Alexa বাংলার আইফেল টাওয়ারে দর্শনার্থীর ভিড়

ঢাকা, শনিবার   ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯,   আশ্বিন ৬ ১৪২৬,   ২১ মুহররম ১৪৪১

Akash

বাংলার আইফেল টাওয়ারে দর্শনার্থীর ভিড়

 প্রকাশিত: ১৯:৪৩ ৩০ আগস্ট ২০১৮   আপডেট: ১৯:৪৩ ৩০ আগস্ট ২০১৮

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ভোলার চরফ্যাশনের সুউচ্চ জ্যাকব টাওয়ার যাকে অনেকে বাংলার আইফেল টাওয়ার ও বলে তাতে ছিলো দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড়। এরইমধ্যে পর্যটক ও  দর্শনার্থীর প্রধান আকর্ষনে পরিনত হয়েছে এই টাওয়ার।

জ্যাকব টাওয়ারে সংযুক্ত আছে উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন বাইনোকুলার, যার সাহায্যে পর্যটকরা টাওয়ার চূড়ায় দাঁড়িয়ে দক্ষিণে কুকরি-মুকরি ম্যানগ্রোভ বাগান, তারুয়া সমুদ্র সৈকতসহ বঙ্গোপসাগরের একশ'কিলোমিটার গভীর পর্যন্ত বিস্তৃত 'বালিদ্বীপ' পর্যবেক্ষণ ও উপভোগ করা যায়। তাই সকলে ছুটেন জ্যাকব টাওয়ারে।

চরফ্যাশন পৌর শহরের প্রাণকেন্দ্রে দৃষ্টিনন্দন ফ্যাশন স্কয়ারের পাশে নির্মিত এই টাওয়ারটি উদ্বোধনের মধ্যদিয়ে শুধু দেশেই নয়, আন্তর্জাতিকভাবেও বাংলাদেশকে একটি ভিন্ন পরিচিতি এনে দিয়েছে। সম্পূর্ণ ইস্পাত দিয়ে নির্মিত ১৮ তলা উচ্চতার এই টাওয়ার আট মাত্রার ভূমিকম্প-সহনীয়। চারদিকে অ্যালুমিনিয়ামের ওপরে ৫ মিলিমিটার ব্যাসের স্বচ্ছ গ্লাস। টাওয়ারের চূড়ায় ওঠানামার জন্য আছে সিঁড়িসহ দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ডিজাইন করে আনা ১৩ জন ধারণক্ষমতা সম্পন্ন অত্যাধুনিক ক্যাপসুল লিফট।

এ ছাড়া টাওয়াটিতে রয়েছে দর্শনার্থীদের বিশ্রামাগার, প্রাথমিক চিকিৎসাসহ খাবারের সুব্যবস্থা। টাওয়ারের চূড়ায় উঠতে জনপ্রতি প্রবেশ ফি মাত্র ১০০ টাকা।

বাংলার আইফেল টাওয়ার হিসেবে পরিচিত ২২৫ ফুট উচ্চতার জ্যাকব টাওয়ার। প্রায় ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে এক একর জমিতে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপমন্ত্রী আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব এমপির উদ্যোগে নির্মিত এই টাওয়ার। চরফ্যাশন পৌরসভা টাওয়ার নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরআর