বাইক্কা বিলে এবার ৩৯ প্রজাতির পাখি
SELECT bn_content_arch.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content_arch.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content_arch.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content_arch INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content_arch.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content_arch.ContentID WHERE bn_content_arch.Deletable=1 AND bn_content_arch.ShowContent=1 AND bn_content_arch.ContentID=80216 LIMIT 1

ঢাকা, সোমবার   ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০,   আশ্বিন ৬ ১৪২৭,   ০৩ সফর ১৪৪২

বাইক্কা বিলে এবার ৩৯ প্রজাতির পাখি

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

 প্রকাশিত: ০৩:৪৯ ৩০ জানুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ০৩:৫৬ ৩০ জানুয়ারি ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের বাইক্কা বিলে এবার ৩৯ প্রজাতির ১১ হাজার ৬১৫ পাখির সন্ধান পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ১৯ প্রজাতির পরিযায়ী ও ২০ প্রজাতির দেশিয় জলচর পাখি রয়েছে।

এশিয়ান ওয়াটার বার্ড সেনসাস’র অধীনে বাংলাদেশ বার্ড ক্লাবের উদ্যোগে মঙ্গলবার রাতে দুই দিনব্যাপী পাখি শুমারির হিসেব তুলে ধরা হয়।

শুমারিতে বিপন্ন প্রজাতির বড়গুটি ঈগল, পালসী কুড়া ঈগল, উদয়ী গয়ার, কালা মাথা কাস্তেচড়া ও মরচেং ভূতিহাঁস পাওয়া গেছে।

এছাড়া সুদূর সাইবেরিয়া, চায়না, মধ্য এশিয়া, ইন্ডিয়া ও আসাম থেকে আসা ১৯ প্রজাতির পরিযায়ী বাইক্কা বিলে আসে।

পাখি বিশেষজ্ঞ ডক্টর পল থম্পসন বলেন, ২০০৪ সালে বাইক্কা বিল প্রতিষ্ঠার পর জুলাই মাস থেকে পাখি শুমারির আওতায় নিয়ে আসা হয়। ওই বছরে ২৯৬ টি জলচর পাখি বাইক্কা বিলে আসে। ২০১৮ সালে এ বিলে ৩৮ প্রজাতির ৫ হাজার ৪১৮টি পাখির দেখা মেলে।

২০১৭ সালে ৪১ প্রজাতির  ১০ হাজার  ৭১৩ টি পাখির দেখা মিলেছিল। ২০১৬ সালে বাইক্কা বিল অভয়াশ্রমে পরিযায়ী ও দেশিয় বিভিন্ন প্রজাতির ৮ হাজার ৮৩২ টি জলচর পাখি গণনা করা হয়। ২০১৫ সালে পাখি শুমারিতে ৬ হাজার ৯৯১ টি জলচর পাখি শীত মৌসুমে বাইক্কা বিলে শুমারীর সময় অবস্থান করে।

পল থম্পসন বলেন, এ বছর বাইক্কা বিলে খয়রা কাস্তেচরা নামের পরিযায়ী জলচর পাখিটি বেশি ৪/৫ বছর আগে বাংলাদেশে দেখা মেলেনি। এখন প্রতি বছর এর সংখ্যা বাড়ছে। এ বছর বাইক্কাবিলে এ জাতীয় ২৮৮ টি পাখির দেখা মেলে। এছাড়া বাইক্কা বিলে অন্যান্য যেসব পাখির দেখা মেলেছে সেগুলো হলো, পাতি তিলি হাঁস ২ হাজার ২২০টি, উত্তুরে ল্যঞ্জা হাঁস ৯২১ট, রাজ শরালী ৩৯৮টি, পাতি শরালী ৮৬০টি।

বাইক্কা বিলে প্রতি বছরে পাখি কম বেশির বিষয়ে পল থম্পসন বলেন, পরিযায়ী পাখিরা আসার আগে তাদের আবাসস্থলটি নিরাপদের বিষয় বিবেচনায় রাখে। বাইক্কা বিল অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠার পর বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করা হয়। এর মধ্যে হিজল করচের বাগান, গাছ লাগানো, খনন কাজ করা হয়। এ কাজগুলো সাধারণত শুকনা মৌসুমে করা হয়। পাখি আসার সময় কাজ শুরুর কারণে এর সংখ্যা কমে যায়। আবার কাজ শেষের পর পাখি আসা শুরু করে। বাইক্কা বিলের আশপাশের বাড়ী ও ব্যক্তি পর্যায়ে ফিসারি বেড়ে গেলে পাখির সংখ্যা কমে যাবে ।

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের হাইল হাওর, কুলাউড়ার হাকালুকি হাওর, সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওর, উপকূলীয় অঞ্চলের নিঝুম দ্বীপ, উপকূলীয় দ্বীপ, সোনাদিয়া, স্বদ্বীপসহ অনেকগুলো স্থানে একযুগে এ পাখিশুমারী হয়।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ