মানুষের ঘরের বাইরে না এসে উপায় নেই। দিনমজুর ও স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য খাদ্যাভাব সবসময়ই থাকে। এ বিদ্যমান এ পরিস্থিতিতে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে দরিদ্র ও নিম্নআয়ের মানুষের ঘরে খাবার পৌঁছে দেয়া সম্ভব না হলে, খাবারের সন্ধানে তারা ঘরের বাইরে আসতে বাধ্য হবেন এবং সংক্রমণের ঝুঁকিও তৈরি হবে এটাই স্বাভাবিক। আক্রান্ত দেশগুলো আপাতত দেশে উৎপাদিত এবং আগের আমদানি করা পণ্যের মাধ্যমে নিজ নিজ দেশের মানুষের ক্ষুধা নিবৃত্ত করে চলেছে। বাংলাদেশে এই করোনা আতঙ্কের মধ্যে নিত্যপণ্যের চাহিদা এবং দাম দুটোই বেড়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করেন, বেশি মূল্যে পণ্য কিনতে গিয়ে ইতিমধ্যে দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের অনেকের জমানো অর্থে টান পড়েছে। বাধ্যতামূলক পরিস্থিতি দীর্ঘ হলে, মানুষের কী হবে এটাই এখন ভাবনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।  

বাংলাদেশের বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) ইতিমধ্যে বলেছে, বৈদেশিক খাত, পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থাসহ গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কর্মকাÐ, স্বাস্থ্য খাত, সরকারি অর্থায়ন এবং মুদ্রা সরবরাহ ব্যবস্থা, আমদানি, রপ্তানি, রেমিট্যান্সে নেতিবাচক প্রভাব এবং পণ্যের সরবরাহব্যবস্থায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলে মন্দার কবলে পড়বে দেশের অর্থনীতি। এতে মানুষের আয় কমবে। এমনকি বেকার হবেন অনেকেই। সামগ্রিকভাবে রাজস্ব আদায়ে চলমান নেতিবাচক অবস্থাকে আরও প্রভাবিত করবে। এতে বছর শেষে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি ১ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। বিশ্ব অর্থনীতির ওপর করোনাভাইরাসের প্রভাব বড় ধরনের হবে- অর্থনীতিবিদদের এমন আশঙ্কার যৌক্তিক কারণও রয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার ৩১০ বিলিয়ন ডলার। এর ১২০ বিলিয়ন ডলার বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। শতকরা হিসাবে যা ৪০ শতাংশ। ফলে বিশ্ব অর্থনীতিতে নেতিবাচক অবস্থা সৃষ্টি হলে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এর নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে উপায় নেই। 

এখন এই পরিস্থিতিতে বিশ্লেষকদের গবেষণাকে নিজেদের ভবিষ্যত হিসেবে ধরে না নিয়ে উপায় নেই কারো। করোনাভাইরাসের পরিপ্রেক্ষিতে অর্থনৈতিক বিপদই সবচেয়ে বেশি; কেননা, এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে যত মানুষ মারা যাবে, তার চেয়ে বেশি মানুষ হবে দেউলিয়া। নিঃস্ব হয়ে বেঁচে থাকবে মানুষ। যদি বাংলাদেশের কথা ধরি, তাহলে দেখা যাচ্ছে এখন পর্যন্ত ১৭ লাখ টন খাদ্য মজুত এছ। এই পরিমাণ গত বছরের চেয়ে দেড় লাখ টন বেশি বলে দাবি করেছেন গবেষকরা। উল্লেখ্য করা যেতে পারে, ২০০৮ সালে বিশ্বমন্দা পরিস্থিতির মধ্যেও বেশ আত্মতৃপ্তিতে ছিল বাংলাদেশ। তবে এবারের করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ হবে বলেই আশঙ্কা করছেন সবাই। করোনাভাইরাসে বিশ্বমন্দা প্রকট হলে বাংলাদেশ বিপদমুক্ত থাকবে, এমনটি মনে করার সুযোগ নেই। প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের পাশাপাশি অর্থনীতির এই উৎকণ্ঠার মধ্যে করণীয় কী তাও নির্ধারণ করতে হবে। 

এবার একটু পেছন থেকে আসা যেতে পারে। বাংলাদেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত হচ্ছে কৃষি, যা এ দেশের বিপুল জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে ব্যাপক অবদান রাখে। অথচ বিশ্বের জলবায়ুর পরিবর্তনের প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের কৃষিতে। ভৌগোলিক অবস্থান, জনসংখ্যার আধিক্য, আর্থসামাজিক অবস্থার কারণে জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে বাংলাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে বিপদাপন্ন দেশ হিসেবেও বিবেচিত। জলবায়ু পরিবর্তন এমন একটি বিষয়, যা সামগ্রিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে প্রভাবিত করে। পৃথিবী সৃষ্টির আদিকাল থেকে পরিবর্তিত হচ্ছে জলবায়ু। এর প্রভাব পড়ছে পরিবেশ ও মানুষের ওপর। পরিবেশ, মানুষ ও জলবায়ু অত্যন্ত ঘনিষ্ঠভাবে আন্তঃসম্পর্কযুক্ত। আমাদের কৃষির সাথেও পরিবেশ, আবহাওয়া ও জলবায়ুর সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড়। তাই জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব কৃষিক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি। এটা ঠিক যে, জলবায়ু সহনীয় নানান জাতের ফসল উৎপাদনে এগিয়ে আছে বাংলাদেশ। কিন্তু এই করোনা প্রভাবের কারণে কৃষি উৎপাদনও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশ্ব প্রেক্ষিতেও বিষয়টি বাস্তবসম্মত। সংগত কারণেই, করোনাভাইরাস প্রাকৃতিক ভাবে দূর হয়ে গেলেও খাদ্য উৎপাদনে যে নেতিবাচক প্রভাব রেখে যাবে তা স্পষ্ট।  

একটি সমীক্ষা থেকে জানা গেছে, ১০০ বছরে এ দেশের ওপর দিয়ে বয়ে গেছে ৫৮টি প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়, ৫০ বছরে হয়েছে ৫৩টি বন্যা, তার মধ্যে ৬টি ছিল মহাপ্লাবন। ১৫৩ বছরে হয়েছে ২০টি বড় ধরনের ভ‚মিকম্প। ১৯৬০ সাল থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত এ দেশে ছোট ও বড় ধরনের ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও কালবৈশাখীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬৭টি, তার মধ্যে ১৫টি ছিল ভয়াবহ। এতে সম্পদের ক্ষতি হয় ২৫ থেকে ৩০ হাজার কোটি টাকা (বিএমডি, ২০০৭)। এর ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় কৃষি খাত অর্থাৎ খাদ্য উৎপাদন। বাংলাদেশে ১৯৭৪ সালের বন্যায় ৩২৫.৯ মিলিয়ন ডলার, ২০০৪ সালের বন্যায় আউশ ও আমন ফসলের ৪৩৫.৮৯ মিলিয়ন ডলারের খাদ্যশস্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল এবং ১৯৮৮ সালে বন্যায় খাদ্যশস্যের ক্ষতি হয়েছিল প্রায় ২৫ লাখ টন। নভেম্বর ২০০৭ এর ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ‘সিডর’ তার গতিপথে উপকূলের ১৮৬,৮৮৩ হেক্টর ফসলি জমি সম্পূর্ণভাবে ৪৯৮,৬৪৫ হেক্টর আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার রেকর্ড রয়েছে। এতে আর্থিক ক্ষতি হয়েছিল ৩ বিলিয়ন ডলার (বিএমডি, ২০০৭)। আবার শৈত্যপ্রবাহের ব্যাপ্তিকালের জন্য মানুষের জীবন ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কৃষি তথ্য সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, খরার কারণে বিগত ৫০ বছরে ২০ বার দেশ খরার ঝুঁকিতে আক্রান্ত হয়েছে এবং তীব্রতাভেদে আমনসহ অন্যান্য ফসল ২০-৬০% ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ১৯৭৩ সাল থেকে ১৯৮৭ সাল পর্যন্ত খরার কারণে প্রায় ২১.৮ লাখ টন ধান নষ্ট হয়। সুতরাং, দুর্যোগের এই চিত্র থেকে স্পষ্ট হতে পারে, করোনা ভাইরাসে প্রাণহানি রোধ না হলে এর সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়বে উৎপাদনব্যবস্থায়। বলাই বাহুল্য, গোটা বিশ্বের পরিস্থিতি এমনই। 

সর্বোপরি মনে করি, করোনাভাইরাসের এই মহামারী থেকে নিজেদের রক্ষা করতে বিশ্ববাসীকে সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। উন্নত দেশগুলোর বিজ্ঞানীদের সমবেত প্রচেষ্টায় দ্রæততার সঙ্গে ভাইরাস প্রতিরোধী টিকা আবিষ্কৃত হতে পারে। বিশ্ববাসীর মনে রাখতে হবে, এটা মানবতার বিপর্যয়। একক কোনো জাতি বা গোষ্ঠীর জন্য এ বিপর্যয় নির্ধারিত নয়। মানব জাতিকে রক্ষা করতে হলে ভাইরাস সংক্রমণ এবং মৃত্যু যেমন ঠেকানো প্রয়োজন, তেমনি অর্থনৈতিকভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্যও যথাযথ পরিকল্পনা জরুরি। ভবিষ্যতে অর্থনৈতিকভাবে বিশ্বকে কোন দেশ শাসন করবে, এমন গুঞ্জন ইতিমধ্যে উঠেছে। আমি মনে করি, এই বিপর্যয়সংকুল পরিস্থিতিতে সেটা বিবেচ্য হওয়া উচিত নয়। বরং সামগ্রিকভাবে এ দুর্যোগ মোকাবিলা করা জরুরি। বিশ্ববাসীর প্রাণরক্ষা এবং ভবিষ্যতে খাদ্য সংকটের আশঙ্কা থেকে মুক্তি দিতে পারে উন্নত দেশগুলোই। বিশ্ব নেতৃত্ব কি এগিয়ে আসবে না ভয়াবহ এই মহামারী-বিপর্যয় থেকে মানুষকে উদ্ধার করতে?

ডেইলি বাংলাদেশ/আরআর/আরএ