বাঘের সঙ্গে ‘ছেলেখেলা’, কপাল পুড়ল দুই বনকর্মীর!

ঢাকা, রোববার   ২৯ মার্চ ২০২০,   চৈত্র ১৫ ১৪২৬,   ০৪ শা'বান ১৪৪১

Akash

বাঘের সঙ্গে ‘ছেলেখেলা’, কপাল পুড়ল দুই বনকর্মীর!

সোশ্যাল মিডিয়া ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৩:২২ ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

ভিডিও  থেকে নেয়া

ভিডিও থেকে নেয়া

জঙ্গলে তাদের সামনা সামনি হওয়ার সাহস পায় না কোনো প্রাণীই, তারাই রাজত্ব করে সেখানে। সেই বাঘের সঙ্গে নিয়ম ভঙ্গ করার অভিযোগে চাকরি গেল দুই বনকর্মীর। ভারতের ছত্তীসগড়ে রায়পুরের নন্দনবন জঙ্গল সাফারির ঘটনা এটি। সম্প্রতি ওই সাফারির একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। তা দেখেই পদক্ষেপ নেন কর্মকর্তারা।    

ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে একটি গাড়ির পিছনের প্লাস্টিকের পর্দা ধরে রেখেছে বাঘটি, পর্দাটি ছিঁড়ে নিয়ে যেতে রীতিমতো টানাটানি করছে। আর সেই ঘটনা গাড়ির উপর থেকে কেউ একজন ক্যামেরাবন্দি করছেন। বার বার পর্দাটি ছেড়ে দিতে বলছেন তিনি।

বাঘটির নাম ‘কানহা’। ওই নামে সম্বোধন করে বার বার পর্দা ছেড়ে ফিরে যেতে বলছেন কেউ তাকে। কিন্তু বাঘটি পর্দা ছাড়তে রাজি নয়। বার কয়েক গাড়িটিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা হয়, যাতে বাঘটি পর্দাটি ছেড়ে দেয়, কিন্তু তাতেও কোনো লাভ হয় না।

ভিডিওটি অভিনেতা রণদীপ হুডা পোস্ট করেছেন টুইটারে। তিনি ভিডিওটি কোথায় পেয়েছেন সে সম্পর্কে কিছু উল্লেখ করেননি। এটি প্রকাশ্যে আসার পরই দুই বনকর্মীকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এই দুই কর্মী হলেন, সাফারি পার্কের ওই গাড়ির চালক ও গাড়ির গাইড। তিনিই সম্ভবত ভিডিওটি রেকর্ড করছিলেন।

সাফারির নিয়ম হল, সব সময় চেষ্টা করতে হবে মানুষ ও বাঘের মধ্যে যেন নিরাপদ দূরত্ব থাকে। যদি বাঘ গাড়ির দিকে এগিয়ে আসে, তবে গাড়ির গতি বাড়িয়ে সেখান থেকে সরে যেতে হবে। জানা গেছে, এক্ষেত্রে গত শুক্রবার ওই সাফারির এক পর্যটক বাঘটিকে এগিয়ে আসতে দেখে গাড়ি থামাতে বলেন। আর সেই কথা শুনে ড্রাইভার গাড়ি থামিয়ে দেন। বাঘটি প্লাস্টিকের পর্দাটি কামড়ে ধরে ফেলে। ড্রাইভার ও গাইডের এই নিয়ম ভঙ্গের ফলে আহত হতে পারতো বাঘটি।

নন্দনবন জঙ্গল সাফারির পরিচালক এম মার্সি বেলা জানিয়েছেন, ড্রাইভার ওমপ্রকাশ ভারতী ও গাইড নবীন পুর্নিয়া-র বিরুদ্ধে আইন মেনে পদক্ষেপ করা হয়েছে।  সেই সঙ্গে সাফারির গাড়িতে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা বনরক্ষী কর্মীদের প্রধানকেও কারণ দর্শানোর নোটিস দেয়া হয়েছে। সতর্ক করে দেয়া হয়েছে এমন ঘটনা যে ভবিষ্যতে না ঘটে। 

ভিডিও দেখুন>>>

ডেইলি বাংলাদেশ/এমএইচ