Alexa বাগেরহাটে বিভিন্ন কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন ৮৭ হাজার মানুষ

ঢাকা, শুক্রবার   ২২ নভেম্বর ২০১৯,   অগ্রহায়ণ ৮ ১৪২৬,   ২৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

Akash

বাগেরহাটে বিভিন্ন কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন ৮৭ হাজার মানুষ

বাগেরহাট ও শরণখোলা প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২০:২৬ ৯ নভেম্বর ২০১৯   আপডেট: ২০:৫৫ ৯ নভেম্বর ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে আশ্রয়কেন্দ্রে ছুটছেন বাগেরহাটের মোংলা, শরণখোলা, রামপাল ও মোরেলগঞ্জের হাজারো মানুষ।

শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে ৮৬ হাজার ৮৬০ জন আশ্রয় নেন। এর মধ্যে শরণখোলার ৯৭টি আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নেন প্রায় ৪০ হাজার মানুষ। এছাড়া শত শত মাছ ধরা নৌকা ও ট্রলার উপকূল ছেড়ে নিরাপদে নিয়েছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রনজিৎ সরকার জানান, যারা এখনো আশ্রয়কেন্দ্রে যাননি স্বেচ্ছাসেবকের মাধ্যমে তাদের নিরাপদে নেয়ার চেষ্টা চলছে। স্বেচ্ছসেবকরা সবাইকে আশ্রয়কেন্দ্রে আনার জন্য উপজেলার সর্বত্র প্রচারণা চালাচ্ছে।

জেলা ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি মো. আবুল হোসেন জানান, দুই-তিন নম্বর সিগনালের পর পরই সব ফিশিং ট্রলার সাগর থেকে উঠে আসে। এসব ট্রলার উপজেলার নদী-খাল ও রায়েন্দা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের ঘাটে নিরাপদে রয়েছে।

শরণখোলার ইউএনও সরদার মোস্তফা শাহীন বলেন, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। বিপুলসংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক লোকজনকে আশ্রয়কেন্দ্রে নিতে সহযোগিতা করছেন। নিরাপত্তার জন্য মাঠে রয়েছে পুলিশ।

বাগেরহাটের ডিসি মো. মানুনুর রশীদ জানান, দুর্যোগ মোকাবিলায় কোস্টগার্ড, নৌবাহিনী, বন বিভাগ ও জেলা প্রশাসন সার্বিক প্রস্তুতি নিয়েছে। জেলার ২৩৪টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র খোলা রাখা হয়েছে। মোংলা বন্দরের তিনটি কন্ট্রোল রুম ছাড়াও দশটি কন্ট্রোল রুম কাজ করছে। উপকূলীয় এলাকার মানুষ দুপুরের পর থেকে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে আসতে শুরু করেছে। সন্ধ্যার আগেই শরণখোলা ও মোংলার অনেক আশ্রয়কেন্দ্রে উপকূলের মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৩০ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার ও সাড়ে ৪ টন চাল প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআর